“ভাই ক্ষমা করো।”_ মহারাজের চেয়ে বাবুরাম মহারাজ বয়োজ্যেষ্ঠ ছিলেন, কিন্তু মহারাজের কাছে এইরকম নত হয়ে থাকতেন।

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

একদিন বাবুরাম মহারাজ মঠের বাগানের সবজি থেকে কোনো  ভক্তকে দুএকটা লাউ দিয়েছেন।বাগানের কাজ বাবুরাম মহারাজই করেনতিনি দুএকটা লাউ কাউকে দিতেই পারেন কিন্তু রাজা মহারাজ শুনেই তাঁর সঙ্গে কথা বন্ধ করে দিলেন বাবুরাম মহারাজ প্রথমে বুঝতে পারছেন না কি ব্যাপারতারপর মহারাজের কাছে গিয়ে বললেন, _“বলোকি তোমার মনের ভাব।”

বাবুরাম মহারাজ বুঝলেন ভক্তকে লাউ দেওয়া তাঁর অন্যায় হয়েছে।তখন মহারাজের সামনে দণ্ডবৎ হয়ে প্রণাম করে বললেন, _মহারাজের চেয়ে বাবুরাম মহারাজ বয়োজ্যেষ্ঠ ছিলেনকিন্তু মহারাজের কাছে এইরকম নত হয়ে থাকতেন। মহারাজের ভাব হচ্ছেমঠের সম্পত্তি ঠাকুরের সম্পত্তি। সেই সম্পত্তির ওপর কারও অধিকার নেইএমনকি স্বামী প্রেমানন্দেরও নয় মহারাজ নিজেও এদিকে কর্তৃত্ব করতেন না মহারাজ অনেক সময় কলকাতায়  বলরাম মন্দিরে থাকতেন মঠে তখন খুব ম্যালেরিয়া হত বালকস্বভাব মহারাজ ম্যালেরিয়ার ভয়ে মঠে আসতেন না। একবার তিনি খুব ম্যালেরিয়ায় ভুগেছিলেনসেই থেকে ছেলেমানুষের মতো ভয় হয়েছিল ম্যালেরিয়া হয়েছিল বলে তিনি গঙ্গাস্নানেও যেতেন না। তাঁকে বুঝিয়েসুঝিয়ে গঙ্গাস্নানে নিয়ে যাওয়া হত।মহারাজের যাঁরা সাক্ষাৎ শিষ্যএকসময় তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বিভ্রান্ত হয়ে মনেকরতেন যে তাঁরা একটু উচ্চতর থাকের।স্বামীজী বাবুরাম মহারাজকে বলেছিলেন, *“বাবুরামদা তুমি চেলা করো নাতাহলে রাজার চেলা আর তোমার চেলায় লাঠালাঠি চলবে।”

বাবুরাম মহারাজকে মঠমিশনে 
*“মঠের মা”
             – স্বামী ভূতেশানন্দ



Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started