শিক্ষা আর সূত্র–
১. জন্মনা জায়াতে শূদ্রঃ। …জাত্যা শুভ্র অষ্টম বর্ষের সংস্কারের দ্বারা দ্বিজ হয়। দ্বিজের প্রধান চিহ্ন শিক্ষা এবং সূত্র।
২.এই দুটি চিহ্ন থাকলে অগ্নিকার্য করতে পারবে।
![]() |
|
শিক্ষা আর সূত্র
|
৩. অগ্নিকার্য কি? পুরাকালে হিন্দুদের দেবী-দেবতার বিগ্রহ থাকতো না। অগ্নি ই দেবতা। অগ্নির দেখা শুনা করা, নিত্য ভোগ দেওয়া, সব ব্রাহ্মণ করতেন। যখন পুত্র আট বছরের হতো, পিত তাকে শিক্ষা সূত্র দিয়ে অগ্নির অধিকার প্রদান করতেন, গার্হপত্য অগ্নি।
৪. যখন পিতা নিবৃত্ত হতেন, তার নাম ছিল বানপ্রস্থ অবস্থা। তার পরের অবস্থা সন্ন্যাস। তখন শিক্ষা আর সূত্র ত্যাগ করতে হতো।
৫. অর্থ কি? জন্মে শিক্ষা সূত্র ছিল না, সন্ন্যাসে শিক্ষা সূত্র থাকবে না।
৬. শিক্ষা তাহলে কেন? শিক্ষা বংশাবলীর প্রতীক। সন্ন্যাসী (ব্রহ্মচর্য থেকে সন্ন্যাসী হোক, বা বাণপ্রস্থের পর) শিক্ষা কেটে দিয়ে বংশের সাথে সমস্ত রকমের সম্পর্ক কেটে নিতো।
৭. তাহলে শিক্ষা কেন? শিক্ষা মানুষের বংশের তপস্যার, সাধনার, ভক্তির প্রতীক।
