অহেতুকী " দেখ , হনুমানের কি ভাব ! ধন,মান,দেহসুখ কিছুই চায় না, কেবল ভগবানকে চায়!

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

|| অহেতুকী ||

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

” দেখ , হনুমানের কি ভাব ! ধন,মান,দেহসুখ কিছুই চায় না, কেবল ভগবানকে চায়!
যখন স্ফটিক-স্তম্ভ থেকে ব্রহ্মাস্ত্র নিয়ে পালাচ্ছে, তখন মন্দোদরী অনেক রকম ফল নিয়ে লোভ দেখাতে লাগল।
ভাবলে ফলের লোভে নেমে এসে অস্ত্রটা যদি ফেলে দেয়।
কিন্তু
হনুমান ভুলবার ছেলে নয়। সে বললে_____
                             ‘আমার কি ফলের অভাব।
পেয়েছি যে ফল , জীবন সফল ; মোক্ষ-ফলের বৃক্ষ রাম হৃদয়ে ||
শ্রীরাম-কল্পতরু মূলে বসে রই—-যখন যে ফল বাঞ্ছা সেই ফল প্রাপ্ত হই |
ফলের কথা কই(ধনি গো)
ও ফল গ্রাহক নই ;
যাব তোদের প্রতিফল যে দিয়ে’ ||
“কোন কামনা-বাসনা রাখতে নাই।
কামনা-বাসনা থাকলে সকাম ভক্তি বলে।
নিষ্কাম ভক্তিকে বলে অহৈতুকী ভক্তি।
তুমি ভাল বাস আর নাই বাস, তবু তোমাকে ভালবাসি, এর নাম অহেতুকী।
~~~শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত~~~

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জয় মা…. 

যিনি নিষ্কাম, তিনি সমত্ববুদ্ধিযুক্ত, তিনি পাপপুন্য উভয়ই পরিত্যাগ করেন , কর্মফল তাঁকে ভাবায় না বা বিচলিত করে না বা লালায়িত করে না।
তাঁরাই সকলকেই ভালোবাসেন অকারণ অহেতুকভাবে — তাঁরাই যথার্থ কর্মবীর,ধর্মবীর, মহাবীর এবং ঈশ্বর— তাঁদের এই নিষ্কাম ভালবাসা মানুষকে তাঁর দিকে আকর্ষিত করে এক তীব্র আকর্ষনী শক্তিতে—যেটি ঈশ্বরেরই শক্তির এক এবং অনন্ত প্রকাশ।—-
এই রকম যাঁরা নিষ্কাম ও অহৈতুক ভালবাসায় প্রসারিত হৃদয়ের অধিকারী তাঁদের সকলপ্রকার কর্মের বন্ধন ঘুচে যায় এবং, তাঁরা ই অনিমেষ পদ লাভ করেন এবং এইরূপ মানুষ ই ভগবানের অতীব প্রিয় হন।
এইভাবে যিনি নিষ্কাম হয়ে শুধুমাত্র ভগবানের জন্য দাসবৎ কর্ম করতে পারেন তিনিই জানেন “যোগ কর্মসু কৌশলম্”।
আর যারা সকাম, যাঁরা নিজ প্রয়োজন সিদ্ধির জন্য কর্ম করে— তাদের আধার অশুদ্ধ, তারা হল “কলাইয়ের ডালের খদ্দের । কামিনী-কাঞ্চন ছাড়তে চায় না, মেয়েমানুষের রূপ দেখে ভুলে যায়, টাকা-ঐশ্বর্য দেখলে ভুলে যায়।”(ঠাকুর)—, এরাই অশুদ্ধ, অপবিত্র কারণ এদের মন নানা দিকে ধাবিত হয় , বিক্ষিপ্ত এবং চঞ্চল।
কিন্তু যাঁরা একনিষ্ঠ এবং নিষ্কাম , তাঁদের কাছে “ব্রহ্মপদ ও তুচ্ছ হয়ে যায়, ঈশ্বরের রূপ দর্শন করে।”
—– ঠাকুর, মা আমাদের মন নিষ্কাম করে দাও—-তোমাদের অভয় পাদপদ্মে মতি স্থির করে দাও— “শুদ্ধা-ভক্তি” দাও।
♥জয় মা।জয় ঠাকুর।জয় স্বামীজী।♥

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started