|| ভৈরব||
◆মৃত্যুর মিছিল এবং নাস্তিকতারকুঠার◆
________________________________
যে–কাহিনীকে .. ছেড়ে এসেছি, এবারতাতে প্রবেশ করব —- রাত্রি–অন্ধকারে এক মানবযাত্রীর আলোকাভিযানেরসেই কাহিনী।
গিরিশের সম্বন্ধে স্মৃতিকথায় এবং গিরিশের জীবনীতেছড়িয়ে আছে সেই বিবরণ।……
😂গিরিশের চেয়েদুর্ভাগা–জীবন অল্পই সম্ভবপর।
মানুষ তাঁর বাইরের উন্মত্ত–ভোগের জীবনকে দেখবারকালে “”গভীর সন্ধান করেনি“”—
যদি করত দেখতে পেত, ~ “সেখানেআছে নিয়তির অন্ধকার।“
সংক্ষেপে বলা চলে, ~ সেই মানুষটি সর্বদাই মৃত্যুর দ্বারা পশ্চাদ্ধাধিত।
পাদপ্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত গিরিশ —- সেই তিনিই জীবন–জড়ানোকালো ছায়ার সঙ্গে অবিরামযুদ্ধরত।
গিরিশের জীবনের আলোকিত প্রহরগুলি যাঁরাদেখেছিলেন, তাঁরা জানেন যে, – “সেগুলি কালিন্দীতে ভাসিয়ে দেওয়া প্রদীপেরমতো —#___নিমজ্জনের_আগে__মরণ__হাসিতে__রক্তিম।
****
আমরা জেনেছি, অনেকগুলো কন্যার পরে পুত্রগিরিশের জন্ম হয় ফাল্গুনেরশুক্লাষ্টমী তিথিতে।
তিনি অষ্টমগর্ভের লগনচাঁদা ছেলে। এমন ক্ষণজন্মাকেপেয়ে বাড়িতে আনন্দের অবধিছিলনা,
কিন্তু ____ না, ছেলেটি মাতৃস্তন্য পেলনা____ মা অসুখে পড়লেন।
ফলে
“যশোদা–মায়ে“রভূমিকা নিলেন বাড়ির “বাগ্দিনীদাসী“।
মা কিছুদিনের মধ্যে সুস্থ হলেন, কিন্তু
যে–মাতা পুত্রকে স্তন্যদানেঅপারগ, 😭তিনি স্নেহদান করতেওরাজি হলেন না।
গিরিশকে তিনি অত্যন্ত অবহেলাকরতেন, অকারণে তিক্ত শাসনেরমধ্যে রাখতেন।
😭😭😭গিরিশবাল্যে জানলেন না মাতৃস্নেহকাকে বলে।
◆◆◆◆মায়ের ব্যবহারের রূপ ও তারকারণ গিরিশ পরবর্তীকালে স্বয়ংবলেছেন:-
★আদর প্রত্যাশায় যদিকখনো মার কাছে যাইতাম— মা দূর–দূর করিয়া তাড়াইয়াদিতেন।
যদি কখনও মিথ্যা বলিতামবা কাহাকেও গালি দিতাম, —- *মামুখের ভিতর গোবর টিপিয়াদিতেন*।
মার মুখে কখনও মিষ্টিকথা শুনিতে পাইতাম না, — *এজন্য মনে বড় কষ্টহইত।*
😭একদিন আমার গাল–গলাফুলিয়া ভারি জ্বর, অঘোরেপড়িয়া আছি,
শুনিলাম —- মা বাবাকে বলিতেছেন:- 👏#তুমি_যেমন_করে_পারো_বাঁচাও।
বাবা জানিতেন, ‘মা আমাকে আদরকরেন না, বোধহয় তেমন ভালওবাসেন না।
😢তিনি বিস্মিত হইয়া বলিলেন :- “তুমি যেএত ব্যাকুল হচ্ছ !”
😭#__মা__কাতর__কন্ঠে উত্তরকরিলেনঃ–
‘আমি রাক্ষসী, এক সন্তান খেয়েছি[‘ইহার পূর্বে গিরিশচন্দ্রে, জ্যেষ্ঠভ্রাতানিত্যগোপালের মৃত্যু হইয়াছিল‘], এটিঅষ্টম গর্ভের ছেলে, পাছেআমার দৃষ্টিতে কোনো অমঙ্গল হয়, তাই আমি একে কাছেআসতে দিতুম না,
এলে দূর–দূর ক‘রে তাড়িয়ে দিতুম;
কোলে করিনি, কখনো একটি মিষ্টিকথা বলিনি,
আমার হেনস্তায় কত কষ্ট পেয়েছে, _____ আমার বুক ফেটে যাচ্ছে।★
••••••••••••••••••
♡মাতার #গোপন__স্নেহের কথা গিরিশচন্দ্র বড় দেরীতে জেনেছিলেন।
😭😭😭এইজানার কয়েক মাসের মধ্যে মায়েরমৃত্যু হয়। গিরিশের বয়সতখন এগারো।
😍গিরিশ অপরপক্ষে ভ্রাতৃস্নেহ কাকে বলে জেনেছিলেন।
তাঁর বড় ভাই #নিত্যগোপালগিরিশকে গভীরভাবে ভালবাসতেন।
◆গিরিশের শিক্ষার দিকে তাঁর বিশেষনজর ছিল।
💖পিতার উপযুক্ত সন্তান তিনি, বিবাহিত, সংসারের আশা–ভরসার স্থল।
তিনি মারা গেলেন মাত্র22 বছর বয়সে — মায়ের মৃত্যুর একবছর আগে — গিরিশের বয়স তখন দশ।
💛পিতার স্নেহ গিরিশ অপর্যাপ্তপেয়েছিলেন। সে অপরিমেয় স্নেহেরপ্লাবনে গিরিশ নিমজ্জিত থাকতেন।
পিতা গিরিশকে কোনোদিন শাসন করেন নি, তার কোনো ইচ্ছায় তিনিবাধা দেননি।
বিশেষতঃ পত্নীর মৃত্যুর পরেপুত্রের প্রতি তাঁর বাধাবন্ধহারাভালবাসা।
😍গিরিশ আমৃত্যু তা স্মরণ করেছেন।
পিতার নাম —- #নীলকমল।
💐নাটকের পর নাটকে গিরিশঐ শব্দটিকে 🌷পূজাপুষ্প🌷 করে তুলেছিলেন।
🌺কখনো লিখেছেন : “রাখি নীলকমলে হৃদ্কমলে ___ হওরে ভোলা ভাবেভোল!”
🌺কখনো–বা আকুল স্বরে: “সংসারে মোরে সকলে — নীলকমলআঁখি বলে।“
পিতার যখন মৃত্যুহলো তখন গিরিশের বয়সমাত্র চৌদ্দ।
গিরিশের নিতান্ত শৈশবে আরো একটি মৃত্যুঘটেছিল, ______ যা তাঁর চেতনায়#অনতিলক্ষ্য কিন্তু #অনপনেয় ছায়াবিস্তার করে।
গিরিশের থেকে দু‘বছরেরবড় এক বোন #প্রসন্নকালী____ শৈশবে ছোট ভাইটিকে সেঅত্যন্ত ভালবাসত।
“””গিরিশচন্দ্রকেসে আদর করিয়া #গিরিভাই বলিয়া ডাকিত।
😍গিরিভাইকে একবার কোলে করিতেপারিলে তাহার আনন্দের সীমাথাকিত না।
ছাতে গিরিশচন্দ্রের শুইবার কাঁথা শুকাইতেছে,
হঠাৎ বৃষ্টি আসিয়াছে,
পাছে গিরিশ–ভাইয়ের কাঁথাভিজিয়া যায়, বলিয়া বালিকা কাঁদিয়াআকুল।
গিরিশকে কোলে লইবার জন্যবালিকা সতত সুযোগ খুঁজিত। কিন্তু
পাছে কোলে তুলিয়া ফেলিয়াদেয় — এ নিমিত্ত বাটীরসকলকে সতত সাবধানে থাকিতেহইত।“””
নানা কারণে বাড়ীর সকলেরধারণা হয়েছিল , বালিকা শুভসংস্কারসম্পন্ন।
গিরিশের শৈশবে এই বালিকার মৃত্যুহয়।
গিরিশ পরিণত বয়স পর্যন্তএই বালিকার ভালবাসাকে নিজের ক্ষীণ শৈশব–স্মৃতিতে এবং কল্পনায় লালনকরে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছেন।
বারবার এই দিদিটির দেখা পেতে চেয়েছেন“কঠিন স্নেহহীন সংসারের মধ্যে” : “””স্বপ্নেযদি দেখা দাও একদিন—বলি, দিদি, তোমায়—- #সংসার__কি__কঠিন!”””
মৃত্যুসমুদ্রের এপার থেকে ওপারেরউদ্দেশ্যে বৃদ্ধ গিরিশের কান্নারবার্তাঃ– “””মনে পড়ে, করে ধরে(হাতধরে) বলিতে আমায়— ‘তুমিমার কাছে যাও। আমারেবিদায় দাও‘।“””
পিতার মৃত্যুর অল্পদিনপর যখন কিশোর গিরিশেরবিয়ে দিলেন তাঁর অভিভাবিকা#বড়দিদি —- তখন সে কাজকরেছিলেন ভ্রাতার সুখ ও শান্তিরকামনায়।
তিনি চেয়েছিলেন অমঙ্গলের কালো ছায়া যেনদূর হয়ে যায় মঙ্গল–প্রদীপের আলোকে। কিন্তু
মঙ্গলদীপ নয় —–গিরিশের জীবনে🔥🔥🔥🔥দাবানলই সত্য।
বিয়ের দিনের ঘটনা এইপ্রকার: —
◆মৃত্যুর মিছিল এবং নাস্তিকতারকুঠার◆
_______________________________________
গিরিশের জীবনে দাবানলই সত্য।
বিয়ের দিনের ঘটনা এইপ্রকার:-
“””বিবাহেরদিন কলকাতায় ভীষণ অগ্নিকান্ড হইয়াছিল।
নিমতলায় একটি কাঠগোলায় আগুনলাগে।
🔥সেই অগ্নি ভীষণাকারে জ্বলিতেজ্বলিতে বাগবাজার অভিমুখে ধাবিত হইয়া গিরিশচন্দ্রেরবাটীর সন্নিকটে আসিয়া উপস্থিত হয়। কোথায় বিবাহের আমোদ, আর
এই আসন্ন সর্বনাশ ! ! ! চারিদিকে হাহাকার শব্দ।
‘সর্বনাশ হলো ! ! ! গেল গেল ! ! !’ – শব্দে সহস্র সহস্রনরনারীর কন্ঠে রাজপথ মুখরিত।
‘জল আনো ! ! ! জল আনো ! ! !’
বাড়ির লোক ভয়ে কম্পমান; প্রাণপণে ভগবানকে ডাকিতেছেন;
গৃহদেবতা #শ্রীধরজীর দ্বারে লুটাইয়া পড়িয়াবলিতেছেন — ‘ঠাকুর রক্ষা করো! রক্ষা করো‘!”””
গিরিশচন্দ্রের বাড়ি #আশ্চর্যভাবে রক্ষা পেয়েছিল।
তাঁদের বাড়ির দক্ষিণ–পশ্চিমেএক বৃহৎ তেঁতুলগাছ ছিল, “সেই বৃক্ষে অগ্নিরাশি আসিয়াপ্রতিহত হয়” এবং তার “শক্তি নিঃশেষিত” হয়েযায়।
জীবনেরমধুরতম কল্পনার রাত্রের এই অগ্নিকান্ড বাহ্যতনিঃশেষিত হলেও আসলে নিঃশেষিত হয়নি।
●এক–দেড় বছরের মধ্যেগিরিশচন্দ্রের পঞ্চমা ভগিনী কৃষ্ণরঙ্গিণীরমৃত্যু হলো।
●গিরিশের তেইশ বছর বয়সেপ্রথম পুত্র জন্মাল।
প্রথম পুত্র !–পিতামাতার স্বপ্ন–সাধের মূর্তি।সে পুত্র কয়েক মাসেরবেশি বাঁচেনি।
●পরের বছরেই গিরিশের মেজদিদির মৃত্যু। গিরিশের বয়স তখন চব্বিশ।
●অব্যবহিত পরে মারা গেলেনগিরিশের তৃতীয় ভ্রাতা কানাইলাল।গিরিশের সঙ্গে এই ভাইয়েরবয়সের ব্যবধান ছিল অল্প, ইনিগিরিশের প্রিয় সুহৃদের মতোছিলেন, — মৃত্যুর সামান্য আগে এঁর বিয়েহয়।
——- এর পরে গিরিশচন্দ্র 6 বছরেরজন্য #অব্যহতি পেলেন — #মৃত্যুযন্ত্রণার হাত থেকে।
এইসময়েই 1868 সালে, গিরিশের দ্বিতীয়পুত্রেল জন্ম হয় —- যারমৃত্যু অবশ্য গিরিশকে দেখেযেতে হয়নি, যে–পুত্র অভিনেতাহিসাবে গিরিশের উত্তরাধিকার লাভ করেছিলেন।
তিনি হলেন সুবিখ্যাত #সুরেন্দ্রনাথ_ঘোষ — #দানীবাবু নামেই পরিচিত।
এই ছয় বছর গিরিশচন্দ্রঅব্যাহত গৃহশান্তি এবং বহির্গত খ্যাতিপেয়েছিলেন।
*****
গিরিশতিরিশে পা দেওয়ার সঙ্গে–সঙ্গে অপেক্ষায় অস্থির “দুর্ভাগ্য” দ্বিগুণ বেগে আক্রমণ শুরুকরে দিল।
●সন্তান প্রসব করে তাঁরপত্নী সূচিকায় আক্রান্ত হলেন। সন্তানটি বাঁচলনা।
●অল্পদিন পরে গিরিশের ছোটভাইক্ষীরোদচন্দ্র মারা গেলেন — একুশবছর বয়সে।
●কয়েকমাস পরে মারা গেলেনগিরিশের তৃতীয় ভগিনী — 40বছরবয়সে।
●তার কয়েকমাস পরে মারা গেলেন গিরিশের পত্নী দীর্ঘ রোগভোগেরপরে। গিরিশের বয়স তখন — 30বছর9মাস।
গিরিশ তাঁর পত্নীকে বিশেষভালবাসতেন (উচ্ছৃঙ্খলতা পত্নীপ্রেমকে নষ্ট করতে পারেনি), পত্নীর যথেষ্ট সেবা–শুশ্রূষাকরেছিলেন। পত্নীর মৃত্যু তাঁকে দিশেহারাকরে ফেলল।চারিদিক শুধু অন্ধকার।
অন্ধকারই আশ্রয়।
গাঢ় প্রেমে সর্পচুম্বন করারমতো অন্ধকারকে আলিঙ্গন করে গিরিশ লিখলেনঃ–
●○●তোমায় জানে না নরে, তাইতো তোমায় ডরে; অসময়েতুমি সখা, কেহ নাহিআর!
●○●যখন
●○●জ্বলে শুধু স্মৃতি চিতেচিতানল প্রায়
●○●তখন
●○●অভাগা তব মুখপানে চায়।●○●
তিরিশ বছরবয়সে এই গভীর চিত্তসংকটেরকালে গিরিশের কাছে কেন “অন্ধকার” একমাত্র “সখা” হয়ে উঠেছিল, তারহেতু গিরিশের আত্মকাহিনী ও জীবন–কথাতেপাওয়া যায়।
আমরা দেখি,
“এই সময়ের আগে” ঈশ্বরকেডাকার ইচ্ছা “স্বেচ্ছায় বর্জন” করেছেন।
#_______গিরিশ___এখন___নাস্তিক।
গিরিশের ধর্মজীবনকে পূর্বাপর অনুসরণ করলে দেখব:- ✔বাল্যে সেকালের হিন্দু–বালকদের মতো তিনি #রামায়ণ #মহাভারত #পুরাণের কাহিনীতে নিমজ্জিত ছিলেন, সহজ ভক্তিবিশ্বাসঅর্জন করেছিলেন।……
কিন্তু
🔥বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্রোহজাগতে লাগল তাঁর মধ্যে।
মৃত্যু–মিছিলের মধ্যে দাঁড়িয়ে “প্রতিভাবান অনুভূতিকাতর” তরুণের মনে নানা প্রশ্নজেগেছিল।
😡স্বভাবে প্রচন্ডতা ছিল বলে তাঁরপ্রশ্ন উপনীত হয়েছিল “সংশয়ে” ____ এবং “বিদ্রোহে“।
ভাবুলতাকে চূর্ণ করার অধীরআকাঙ্ক্ষায় তিনি #কালাপাহাড় হয়েউঠলেন —- ঠিকভাবে বলতে গেলে, ঐ ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য অধীরতা বোধকরলেন।
দেখা যায়, — যৌবনের প্রারম্ভে পাড়ার “বওয়াটে দলের” নেতারূপে তিনি নানা অপকর্মকরছেন,
অধিকন্তু “ভন্ড সন্ন্যাসীদের দন্ড” দিচ্ছেন।
সেখানেও থামলেন না —– খাঁটি কালাপাহাড় হবার ও চেষ্টাওকরলেন।তাঁর যৌবনকালের একটি ঘটনা এইঃ–
“””শারদীয়াপূজার পূর্বদিন প্রভাতে বাটীর লোক উঠিয়া দেখিল —-বহির্বাটীর প্রাঙ্গনে কাহারা প্রতিমা ফেলিয়াদিয়া গিয়াছে।
বাড়িতে হুলস্থূল পড়িয়া গেল।….. বাটীতেবহু লোকের সমাগমে একটাকোলাহল উত্থিত হওয়ায় গিরিশচন্দ্রঘুম হইতে উঠিয়া পড়িলেন।
বহির্বাটীতে আসিয়া প্রতিমাদর্শনে বুঝিলেন —- পাড়ার জনকতক দুষ্টলোকের কীর্তি।
তিনিও তাহাদের কীর্তি লোপ করিবারজন্য “কালাপাহাড়–মূর্তি” ধারণ করিলেন।
মদ্যপান করিয়া , কোথা হইতে একখানিকুঠার সংগ্রহ করিয়া আনিয়াপ্রতিমা খন্ড–বিখন্ড আরম্ভকরিলেন।
‘করিস কি, করিস কি‘ বলিয়া আর্তনাদ করিতে–করিতে [বড়দিদি] কৃষ্ণকিশোরী ছুটিয়া আসিলেন।
বাড়িতে কান্না পড়িয়া গেল।…..
[কিন্তু] তাঁহার সেই সংহারমূর্তি দর্শনেঅন্য কেহ নিকটে যাইতেসাহস করিল না, একে–একে সকলে সরিয়াপড়িল।
ধ্বংসকার্য শেষ করিয়া গিরিশচন্দ্রপ্রতিমার এক–এক টুকরোতাঁহাদের খিড়কির বাগানের একআমগাছতলায় লইয়া গিয়া স্তূপীকৃতকরিলেন।
পরে সমস্ত দিন ধরিয়াসেইগুলি মাটিতে পুঁতিয়া তবেনিশ্চিন্ত হইলেন।“””
(দ্বিতীয় পর্ব সমাপ্ত।)
তৃতীয় পর্ব “বিশ্বাসের তটরেখায় অলৌকিক আকার” __ পরবর্তীতেপোস্ট হইবে।
(শ্রীশঙ্করী প্রসাদ বসু)
জয় মা।জয় ঠাকুর।জয় স্বামীজী।