"গঙ্গার জলে ডুব দিলে পর মাথায় বহুক্ষণ জল থাকলেও ভার বোধ হয় না, কিন্তু এক ঘড়া জল মাথায় নিলে ভার বোধ হয়।

রামকৃষ্ণ শরনম:

অমৃতকথা****-**

“লোককে জব্দ করা মহা সাংসারী বুদ্ধি।  তুমি জব্দ করছ ,কিন্তু তোমার ওপর একজন আছেন।  তিনি যখন তোমাকে জব্দ করবেন ,তখন পালাবার পথ থাকবে না।  দিনে যেসব ভ্রম  হয়েছে ,রোজ রাত্রে তা খতাবে।  তবে তো ভ্রম সংশোধন হবে। “
“গঙ্গার জলে ডুব দিলে পর মাথায় বহুক্ষণ জল থাকলেও ভার বোধ হয় না,
কিন্তু এক ঘড়া জল মাথায় নিলে ভার বোধ হয়।
সেইরূপ জগৎসুদ্ধ সকলকে ভালবাসলেও তাতে বন্ধন হয় না,
কিন্তু কোনো বিশেষ বিষয়ে ভালবাসা পড়লেই বন্ধন। –_–__— এইসব ভাব ফেলে দিতে পারলে তবেই শান্তি ও মুক্তির আশা করা যেতে পারে।
“জন্মদাতা পিতা জন্ম দেন।
গুরু জন্ম-মরণ হতে উদ্ধার করেন —-পরমপদ দেখিয়ে।
পিতৃঋণ সন্তান উৎপাদন ও শ্রাদ্ধাদির দ্বারা শোধ করা যায়।
কিন্তু গুরু অবিদ্যা হতে পার করেন বলে তাঁর ঋণ শোধ করা যায় না —–সর্বস্ব অর্পণ করেও।
“ঠাকুর কম্পাসের কাঁটার কথা বলতেন।
কাঁটা সর্বদা উত্তর দিকে থাকে।
যদি কেউ হাত দিয়ে সরিয়ে দেয়, তবে যেই হাত সরিয়ে দেয় অমনি আবার কাঁটা উত্তরে গিয়ে দাঁড়ায়।
——————
আমাদের মনও সেইরকম হবে।
কেউ এসে যদি মন অন্য দিকে ঘুরিয়েও দেয় ,তবে যেই সে ছেড়ে দেবে অমনি আবার ঈশ্বরের নাম জপ চলতে থাকবে l “
“ভগবান পক্ষপাতী নন , তাঁর দয়া দুষ্ট-শিষ্ট সকলের উপর সমান।  যেমন সর্বত্র বৃষ্টি পড়ছে —যে ভূমি কর্ষিত থাকে সেই ফল লাভ করে। “
——স্বামী তুরীয়ানন্দজী
জয় ঠাকুর।।।
জয় তুরীয়ানন্দ মহারাজজীর জয় ……

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started