মাকে যেমন করে ভালবাসতেশিখলাম
***************************************
মা আমাদের সামনে সামনে, পাশে পাশে। কখনও হাতধরে চলছেন, কখনও ছেড়েদিচ্ছেন।সংসার সাগরে ভাসার কৌশলশিখতে শিখতে, ডুবতে ডুবতে, খাবি খেতে খেতে যখনতখন চিৎকারে উচ্চকিত হচ্ছি —-মা, ডুবে যাই, মাগো যন্ত্রনায় পুড়ে যাই,তুমিধরো, সন্তানের মাথায় দাও তোমারশ্বেতবসনের আঁচল। তোমার নরমস্নেহ সুধামাখা বুকে আশ্রয় নিইশিশুর মতো, তোমার গায়েশুধু মা মা গন্ধ।আমিএখন আর কোন গর্ভধারিণীরমুখ মনে করতে পারিনা।সমস্ত জাগতিক অবয়ব কোথায়কোথায় মিলিয়ে যায় শুধুমাত্রএকটি মুখ —শ্রীশ্রীমা সারদারঅপাপবিদ্ধ মুখটি এক নক্ষত্রহয়ে ফুটে থাকে। আমিজগতের সব উপেক্ষাকে পাশকাটিয়ে চলি। শরীরের ক্লেশদুহাতে আড়াল করি। আমারদুঃখ রাতের আধাঁর সরিয়েশ্রীমা আমার অসময়ের সু–সময়, নিঃসীম অন্ধকারেতারাময় আকাশের আলো হয়েজেগে থাকেন।
আমি ঠাকুরের মার ভালবাসায় পূর্ণহয়ে শুধুই বিশ্বাসের ভেলায়উত্তীর্ণ হতে থাকি অন্যকোনও গভীর বোধে, যেবোধ এক অবর্ণনীয় সুখেআমার জীবনকে প্লাবিত করেপূর্ণ করে। মারুফিখান