Swami Virajanada( bani ) paromartha prosongo II পরমার্থ প্রসঙ্গ II

Swami Virajanada

রামকৃষ্ণ-শরণম…….

বিষয়ের বা কারও প্রতি আসক্তি  বা    
       মমত্ববুদ্ধিই সমস্ত সংসারবন্ধনের মূল কারণ ।
জ্ঞানী লোক কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে ভালোবাসেন না এবং
অপরকেও তাঁর প্রতি  ব্যক্তিগতভাবে ভালোবাসতে বা আসক্ত হতে দিতে চান না । নিজে মুক্ত বলে তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার  বদ্ধ হতে দিতে চান না । তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার বদ্ধ হতে দিতে চান না । নিজে মুক্ত বলে তিনি কাউকে তাঁর প্রতি মায়ার বদ্ধ হতে দিতে চান না ।
তিনি নিজের আত্মাকে, ভগবানকে সকলের মধ্যে দর্শন করেন বলে সর্বজীবে সমভাবে তাঁর ভালোবাসা বা প্রেম ।
তাঁর প্রেমে  দেহেন্দ্রিয়-সম্বন্ধ নেই, কামগন্ধ নেই,  রূপজ মোহ নেই ।
জ্ঞানীই প্রকৃত প্রেমিক,  প্রকৃত প্রেমিক ই জ্ঞানী ।
ত্যাগ, প্রেম ও পবিত্রতা ভগবান লাভের উপায় ।
এরা পরস্পর অঙ্গাঙ্গি ভাবে সম্বন্ধ, একটি হলে অপর দুটিও থাকে ।
✔✔সমস্ত বিষয় বাসনায় বিতৃষ্ণা,
✔✔সর্বজীবে ভালোবাসা, আপনবোধ,এবং
◆অন্তরে____পবিত্র____না____হলে_____প্রেমস্বরূপ, পবিত্রতাস্বরূপ______পরমেশ্বরকে লাভ করা যায় না ।
√√অন্তরে পবিত্র চিন্তার ধারা যাতে বয় সে বিষয়ে সর্বদা যত্ন করলে কুচিন্তা,  কুপ্রবৃত্তি সব পালায়, ◆চরিত্র, ◆মন এমনি গড়ে যায় যে, তার দ্বারা কোন ◆কুকর্ম,  ◆কুচিন্তা,  ◆দ্বেষ,  ◆হিংসা সম্ভব হয় না । এরকম লোকের ভেতর থেকে এমন তেজ বা শক্তির প্রকাশ হয় যে,  ________তাঁর  সংস্রবে এসে অসাধু সাধু হয়ে যায়, মহাপাপী ধার্মিক ও সত্যনিষ্ঠ হয়, নাস্তিকও ভগবদভক্ত হয়ে যায়, সংসার তাপে তাপিত ব্যক্তি শান্তির অধিকারী হয় ।
                                                                                          ~~~~~~~স্বামী বিরজানন্দ । (পরমার্থ প্রসঙ্গ)
.      ভগবান যখন তাঁর অসীম কৃপায় গুরুমুখে তাঁর সিদ্ধমন্ত্র দিয়েছেন, তাঁকে পাবার চাবিকাঠি দিয়েছেন – তখন জানবে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন | এখন তোমার সেইটি ধারণা হওয়া চাই | যদি সেই অমূল্য রত্নকে অযত্নে ও অবহেলায় হারাও তো জানবে তুমি তাঁর কৃপার অযোগ্য | তাঁর কদর করা মানে গুরুদত্ত মন্ত্র ও উপদেশ সর্বান্ত:করণে সাধন ও পালন করা, যতদিন না বস্তু লাভ হয় | তাহলে গুরুর ঋণের কথঞ্চিৎ প্রতিদান করা হবে | ভগবানকে যত আপনার হতে আপনার বলে জানবে, ততই তুমি তাঁর কৃপার অধিকারী হবে, তাঁর কৃপার এ জন্মেই জীবন্মুক্ত, নিত্যানন্দময় হবে | প্রেম, অনুরাগ যতদিন না আসে ততদিন সংসার কখনই অনিত্য ও অসার বলে বোধ হবে না | মন তো একটি বই দুটি নয়, আর মনকে ভিন্ন ভিন্ন কামরায় ভাগ করা যায় না যে, কতকটা ভগবানে দেবে আর কতকটা বিষয়-বাসনায় ভরে রাখবে | সব মন ভগবানে না দিলে তাঁকে লাভ করা যায় না, ফলে বারে বারে সংসারে আসা যাওয়া ও অশেষ দু:খ ভোগ করতে হয় | সংসার ত্যাগ করতে হলে যে সন্ন্যাসী হয়ে বনে যেতে হবে তা নয় | আসল ত্যাগ হচ্ছে মনে | মনে ত্যাগ করলে সংসারেই থাক আর বনেই থাক,একই কথা | মনে ত্যাগ না করে বনে গেলেও সংসার সঙ্গে সঙ্গে যাবে ও ভোগাবে, নিস্তার পাবে না. সংসারের সব সুখটুকুও চাই আবার ভগবানকেও পেতে চাই, তা হয় না গো হয় না |যদি ভগবান এসে বলেন, তুই আমাকে চাস, না স্ত্রীপুত্র, নাতিপুতি নিয়ে ঐশ্বর্যশালী হয়ে সুস্থ শরীরে শতাধিক বৎসর বেঁচে থাকতে চাস ? তা হলে দেখবে, কোটি লোকের মধ্যে জোর একজন ছাড়া বাকি সকলে শেষেরটিই চাইবে |ভগবানকে পেতে হলে ষোল আনা মনপ্রাণ দিতে হবে – এক পাই, এক কড়া-ক্রান্তি কম হলেও চলবে না | আমরা চাই , কিছু না খেটেখুটে সহজে ও সব দিক বজায় রেখে যদি তাঁকে পাওয়া যায় ! যদি কৃপা করে পাইয়ে দেন তো কথাই নেই ! তা কি হয় গো ? সে যে কড়ার কড়া তস্য কড়া আপন গন্ডা বুঝে লবে | যে তাঁকে চায় সে তাঁকে পায় ; যে তাঁকে না চায় তাকে পাঁচ ভুতে নাচায় | বিজ্ঞাপনে পড়ে আট আনা ভরি সোনা কিনতে অনেকে ছোটে, কিন্তু আসল সোনাই সোনা, অন্য সোনা সোনা নয় – মেকী, ভুয়ো, আট আনাই নষ্ট |  
                                                                                              ~~~~~~~~~~~~~~ (পরমার্থ প্রসঙ্গ)
ভগবান যখন তাঁর অসীম কৃপায় গুরুমুখে তাঁর সিদ্ধমন্ত্র দিয়েছেন, তাঁকে পাবার চাবিকাঠি দিয়েছেন – তখন জানবে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন | এখন তোমার সেইটি ধারণা হওয়া চাই | যদি সেই অমূল্য রত্নকে অযত্নে ও অবহেলায় হারাও তো জানবে তুমি তাঁর কৃপার অযোগ্য | তাঁর কদর করা মানে গুরুদত্ত মন্ত্র ও উপদেশ সর্বান্ত:করণে সাধন ও পালন করা, যতদিন না বস্তু লাভ হয় | তাহলে গুরুর ঋণের কথঞ্চিৎ প্রতিদান করা হবে | ভগবানকে যত আপনার হতে আপনার বলে জানবে, ততই তুমি তাঁর কৃপার অধিকারী হবে, তাঁর কৃপার এ জন্মেই জীবন্মুক্ত, নিত্যানন্দময় হবে |
প্রেম, অনুরাগ যতদিন না আসে ততদিন সংসার কখনই অনিত্য ও অসার বলে বোধ হবে না | মন তো একটি বই দুটি নয়, আর মনকে ভিন্ন ভিন্ন কামরায় ভাগ করা যায় না যে, কতকটা ভগবানে দেবে আর কতকটা বিষয়-বাসনায় ভরে রাখবে | সব মন ভগবানে না দিলে তাঁকে লাভ করা যায় না, ফলে বারে বারে সংসারে আসা যাওয়া ও অশেষ দু:খভোগ করতে হয় | সংসার ত্যাগ করতে হলে যে সন্ন্যাসী হয়ে বনে যেতে হবে তা নয় | আসল ত্যাগ হচ্ছে মনে | মনে ত্যাগ করলে সংসারেই থাক আর বনেই থাক, একই কথা | মনে ত্যাগ না করে বনে গেলেও সংসার সঙ্গে সঙ্গে যাবে ও ভোগাবে, নিস্তার পাবে না | সংসারের সব সুখটুকুও চাই  আবার ভগবানকেও পেতে চাই, তা হয় না গো হয় না |যদি ভগবান এসে বলেন, তুই আমাকে চাস, না স্ত্রীপুত্র, নাতিপুতি নিয়ে ঐশ্বর্যশালী হয়ে সুস্থ শরীরে শতাধিক বৎসর বেঁচে থাকতে চাস ? তা হলে দেখবে, কোটি লোকের মধ্যে জোর একজন ছাড়া বাকি সকলে শেষেরটিই চাইবে | ভগবানকে পেতে হলে ষোল আনা মনপ্রাণ দিতে হবে – এক পাই, এক কড়া-ক্রান্তি কম হলেও চলবে না | আমরা চাই , কিছু না খেটেখুটে সহজে ও সব দিক বজায় রেখে যদি তাঁকে পাওয়া যায় ! যদি কৃপা করে পাইয়ে দেন তো কথাই নেই                         !! তা কি হয় গো ? সে যে কড়ার কড়া তস্য কড়া আপন গন্ডা বুঝে লবে |
                                যে তাঁকে চায় সে তাঁকে পায় ; যে তাঁকে না চায় তাকে পাঁচ ভুতে নাচায় |!!
বিজ্ঞাপনে পড়ে আট আনা ভরি সোনা কিনতে অনেকে ছোটে, কিন্তু আসল সোনাই সোনা, অন্য সোনা সোনা নয় – মেকী, ভুয়ো, আট আনাই নষ্ট |~~~~~~~~~~~~~~~~~~~(পরমার্থ প্রসঙ্গ)

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started