*সারগাছির স্মৃতি* *_স্বামী সুহিতানন্দ_*



*সারগাছির স্মৃতি*
*_স্বামী সুহিতানন্দ_*
            [৭৪]
          ৬০
সেবক :  _করে কি কারোরভাল করা যায়?_
মহারাজ : *শোনো তবেযে কাজের ছেলেটিভালোকরব ঠিক করলামলেগেলেগে test পরীক্ষা পর্যন্ত দেওয়ালাম। কিন্তু সেই মাথাতেইনেয়  নাএখন আমায় দেখলেএড়িয়ে চলে। যেছেলেটি  বাসন মাজেতার জন্য চেষ্টাকরলামসে এখন দুবেলা ঠাকুরকে প্রণামকরে। তাকে ঠাকুরের ফটোআনিয়ে দিয়েছি। বোধ হয় সেবিয়ে করবে না। চন্দনকাঠওকুঁদতে হয়, না কুঁদলেসুন্দর হয় না।  আমিআমার চৌকি বেঞ্চিরপায়া দেখাইএকই কাঠ দুরকম রূপ নিয়েছে।প্রত্যেকের মধ্যে হরি আছেন।তবে সকলকে পাল্টানো যায়না। এই দেখ না, ছেলেটি যা ভালবোঝে তা  করে।কেবল যদি তার গুণটাচোখে দেখিয়ে দিতে পারাযায়। , তাতেই সে উন্নতিরপথ খুঁজে পায়।*
বিকালবেলা বেদান্ত মঠের স্বামী শঙ্করানন্দএসেছেনতিনি প্রেমেশ মহারাজরাপূর্বপরিচিতশিলেটে  থাকাকালীন তাঁর কাছে মধ্যেমধ্যে যেতেন।  তিনি ইতিহাস নিয়েনানা গবেষণা করছে এবংস্বামী অভেদানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়েবেদান্ত আশ্রমে যোগ দেন
স্বামী শঙ্করানন্দ :  _অভেদানন্দ মহারাজ সম্বন্ধে শরৎমহারাজ যেভাবে স্বামীজীরদ্বারাশক্তিসঞ্চার বর্ণনা দিয়েছেনসেসম্পর্কে যদি কিছু বলেন।_
প্রেমেশ মহারাজ : *অভেদানন্দ মহারাজ যাদের দীক্ষা দিয়েছেন তাদের মুক্তি অনিবার্য।  আর তাঁকেapostolic mood – আমেরিকাতে বহুকাল থাকতে হয়েছিল। ২৫ বছর ধরে বহির্মুখ লোকের সঙ্গ করে করে তার শরীরের ওপর প্রতিক্রিয়া হয়যেমন ঠাকুর মা স্বামীজীর হয়েছিল স্বামীজী কোনো এক জায়গায় বলেছেন,  প্রতিক্রিয়া স্থুলদেহ অতিক্রম করে সুক্ষদেহকেও আক্রমণ করতে পারে।*

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started