“কি হে দীপু, বাড়িআছো নাকি’? বলে হাঁকপাড়তেন স্বামীজী”। স্মৃতিচারণাকরছেন হেমলতা ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথঠাকুরের অগ্রজ দ্বিজেন্দ্রনাথের পুত্র, দ্বিপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। ঠাকুরবাড়ির কুলবধূ। রামমোহন রায়ের পৌত্রীর পৌত্রী।
শান্তিনিকেতনে পরবর্তীকালে ‘বড় মা’ বলেপরিচিতা।
“বাবা কি দরাজ গলাছিল তার !…
জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি তো আদব–কায়দামানা বাড়ি; কিন্তু স্বামীজীতো কোন আইন মানারলোক ছিলেন না। পাড়াকাঁপিয়ে ডাক। আমার স্বামীওশশব্যস্ত হয়ে উত্তর দিতেন; ‘যাই ভাই নরেন, যাই’। উনিছিলেন আমার স্বামীর সহপাঠী।আমাদের বাড়ি আসতেন। তারপরবাইরের ঘরে অনর্গল গল্পও গান এবং সশব্দউচ্চহাস্য চলত স্বামীজীর”।
এমনই ছিল স্বামীজীর প্রাণমনহরণ উপস্থিতি, তিনি যখন চলেযেতেন, এক অপূর্ব চিত্রকল্পব্যবহার করে হেমলতা দেবীলিখছেন, “মনে হতো যেনহাজার বাতির ঝাড়ের সবকটিপ্রদীপ একসঙ্গে নিভে গেল”!(সংগৃহীত)