নাম – ধ্যান করলে কী হয় – অনেকে বলে।
তুমি করলেই না , বুঝবে কি করে ? যে চিনি খায়নি সে কি করে বুঝবে চিনি কি ? চিনি খেলে বুঝতে পারবে । আগে নামধ্যান কর , তাহলেই বুঝবে নামধ্যানে কী হয় । ঠাকুরের প্রত্যেকটা আদেশ পালন কর , ঠাকুরের বাণীর অজস্র বই আছে , কিভাবে হওয়া যায় তা পড়, ভাব কী হবার আছে , কী করণীয় আছে। সেটা বের করে সেভাবে চল , তোমাকে দেখে মনে হবে ইনি ঠাকুরের , ইনি মহাপুরুষ , কারও বাড়ী গেলে লোকে বলবে – এনার মাধ্যমে আমার বাড়ীতে ঠাকুরের পদার্পণ ঘটল ।
সবাইকে নিয়ে চলেন , কাউকে বাদ দেবেন না । অনেক লোক আপনার নিন্দা করবে , শত্রুতা করবে – কান দেবেন না । দুঃখিত হবে না।
আমাদের ধৃতিমান ( সিং ) সুন্দর -সুন্দর গান লেখে , ভজন লেখে – ঠাকুর সম্বন্ধে। ঠাকুরের গুণের বর্ণনা দিতে গিয়ে অনেক adjective ( বিশেষণ ) ব্যবহার করে । একটা কথা বার-বার ব্যবহার করে – সমদর্শী। সূর্য যেমন ছোট-বড় , ভাল–মন্দ দেখে না , সবাইকে সমান ভাবে আলো দেয় । ঐ হচ্ছে ঈশ্বরের ভালোবাসা । সাধু-সন্তই হোক , পরম পাপীই হোক , ঠাকুর সবাইকে বুকে টেনে নেন , মুক্তির পথ দেখান । আমিও যেন সবাই কে আপন করে মুক্তির পথ দেখাতে পারি । আমিও মুক্তি পাব , সেও মুক্তি পাবে। আর যদি মান -অভিমান নিয়ে চলি , আমার চিন্তা — ভাবনা – কর্মের সাথে আরেকজনের পদ্ধতির মিল হচ্ছে না দেখে তাকে দূরে রাখি , তাহ’লে মিলন হবে না । তাহলে সেও ঠাকুরের হবে না , আমিও ঠাকুরের হব না । সে না ভালবাসতে পারে , আমি তো ভালবাসতে পারি । বীরের মত বলবো ভালবাসি তোমাকে । প্রেম দিয়ে অপ্রেমকে জয় করা যায় ।
