হে ঠাকুর, আমি ভক্তিহীন। হে দেব, সদা আমার প্রতি কৃপাদৃষ্টি দান করো।——-

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

জ্ঞানাঞ্জন বিমল-নয়ন বীক্ষণে মোহ যায়
জ্ঞানাঞ্জন বিমল-নয়ন বীক্ষণে মোহ যায়

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});


♥♠♥ জ্ঞানাঞ্জন বিমল-নয়ন বীক্ষণে মোহ যায়।♥♠♥~~~~~~    

—- প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন— ঠাকুরের চোখ-দুটি ছিল টানা, খুব উজ্জ্বল ও অন্তর্ভেদী, প্রেম ও করুণায় ভরা।সাধনকালে তিনি এমন অনুরাগের সঙ্গে মায়ের দর্শনের জন্য কাঁদতেন, যে, তাঁর অশ্রুতে পঞ্চবটীর মাটি ভিজে যেত।পরবর্তীকালে কেউ ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করে,” কি করলে ভগবান দর্শন হয়?” ঠাকুর উত্তর দেন,” রোজ একবার করে কাঁদতে পার?” আমাদের ভিতরটা এত শুকনো যে, এ পোড়া চোখে জলও আসে না। একমাত্র ঠাকুরের কৃপাদৃষ্টিতেই আমাদের মায়ামোহ কাটতে পারে। আমরা যখন ঠাকুরের জ্ঞানঘন চোখদুটির দিকে তাকাই, তখন আমাদের ভিতরের পবিত্রতা স্ফুরিত হয়, সব অশুচিতা লজ্জায় লুকিয়ে পড়ে। তাই প্রার্থনা করি ঃ ” হে রামকৃষ্ণ ত্বয়ি ভক্তিহীনে/কৃপাকটাক্ষং কুরু দেব নিত্যম।”—- হে ঠাকুর, আমি ভক্তিহীন। হে দেব, সদা আমার প্রতি কৃপাদৃষ্টি দান করো।——-         

—-দক্ষিনভারতের এক সাধক কবি শ্রীরামকৃষ্ণের মধুর মুরতি ধ্যানযোগে বর্ণনা করেছেন ‘ শ্রীরামকৃষ্ণকর্ণামৃতম্’ গ্রন্থে ঃ “হে রামকৃষ্ণ মধুরং তব সচ্চরিত্রং / তৎ পুণ্যনাম মধুরং মধুরং ত্বদঙ্গম্।/ সম্ভাষনং চ মধুরং মধুরং চ গানং/ তৎ কিং নু যন্ন মধুরং ভবতি ত্বদীয়ম্।।
——- হে রামকৃষ্ণ,  তোমার চরিতকথা মধুর।তোমার পুণ্য নাম, অঙ্গ, কথা মধুময়। তোমার ভিতর এমন কিছু আছে কি যা মধুময় নয়?♥♠♥~~(স্বামী চেতনানন্দ)

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started