//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
*- : শ্রী শ্রী মায়ের জীবনকথা : -*
*”ওঁ যথাগ্নের্দাহিকা শক্তিঃ রামকৃষ্ণে স্থিতা হি যা।*
শ্রীমায়ের একদিনের একটি সারগর্ভ কথা হইতে মনে হয় যে, শ্রীশ্রীঠাকুরের নানাভাবে লীলা, সাধনভজন এবং সাধনান্তে যুগধর্ম প্রবর্তন, এই তিনের মধ্যে ভক্তের নিকট প্রথমটিই মৌলিক বস্তু এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির পক্ষে অধিক অনুধাবনযোগ্য। লীলার পর সাধন এবং তাহারও পরে যুগপ্রবর্তনের কার্যধারা অনুধ্যেয়। তিনি স্বামী কেশবানন্দকে বলিয়াছিলেন,
- *”দেখ, বাবা, তিনি যে সমন্বয়ভাব প্রচার করবার মতলবে সব ধর্মমত সাধন করেছিলেন, তা কিন্তু আমার মনে হয়নি। তিনি ভগবদ্ভাবেই বিভোর থাক তেন।*
- *খ্রিষ্টানরা, মুসলমানরা, বৈষ্ণবরা যে যে-ভাবে তাঁকে ভজনা করে বস্তুলাভ করে, সেই সেই ভাবে সাধন করে নানা লীলা আস্বাদন করতেন ও দিনরাত কোথা দিয়ে কেটে যেত, কোন হুঁশ থাকত না।*
- *তবে কি জান, বাবা, এই যুগে তাঁর ত্যাগই হলো বিশেষত্ব। ও রকম স্বাভাবিক ত্যাগ কি আর কখনও কেউ দেখেছে?*
- *সর্বধর্মসমন্বয়ভাবটি যা বললে, ওটিও ঠিক। অন্যান্যবারে একটা ভাবকেই বড় করায় অন্য সব ভাব ধামা চাপা পড়েছিল।”
- * অর্থাৎ অনুভূতির দৃষ্টি আগে, প্রয়োগ বা কার্যের দৃষ্টি পরে। আর একদিন আর একজনকে তিনি বলিয়াছিলেন,
- *”মানুষ তো ভগবানকে ভুলেই আছে। তাই যখন যখন দরকার, তিনি নিজে এক একবার এসে সাধন করে পথ দেখিয়ে দেন। এবার দেখালেন ত্যাগ।”
- * বস্তুত ত্যাগে প্রতিষ্ঠিত না হইলে জনসেবাও ঠিক ঠিক হয় না, ভগবানলাভ তো সুদূর পরাহত।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
*”জননীং সারদাং দেবীং রামকৃষ্ণং জগদ্গুরুম্।*
*পাদপদ্মে তয়ো শ্রিত্বা প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ।।”*
*পাদপদ্মে তয়ো শ্রিত্বা প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ।।”*
