Pundit shibnath Shastri ,Rabithakura ETC JOSK II *কিছু খ্যাতনামা বাঙালীর, কিছু বিখ্যাত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া*

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

*কিছু খ্যাতনামা বাঙালীর, কিছু বিখ্যাত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া* 

                     ——————————————————

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

কিছু খ্যাতনামা বাঙালীর, কিছু বিখ্যাত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া*

কিছু খ্যাতনামা বাঙালীর, কিছু বিখ্যাত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া* 


*পন্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রী*–

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

পন্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রী ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। স্কুলে ড্রাম ভর্তি রসগোল্লা এসেছে। কখন শাস্ত্রী সাহেব বললেন, *”এই ড্রামের সব রসগোল্লা তোমাদের মধ্যে কে সাবাড় করতে পারবে?”* তখন সবাই একে অপরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করতে লাগলো। হঠাৎ একজন শিক্ষার্থী চিৎকার করে বলল, *” স্যার, আমি পারব।” পরমুহূর্তেই চাপাস্বরে বলল, “তবে একদিনে নয়।”* সেদিনের সেই ছাত্রটির নাম ছড়াকার *সুকুমার রায়।*

*প্যারীচাঁদ মিত্র*–

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

“টেকচাঁদ ঠাকুর” ছদ্মনামে পরিচিত প্যারীচাঁদ মিত্র, বিখ্যাত ধনী *দেবনারায়ণ দে’র* মেয়ের বিয়েতে গেছেন। দেনা-পাওনার কথাবার্তা চলছে। প্যারীচাঁদ বাবু পাত্র পক্ষের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য বারবার দেবনারায়ণ দে কে অনুরোধ করতে লাগলেন। এমন অনুরোধ শুনে দেব বাবু বললেন, “আপনি তো বেশ লোক মশাই, আমাকেই শুধু দিয়ে যেতে বলছেন?” প্যারীচাঁদ তখন কৌতুক করে বললেন, *” আপনি দেবেন না তো কে দেবে? আপনার আগে ‘দে’ পরেও ‘দে’।* সুতরাং আপনাকেই দিতে হবে”।

*রবিঠাকুর*–

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

শান্তিনিকেতনে রবিঠাকুর ছাত্র পড়াচ্ছেন। ক্লাসের বাইরে একটা *ছাত্র হাতে ‘নিমের ডাল’ নিয়ে* আপন মনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তখন *কবি তাকে ‘নিমাই’ সম্বোধনে ডাকলেন।* এই কথা ক্লাসের উপস্থিত ছাত্ররা শুনলো। একজন শিক্ষার্থী উঠে দাঁড়িয়ে বলল, *” গুরুদেব, কাল থেকে আমি যদি ‘জাম গাছের’ ডাল নিয়ে ক্লাসের বাইরে ঘুরে বেড়াই আমাকে কি বলে ডাকবেন?”* তখন রবীঠাকুর তাকে বললেন, *”তখন তোমাকে আর ডাকা চলবে না বাপু”।* সেদিনের সেই প্রত্যুৎপন্নমতি *ছাত্রটিই প্রমথনাথ বিশী*।

*এ.কে. ফজলুল হক*–

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হকের কাছে কেউ যদি তদবিরের জন্য আসতেন তাহলে সফল হতেন। তিনি তদবিরওয়ালার সামনেই ফোনে বলে দিতেন। *একদিন তিনি এক তদবিরওয়ালাকে সামনে রেখেই ফোনে বলে দিলেন।* ঠিক সে সময়ে আরেকজন ব্যক্তি ঘরে ঢুকল। তখন হক সাহেব ফোন রেখে তার কাছে জানতে চাইলেন *তার সমস্যা কি। তখন ঐ লোকটা বলল,” স্যার, আমি টেলিফোনের লোক। আপনার লাইনটা গতকাল থেকে কাটা। ঠিক করতে এসেছি।”*

*বিদ্যাসাগর*–

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন দারুণ অর্থকষ্টে ভুগছিলেন তখন বিদ্যাসাগর সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। *একদিন এক মাতাল বিদ্যাসাগরের কাছে এসে সাহায্য প্রার্থনা করলেন।* বিদ্যাসাগরের সাফ সাফ জওয়াব তিনি কোন মাতালকে সাহায্য করবে রাজি নন। তখন ঐ মাতাল জানালো যে বিদ্যাসাগর তো মধুসূদনকে সাহায্য করে! কিন্তু মধুসূদনও তো মদ খায়। তখন *বিদ্যাসাগরের জবাব ছিল এমন, ”তুমি ওর মতো ‘মেঘনাদবধ’ কাব্য লিখে আনো। তোমাকেও সাহায্য করব।”*

*স্বামী বিবেকানন্দ*–

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

গোরক্ষিণী সভার সভাপতি গিরধারী লালের সাথে একবার স্বামী বিবেকানন্দের দেখা হলে স্বামীজী কৌতুহলী হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করেন,” আপনাদের সভার উদ্দেশ্য কী?” তিনি জানালেন গো- মাতাদের রক্ষা করাই তাদের ধর্ম। তখন স্বামীজি বললেন, *” আর মানুষ অনাহারে মরে গেলে তার মুখে অন্ন তুলে দেওয়া বুঝি আপনাদের ধর্ম নয়?”।* তখন সভাপতি গিরধারী বললেন, *”কিন্তু শাস্ত্রে আছে গাভী তো আমাদের মাতা।”* তখন বিবেকানন্দ ধমকের সুরে বললেন, *”গাভী যে আপনাদের মাতা তা বেশ বুঝতে পারছি। তা না হলে এমন সব ছেলে জন্মাবে কেন?”*

*বঙ্কিমচন্দ্র*–

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের চাকরির জন্য *বঙ্কিমচন্দ্রকে ভাইভা* দিতে হল। তাকেও যথারীতি বাংলার উপরে পরীক্ষা দিতে হল তবে সেখানে *পরীক্ষক একজন জাত ইংরেজ*। প্রথমেই তিনি বঙ্কিমকে প্রশ্ন করলেন, *“ওয়েল! বলতে পারো, হোয়াট দ্য ডিফারেন্স বিটুইন বিপড অ্যান্ড আপড?”* বঙ্কিম বাবু হেসে বলেছিলেন,” অবশ্যই, একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলছি। *পদ্মায় একবার স্টিমারে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ শুরু হল ঝড়। সেটা হল বিপদ।* আর এই যে আজ আমাকে *একজন বাঙালি হয়ে তোমার মত ইংরেজের কাছে বাংলা ভাষার পরীক্ষা দিতে হচ্ছে- এটা আপদ।”*

*শরৎচন্দ্র*–

শরৎবাবুর কাছে দুজন ব্যক্তি এসেছেন। তারা শরৎচন্দ্রের লেখার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আর রবীন্দ্রনাথের লেখার সমালোচনা করলেন কারণ তা নাকি দুর্বোধ্য। তখন শরৎ বাবু বললেন, *“আমি লিখি আপনাদের জন্য। আর রবিবাবু লেখেন আমাদের জন্য।”*

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

*রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব*–

রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কাছে ধর্মসভায় হেরে গিয়ে এক সাধু রাগ করে বললেন, *” আমি ত্রিশ বছর সাধনা করে এখন হেঁটে নদী পার হতে পারি। আপনি কী পারেন?”* তখন রামকৃষ্ণ একটু হেসে বললেন, *” যেখানে এক পয়সা দিলেই মাঝি আমাকে নদী পার করে দেয় সেখানে এর জন্য ত্রিশ বছর নষ্ট করার পক্ষপাতী আমি নই।”*

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started