‘স্বামীজীর চেতনা জীবনবেদের পথপ্রদর্শক’
==============================
যে কোন কালেই এবং একালেও আছে মানুষের অতীতের অপূর্ণ আশা, পাওয়া ও হারানো। আর আছে তার আজকের আকাঙ্ক্ষা। আমাদের দেশকালের সীমায় আমরা এই হিসাবে কি পাই, দেখা যাক। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে হবে স্বামী বিবেকানন্দ কি দিয়েছেন বা কি দিতে পারেন।
অতীতের অনেক আশাই পূর্ণ হয়েছে। তবু একটি যেন চিরকালের অপূর্ণতা আজও মানুষের মনকে নাড়া দেয়। সে তার জীবন, সুখ ও আনন্দের চাহিদা।
যে বাণী আজকের বাস্তব জীবনের উপযোগী, আজকের প্রয়োজন যা মেটাতে পারে—আজকের কালে বর্তমান না থেকে স্বামীজীর পক্ষে তা-ও দিতে পারা সম্ভব হয়েছিল দুটো কারণে—প্রথমত, ইতিহাস শুধু অতীতের অনুলিপি নয়, অনাগতের আভাসও তার মুকুরে প্রতিবিম্বিত হয়। স্বামীজী তাঁর ইতিহাসচেতনার ফলে যে দূরদৃষ্টি বা ভবিষ্যৎজ্ঞানের অধিকারী ছিলেন, তাতে শুধু বর্তমানে দাঁড়িয়েই কর্তব্য নির্ণয় করেননি। আগামী দিনের রূপও সে চেতনায় প্রত্যক্ষ করে সেদিনের কর্তব্যও নিঃসংশয়ে নির্দেশ করেছেন। দ্বিতীয়ত, স্বামীজীর সময়ে যা তৎকালবর্তী বাস্তব ছিল, তার অনেক কিছুই আজকের কালেও বর্তমান। কাজেই যুক্তি দিয়ে বোঝা যায়, স্বামীজীর কাছে আজকের পরিপ্রেক্ষিতেও পাবার মতো কিছু থাকা সম্ভব।
চিরকালের মানুষের বিকাশের জন্য কতকগুলো চিরকালের তত্ত্ব আছে। বিবেকানন্দ আজকের জন্য আবার তাদের সংগ্রহ করেছেন। স্বামীজীর চিন্তায় কিছু তত্ত্ব আছে যা শুধু একালেই নয়—ভবিষ্যত কালেও অচল হয়ে যাবে না। আজকের পরিপ্রেক্ষিতে স্বামীজীর মূল্য সেইজন্যই সবচেয়ে বেশী।
♣♣♣♦♦♣♣♣
==============================
যে কোন কালেই এবং একালেও আছে মানুষের অতীতের অপূর্ণ আশা, পাওয়া ও হারানো। আর আছে তার আজকের আকাঙ্ক্ষা। আমাদের দেশকালের সীমায় আমরা এই হিসাবে কি পাই, দেখা যাক। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে হবে স্বামী বিবেকানন্দ কি দিয়েছেন বা কি দিতে পারেন।
অতীতের অনেক আশাই পূর্ণ হয়েছে। তবু একটি যেন চিরকালের অপূর্ণতা আজও মানুষের মনকে নাড়া দেয়। সে তার জীবন, সুখ ও আনন্দের চাহিদা।
যে বাণী আজকের বাস্তব জীবনের উপযোগী, আজকের প্রয়োজন যা মেটাতে পারে—আজকের কালে বর্তমান না থেকে স্বামীজীর পক্ষে তা-ও দিতে পারা সম্ভব হয়েছিল দুটো কারণে—প্রথমত, ইতিহাস শুধু অতীতের অনুলিপি নয়, অনাগতের আভাসও তার মুকুরে প্রতিবিম্বিত হয়। স্বামীজী তাঁর ইতিহাসচেতনার ফলে যে দূরদৃষ্টি বা ভবিষ্যৎজ্ঞানের অধিকারী ছিলেন, তাতে শুধু বর্তমানে দাঁড়িয়েই কর্তব্য নির্ণয় করেননি। আগামী দিনের রূপও সে চেতনায় প্রত্যক্ষ করে সেদিনের কর্তব্যও নিঃসংশয়ে নির্দেশ করেছেন। দ্বিতীয়ত, স্বামীজীর সময়ে যা তৎকালবর্তী বাস্তব ছিল, তার অনেক কিছুই আজকের কালেও বর্তমান। কাজেই যুক্তি দিয়ে বোঝা যায়, স্বামীজীর কাছে আজকের পরিপ্রেক্ষিতেও পাবার মতো কিছু থাকা সম্ভব।
চিরকালের মানুষের বিকাশের জন্য কতকগুলো চিরকালের তত্ত্ব আছে। বিবেকানন্দ আজকের জন্য আবার তাদের সংগ্রহ করেছেন। স্বামীজীর চিন্তায় কিছু তত্ত্ব আছে যা শুধু একালেই নয়—ভবিষ্যত কালেও অচল হয়ে যাবে না। আজকের পরিপ্রেক্ষিতে স্বামীজীর মূল্য সেইজন্যই সবচেয়ে বেশী।
♣♣♣♦♦♣♣♣