সৎ চিন্তা ও সৎ কার্য সাধুর সনাতন স্বভাব-এই ভাবটি বুঝাবার জন্য হরি মহারাজ এই গল্পটি প্রায়ই বলতেনঃ এক সাধু কোন নদিতে স্নান করছিলেন।
এমন সময় একটি বৃশ্চিক নদীর জলে ভেসে যাচ্ছিল। সাধু বৃশ্চিকটিকে জলমগ্ন দেখে সদয় হয়ে তাকে নদীতীরে তুলে রাখলেন। তুলবার সময় বৃশ্চিকটি সাধুর হাতে দংশন করল, কিছুক্ষণ পরে বৃশ্চিকটি তরঙ্গাঘাতে পুনরায় জলে পড়ে গেল। সাধু আবার তাকে তীরে নিক্ষেপ করলেন। এবারও বৃশ্চিক তাঁর অঙ্গুলিতে দংশন করল। সাধু তিনবার বৃষচিকের প্রাণরক্ষা করলেন, আর তিনবারই তিনি দষ্ট হলেন। পার্শ্ববর্তী কোন ব্যক্তি সাধুকে জিজ্ঞাসা করল, “আপনি বারবার বৃশ্চিক-দংশনে জর্জরিত হয়েও উহার প্রাণরক্ষা করা আমার ধর্ম। দংশন করা বৃশ্চিকের স্বভাব। সাধু দুর্বাক্য শুনে বা দুর্ব্যবহার পেয়েও স্বীয় স্বভাব হতে কদাপি বিচ্যুত হবেন না!” সাধুর সৎস্বভাবের প্রশংসা করবার জন্য হরি মহারাজ এই গল্পটি বলতে ভালবাসতেন। – স্বামী জগদীশ্বরানন্দ
এমন সময় একটি বৃশ্চিক নদীর জলে ভেসে যাচ্ছিল। সাধু বৃশ্চিকটিকে জলমগ্ন দেখে সদয় হয়ে তাকে নদীতীরে তুলে রাখলেন। তুলবার সময় বৃশ্চিকটি সাধুর হাতে দংশন করল, কিছুক্ষণ পরে বৃশ্চিকটি তরঙ্গাঘাতে পুনরায় জলে পড়ে গেল। সাধু আবার তাকে তীরে নিক্ষেপ করলেন। এবারও বৃশ্চিক তাঁর অঙ্গুলিতে দংশন করল। সাধু তিনবার বৃষচিকের প্রাণরক্ষা করলেন, আর তিনবারই তিনি দষ্ট হলেন। পার্শ্ববর্তী কোন ব্যক্তি সাধুকে জিজ্ঞাসা করল, “আপনি বারবার বৃশ্চিক-দংশনে জর্জরিত হয়েও উহার প্রাণরক্ষা করা আমার ধর্ম। দংশন করা বৃশ্চিকের স্বভাব। সাধু দুর্বাক্য শুনে বা দুর্ব্যবহার পেয়েও স্বীয় স্বভাব হতে কদাপি বিচ্যুত হবেন না!” সাধুর সৎস্বভাবের প্রশংসা করবার জন্য হরি মহারাজ এই গল্পটি বলতে ভালবাসতেন। – স্বামী জগদীশ্বরানন্দ