পুরীতে ভক্ত অটলবাবুর বাড়িতে দুর্গা পূজা।
অষ্টমীর দিন কালীকীর্তন হচ্ছে। শ্রীশ্রীরাজা মহারাজ বসে। খুব জমেছে। পাশের ঘরে পর্দার আড়ালে বসে মেয়েরা। হঠাৎ বাড়ির ভিতর থেকে চিত্কার, অটলবাবু ভিতরে গেলেন। ফিরে এসে মহারাজকে বললেন, “এ কিরকম হলো? _একটা লাল কস্তা পেড়ে কাপড় পরা সর্বালংকারভূষিতা একটা মেয়ে ঝমঝম করতে করতে পাশের সিঁড়ি দিয়ে ছাদে উঠে গেল।_ দেখতে পেয়ে এক মহিলা তাকে ডাকাত মনে করে উপরে গিয়ে দেখে কেউ কোথাও নেই! তখন সে ভূতের ভয়ে চিত্কার করে।” তখন মহারাজ হেসে হেসে বললেন, *“ওরকম হয়। কি জানেন – আজ মহাষ্টমী। সাধুরা সব মনপ্রাণ দিয়ে মায়ের কীর্তন করছে। মা নিজে শুনতে এসেছেন।”*
কাশীতে দেখলুম মহারাজের কী গুরুভাবের বিকাশ! সাধুদের মনোমালিন্যের কালে তিনি সকলের কথাই শুনলেন, কিন্তু নিজের মতামত কিছুই বললেন না। বুঝলেন গোলটি কোথায় এবং সেটা কেমন করে সরিয়ে দিলেন। শরৎ মহারাজ পর্যন্ত শিষ্যের ন্যায় মহারাজকে প্রশ্ন করছেন। _মহারাজের সে চাউনি দেখে বুকে যেন একটা ধাক্কা লাগলো। এতpenetrating! স্বমীজীর চোখেও আমি ওই চাউনি দেখেছি।_
মহারাজের ডায়াবেটিস। ডাক্তার মিষ্টি খেতে বারণ করেছেন। একজন ভক্ত বলল, মহারাজ শুনছি diabetes-এর জন্য আপনার মিষ্টি খাওয়া বারণ? মহারাজ বললেন,
*“শুধু তাই নাকি? মিষ্টি কথা পর্যন্ত বলা বারণ।”*
*“শুধু তাই নাকি? মিষ্টি কথা পর্যন্ত বলা বারণ।”*
মহারাজের দেহত্যাগের সময় কাছে দাঁড়িয়ে আছি। মহারাজ জিজ্ঞাসা করলেন, কে? আমি বললাম, আমি নীরদ। তিনি আয় বাবা বলে তাঁর বুকের ওপর আমার মাথা রেখে পিঠে হাত বুলাতে লাগলেন আর বললেন,
*“ভয় কি বাবা! (হাতের মুঠো দেখিয়ে) আমি তোকে এমনি করে ধরে আছি।”*
*“ভয় কি বাবা! (হাতের মুঠো দেখিয়ে) আমি তোকে এমনি করে ধরে আছি।”*