তাঁর ঐশ্বরিক করুণা অপূর্ব – তুলনাহীন এবং আমাদের ক্ষুদ্রবুদ্ধির অগম্য।

মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের কয়েক বছর পর একদিন মনে মনে ভাবলাম, আমি যদি দেড় টাকা পাঠিয়ে রাসবিহারী মহারাজকে অনুরোধ করি এক টাকার মিছরি কিনে শ্রীশ্রীমাকে দিয়ে ঠাকুরকে নিবেদন করিয়ে তার অল্প কিছু আমাকে পাঠিয়ে দিতে, তাহলে খুব ভাল হয়। কিন্তু আমি যখন বেতন পেতাম, তখন একথা একেবারে ভুলে যেতাম এবং বেতনের সব টাকাও তাড়াতাড়ি খরচ হয়ে যেত। এইভাবে ছয়মাস কেটে গেল, আমার ইচ্ছা পূর্ণ আর হলো না।
এক বিশেষ পূণ্যদিনে পূজা শেষ করে উঠে আমি দুটি চিঠি পেলাম। হাতের লেখা দেখে বুঝতে পারলাম, চিঠিগুলি স্বামী বিশুদ্ধানন্দজীর পাঠানো। একটি চিঠি পড়লাম। অপরটি খুলে দেখি, তারমধ্যে একটি প্যাকেট। প্যাকেটটির মোড়কের ওপর লেখা – “শ্রীশ্রীমায়ের প্রসাদ”। প্যাকেটের ভিতরে কতকগুলি মিছরি ছিল। আমার বিস্ময় আর আনন্দের সীমা রইল না। এই ঘটনাটি নিশ্চিতভাবেই শ্রীশ্রীমায়ের অন্তর্দৃষ্টি ও অন্তর্যামিত্বের পরিচায়ক, যে দৃষ্টি এবং শক্তি ভক্তের একান্ত আকাঙ্ক্ষা জানতে পেরে তা পূর্ণ করে। তাঁর ঐশ্বরিক করুণা অপূর্ব – তুলনাহীন এবং আমাদের ক্ষুদ্রবুদ্ধির অগম্য।
লাবণ্য কুমার চক্তবর্তী

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started