“আমি কোনসময়ে ঠাকুরের ঝাড়ুদার কিম্বা কিছু ছিলাম, তারই ফলে আপনাদের সেবা করার অধিকার পেয়েছি!”

একদিন হরি মহারাজ, কেন দ্রুত উন্নতি হয় না, তার কারণ নির্দেশ করতে গিয়ে আমাদের বলেছিলেন-

‘রসবোধ জন্মালেই উন্নতির জন্য আর চিহ্নিত হবার কারণ থাকে না। যতদিন কাজে রসবোধ না জন্মে, ততদিনই ব্যাগার ঠেলার মতো সব করতে হয়। যার কাজে রসবোধ জন্মেনি, তাকে বারবার অভ্যাস করতে হয়, কালে রসবোধ জন্মে। কি কুস্তিগিরি, কি রোগীর সেবা, কি ব্রহ্মচর্য- যতদিন রসবোধ না জন্মে ততদিনই drudgery (ব্যাগার ঠেলা ভাব)!’ এই প্রসঙ্গে নিম্নলিখিত স্লোকটি বলতেন –

স্যাৎ কৃষ্ণনাম চরিতাদি সিতাপবিদ্যা,
পিত্তোপদুষ্ট রসনস্য ন রোচকায়।
কিন্‌ত্ত্বাদরাৎ অনুদিনং সেবয়ৈব
স্বাদ্বীপুনভর্বতি তদ্‌গদ্মূলহন্ত্রী।।
  কোনরকমে ভগবানের সাথে যুক্ত হতে হয়। কালে তাঁকে পাওয়া যায়। সকাম হয়েও তাঁকে স্মরণ করতে করতে নিষ্কাম হওয়া যায়-উদাহরণ ধ্রুব ।
আলমোড়ার এক সাধু আমাদের বলতেন, “আমি কোনসময়ে ঠাকুরের ঝাড়ুদার কিম্বা কিছু ছিলাম, তারই ফলে আপনাদের সেবা করার অধিকার পেয়েছি!” ভগবানের জন্য কোন কিছু করার অভ্যাস আবশ্যক। একজনের রোগী শুশ্রূষার কথা জানি। সে বলেছিল, “ বাহ্যেমাখা শরীর পরিষ্কার করতে করতে এমন এক আনন্দের স্রোত বয়ে যেত তার আর কি বলব!” রোগী-শুশ্রূষার রসবোধ এই প্রকারের। – ইডা আন্‌সেল (জীবন্মুক্তি সুখপ্রাপ্তি)

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started