• • • •[কর্মজীবনে বেদান্ত]• • • •
কাহারও নিন্দা করিও না, সাহায্য করিতে পারো তো কর; যদি না পারো হাত গুটাইয়া লও, সকলকে আশীর্বাদ কর, সকলকে নিজ নিজ পথে চলিতে দাও।গাল দিলে, নিন্দা করিলে কোন উন্নতি হয় না।এভাবে কখনও কাহারও উন্নতি হয় না। অন্যের নিন্দা করিলে কেবল বৃথা শক্তিক্ষয় হয়।সমালোচনা ও নিন্দা দ্বারা বৃথা শক্তিক্ষয় হয় মাত্র, আর শেষে আমরা দেখিতে পাই, অন্যে যে দিকে চলিতেছে আমরাও ঠিক সেই দিকেই চলিতেছি; আমাদের অধিকাংশ মতভেদ ভাষার বিভিন্নতামাত্র। এমন কি, পাপের কথা ধর। বেদান্তের ধারণা এবং ‘মানুষ পাপী ইত্যাদি’ ধারণা—এই দুইটি ভাবই কার্যতঃ এক, তবে একটি ভুল দিকে চলিয়াছে।
প্রচলিত মত নেতিভাবাপন্ন, বেদান্ত ইতিভাবাপন্ন। একমত মানুষকে তাহার দুর্বলতা দেখাইয়া দেয়, অপরে বলে—দুর্বলতা থাকিতে পারে, কিন্তু সে দিকে লক্ষ্য করিও না; আমাদিগকে উন্নতি করিতে হইবে। মানুষযখন প্রথম জন্মিয়াছে, তখনই তাহার রোগ কি জানা গিয়াছে।
সকলেই জানে নিজের কি রোগ; অপর কাহাকেও তাহা বলিয়া দিতে হয় না। আমরা বহির্জগতের সমক্ষে কপট আচরণ করিতে পারি, কিন্তু অন্তরের অন্তরে আমরা আমাদের দুর্বলতা জানি।
কিন্তু বেদান্ত বলেন, কেবল দুর্বলতা স্মরণ করাইয়া দিলেই বেশী উপকার হইবে না, তাহাকে ঔষধ দাও, মানুষকে কেবল সর্বদা রোগগ্রস্ত ভাবিতে বলা রোগের ঔষধ নয়—রোগ প্রতিকারে উপায় নয়।
মানুষকে সর্বদা তাহার দুর্বলতার বিষয় ভাবিতে বলা তাহার দুর্বলতার প্রতীকার নয়—তাহার শক্তির কথা স্মরণ করাইয়া দেওয়াই প্রতিকারের উপায়।
তাহার মধ্যে যে–শক্তি পূর্ব হইতেই বিরাজিত, তাহার বিষয় স্মরণ করাইয়া দাও। মানুষকে পাপী না বলিয়া বেদান্ত বরং ঠিক বিপরীত পথ দেখাইয়া বলেনঃ তুমি পূর্ণ ও শুদ্ধস্বরূপ, তুমি যাহাকে পাপ বলো, তাহা তোমাতে নাই।
পাপগুলি তোমার খুব নিম্নতম প্রকাশ; যদি পারো, উচ্চতরভাবে নিজেকে প্রকাশিত কর। একটি জিনিস আমাদের মনে রাখা উচিত—তাহা এই যে, আমরা সবই পারি। কখনও ‘না’ বলিও না, কখনও ‘পারি না’ বলিও না।
ওরূপ কখনও হইতেই পারে না, কারণ তুমি অনন্তস্বরূপ।
প্রচলিত মত নেতিভাবাপন্ন, বেদান্ত ইতিভাবাপন্ন। একমত মানুষকে তাহার দুর্বলতা দেখাইয়া দেয়, অপরে বলে—দুর্বলতা থাকিতে পারে, কিন্তু সে দিকে লক্ষ্য করিও না; আমাদিগকে উন্নতি করিতে হইবে। মানুষযখন প্রথম জন্মিয়াছে, তখনই তাহার রোগ কি জানা গিয়াছে।
সকলেই জানে নিজের কি রোগ; অপর কাহাকেও তাহা বলিয়া দিতে হয় না। আমরা বহির্জগতের সমক্ষে কপট আচরণ করিতে পারি, কিন্তু অন্তরের অন্তরে আমরা আমাদের দুর্বলতা জানি।
কিন্তু বেদান্ত বলেন, কেবল দুর্বলতা স্মরণ করাইয়া দিলেই বেশী উপকার হইবে না, তাহাকে ঔষধ দাও, মানুষকে কেবল সর্বদা রোগগ্রস্ত ভাবিতে বলা রোগের ঔষধ নয়—রোগ প্রতিকারে উপায় নয়।
মানুষকে সর্বদা তাহার দুর্বলতার বিষয় ভাবিতে বলা তাহার দুর্বলতার প্রতীকার নয়—তাহার শক্তির কথা স্মরণ করাইয়া দেওয়াই প্রতিকারের উপায়।
তাহার মধ্যে যে–শক্তি পূর্ব হইতেই বিরাজিত, তাহার বিষয় স্মরণ করাইয়া দাও। মানুষকে পাপী না বলিয়া বেদান্ত বরং ঠিক বিপরীত পথ দেখাইয়া বলেনঃ তুমি পূর্ণ ও শুদ্ধস্বরূপ, তুমি যাহাকে পাপ বলো, তাহা তোমাতে নাই।
পাপগুলি তোমার খুব নিম্নতম প্রকাশ; যদি পারো, উচ্চতরভাবে নিজেকে প্রকাশিত কর। একটি জিনিস আমাদের মনে রাখা উচিত—তাহা এই যে, আমরা সবই পারি। কখনও ‘না’ বলিও না, কখনও ‘পারি না’ বলিও না।
ওরূপ কখনও হইতেই পারে না, কারণ তুমি অনন্তস্বরূপ।
@page { margin: 2cm } h3.cjk { font-family: “WenQuanYi Micro Hei” } h3.ctl { font-family: “Lohit Devanagari” } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }