"বেণী, তুম শাদী মত্ করনা" – এই উপদেশ সে তখনকার মতো মেনে নিত ।



(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

স্বামী বিজ্ঞানানন্দ মহারাজ মাঝে মাঝে বেণীকে বলতেন, “বেণী, তুম শাদী মত্ করনা” এই উপদেশ সে তখনকার মতো মেনে নিত । কিন্তু বেণী মহারাজের কথায় সম্মত হলে হয় কী! তার বাড়ির লোক শুনবে কেন? এক সময় তারা তার বিয়ের ব্যবস্থা করে তাকে বাড়ী চলে আসতে বলল ।
নিরুপায় বেণী জানত যে মহারাজের অনুমোদন লাভ করা যাবেনা । তাঁর চোখের সামনে কিভাবেই বা আশ্রম থেকে যাত্রা করা যায়! অনেক ভাবার পর ঠিক করল, অনেক রাত্রে, মহারাজ যখন ঘুমিয়ে পড়বেন তখন সে চুপি চুপি চলে যাবে ।
নির্দ্দিষ্ট গভীর রাত্রে বেণী আশ্রম থেকে রওনা হবার উদ্যোগ করল। কিন্তু নিজের ঘর ছেড়ে গেটের কাছাকাছি আসতেই দেখল মহারাজ দরজার মুখে বড় chair এ বসে আছেন। বেণী অবাক! এখন তো মহারাজের থাকার কথা নয়! সে এবার বহির্গমনের দ্বিতীয় পথের দিকে গেল । সেখানেও একই দৃশ্য – মহারাজ chair এ বসে আছেন । বেণী তৃতীয় একটি দিক দিয়ে বেরোতে গিয়েও দেখল মহারাজকে। বারবার একই অভিজ্ঞতা হবার পর বেণী ভালো মানুষের মতো ঘরে ফিরে এসে নিশ্চিন্ত মনে শুয়ে পড়ল । ততক্ষণে তার বিবাহের ইচ্ছা সম্পূর্ণ লুপ্ত!

পরদিন সকালে মহারাজের কাছে যথারীতি সে চা নিয়ে গেছে । মহারাজ তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসছেন ও জিজ্ঞাসা করলেন,”বেণী তুম শাদী করোগে?” বেণী দৃঢ়স্বরে বলল, “নেহি বাবা, কভি নেহি।”



(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started