ঘুমঃ
❤অধ্যাত্ম জীবনের জন্য পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা ঘুমই যথেষ্ট।।স্নায়বিক ও মানসিক চাপকে সচেতনভাবে কমাতে পারলেই হল।
❤বেশি স্নায়বিক দুর্বলতা থাকলে কেউ ধ্যানে বসতে পারে না।
❤পবিত্র বা উন্নতিকারক হলেও আবেগ ও অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
❤আত্মসমর্পণের ভাব গড়ে তুলে মনকে শান্ত ও অনন্তের সুরে বেঁধে রেখে, তারই সহায়ে সব উদ্বেগ ও তীব্র স্নায়বিক ও মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলতে হবে।
এ ভাবে প্রকৃত ধ্যান শুরু হওয়ার আগেই আমরা এক ধরণের শান্তিঅনুভব করব।
❤শুতে যাবার আগে কিছু পবিত্র চিন্তায় ও শব্দে মনকে নিবিষ্ট রাখো।
❤চিন্তা কর তুমি যেন ঈশ্বরের কোলে শুতে যাচ্ছ
অথবা
আলোকবিন্দুর মতো তোমার আত্মা দিব্য আলোকের সমুদ্রে মিশে যাচ্ছে বা এমনই কোনো ভাব।
❤শুতে যাবার সময় ১০০ থেকে ১০০০ বার জপ করবে, পবিত্র শব্দে নিজেকে ভরিয়ে ফেল । সংখ্যা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত জপ যেন না থামে।
ঘুমাবার কিছু আগে জাগতিক বিষয় নিয়ে লেখা, পড়াখুবই ক্ষতিকর। এ বিষয়ে অসাবধান হয়ে আমরা নিজেদের কতখানি ক্ষতি করি তা ধারণা করতে পারি না।
❤সকালে ঘুম থেকে উঠেই ও শুতে যাবার আগে ঈশ্বর স্মরণ কঠিন হলে কাছেই তাঁর একখানি ছবি রেখে দাও।
❤আলো নিভিয়ে দেবার সময় আর সকালে ঘুম ভাঙ্গলেই ঐ ছবির দিকে তাকানো অভ্যাস করো। খুব শীঘ্রই দেখবে তাঁকে চিন্তা না করে শুতে যাওয়া বা ঘুম থেকে ওঠা, কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
❤রাত্রে যদি ঘুম ভেঙ্গে যায়, তখন ধীর শান্তভাবে জপ আরম্ভ করে দাও। *কিন্তু এই সময় জপ এর সঙ্গে ঘুমের কোনো সম্পর্ক যেন না থাকে।*
(ধ্যান ও আধ্যাত্মিক জীবন)
স্বামী যতিশ্বরানন্দ
