|||◆◆◆◆জপ-ধ্যান◆◆◆◆|||
জপ ধ্যান সম্পর্কে শ্রীরামকৃষ্ণ ——-
জপ করা কি না নির্জনে নিঃশব্দে তাঁর(ভগবানের) নাম করা। একমনে নাম করতে করতে —– জপ করতে করতে তাঁর রূপ দর্শন হয় ——- তাঁর সাক্ষাৎকার হয়। শিকলে বাঁধা কড়িকাঠ গঙ্গার গর্ভে ডুবানো আছে — শিকলের আরেক দিক তীরে বাঁধা আছে। শিকলের এক একটি পাব ধরে ধরে গিয়ে ক্রমে ডুব মেরে শিকল ধরে যেতে যেতে ঐ কড়ি কাঠ স্পর্শ করা যায়। ঠিক সেই রূপ জপ করতে করতে মগ্ন হয়ে গেলে ক্রমে ভগবানের সাক্ষাৎকার হয়।…….জপ থেকে ঈশ্বর লাভ হয়। নির্জনে, গোপনে তাঁর নাম করতে করতে তাঁর কৃপা হয়। তারপর দর্শণ।”(শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত)
জপ ধ্যান সম্পর্কে শ্রীরামকৃষ্ণ ——-
জপ করা কি না নির্জনে নিঃশব্দে তাঁর(ভগবানের) নাম করা। একমনে নাম করতে করতে —– জপ করতে করতে তাঁর রূপ দর্শন হয় ——- তাঁর সাক্ষাৎকার হয়। শিকলে বাঁধা কড়িকাঠ গঙ্গার গর্ভে ডুবানো আছে — শিকলের আরেক দিক তীরে বাঁধা আছে। শিকলের এক একটি পাব ধরে ধরে গিয়ে ক্রমে ডুব মেরে শিকল ধরে যেতে যেতে ঐ কড়ি কাঠ স্পর্শ করা যায়। ঠিক সেই রূপ জপ করতে করতে মগ্ন হয়ে গেলে ক্রমে ভগবানের সাক্ষাৎকার হয়।…….জপ থেকে ঈশ্বর লাভ হয়। নির্জনে, গোপনে তাঁর নাম করতে করতে তাঁর কৃপা হয়। তারপর দর্শণ।”(শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত)
“পূজা ,জপ, ধ্যান এসব নিয়মিত অভ্যাস করতে হয়। সব কাজ ফেলে সন্ধ্যার সময় তাঁকে ডাকবে।”
জপ ধ্যান সম্পর্কে শ্রী শ্রী মা সারদা দেবী ——-
“ভগবানের নাম (জপ) করে মানুষ পবিত্র হয়। যেমন ঝড়ে মেঘ উড়িয়ে নেয়, তেমনি তাঁর নামে বিষয় মেঘ কেটে যাবে।”
” কত সৌভাগ্যে এই জন্ম! খুব করে ভগবান কে ডেকে যাও। খাটতে হয়, না খাটালে কি কিছু হয়! সংসারের কাজকর্মের মধ্যেও একটি সময় করে নিতে হয়। আমার কথা কি বলব, আমি তখন দক্ষিণেশ্বরে। রাত তিনটের সময় উঠে জপে বসতুম।”
” মন না বসলেও জপ করতে ছাড়বে না নাম করতে করতে মন আপনি স্থির হয়ে যাবে। বাতাস থাকলে প্রদীপের শিখা স্থির থাকে না, কামনা বাসনা থাকলেও মন স্থির হয় না।”
অভ্যাসের কত শক্তি! জপ অভ্যাস করতে করতে মানুষ সিদ্ধ হয়। জপাৎ সিদ্ধি, জপাৎ সিদ্ধি, জপাৎ সিদ্ধি! সংখ্যার দিকে মন রেখে জপ করলে সংখ্যার দিকে মন থাকে, এমনি জপ করবে।”
” জপ ধ্যান করতে করতে দেখবে ঠাকুর কথা কবেন। মিনে যে বাসোনাটি হবে তখুনি পূর্ণ করে দেবেন। কি শান্তি প্রাণে আসবে।”
“ভগবানের নাম (জপ) করে মানুষ পবিত্র হয়। যেমন ঝড়ে মেঘ উড়িয়ে নেয়, তেমনি তাঁর নামে বিষয় মেঘ কেটে যাবে।”
” কত সৌভাগ্যে এই জন্ম! খুব করে ভগবান কে ডেকে যাও। খাটতে হয়, না খাটালে কি কিছু হয়! সংসারের কাজকর্মের মধ্যেও একটি সময় করে নিতে হয়। আমার কথা কি বলব, আমি তখন দক্ষিণেশ্বরে। রাত তিনটের সময় উঠে জপে বসতুম।”
” মন না বসলেও জপ করতে ছাড়বে না নাম করতে করতে মন আপনি স্থির হয়ে যাবে। বাতাস থাকলে প্রদীপের শিখা স্থির থাকে না, কামনা বাসনা থাকলেও মন স্থির হয় না।”
অভ্যাসের কত শক্তি! জপ অভ্যাস করতে করতে মানুষ সিদ্ধ হয়। জপাৎ সিদ্ধি, জপাৎ সিদ্ধি, জপাৎ সিদ্ধি! সংখ্যার দিকে মন রেখে জপ করলে সংখ্যার দিকে মন থাকে, এমনি জপ করবে।”
” জপ ধ্যান করতে করতে দেখবে ঠাকুর কথা কবেন। মিনে যে বাসোনাটি হবে তখুনি পূর্ণ করে দেবেন। কি শান্তি প্রাণে আসবে।”
জপ সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দ ——-
” হাত যখন কাজ করিবে, মন যেন তখন জপ করিতে থাকে —– আমি ব্রহ্ম, আমি ব্রহ্ম । …… মিন যেদিকেই যাক না কেন, নিয়মিত জপ করতে থাকবে।”
” জপের সময় নাম-নামী অভেদ ভেবে তাঁরই চিন্তা করতে হয়। যে নাম , সেই নামী, অর্থাৎ নাম করলেই যাঁর নাম তাঁকে বোঝায়। কোনো কাজের জন্য যদি কাউকে নাম ধরে ডাকো তো সঙ্গে সঙ্গে তার মুর্তিটাও মনের সামনে ভেসে ওঠে এবং সে সাড়াও দেয় বা আসে। জপ ও ঠিক তাই, যদি ঠিক হয়, যদি তাতেই মন লেগে থাকে।আর এটুকু বিশ্বাস থাকা চাই যে, আমার ডাক তাঁর কাছে পৌঁছুচ্ছে, তাঁর সাড়া পাবোই।”( পরোমার্থ প্রসঙ্গ, স্বামী বিরোজানন্দ, উপদেশ সংখ্যা ১৩৭)
” হাত যখন কাজ করিবে, মন যেন তখন জপ করিতে থাকে —– আমি ব্রহ্ম, আমি ব্রহ্ম । …… মিন যেদিকেই যাক না কেন, নিয়মিত জপ করতে থাকবে।”
” জপের সময় নাম-নামী অভেদ ভেবে তাঁরই চিন্তা করতে হয়। যে নাম , সেই নামী, অর্থাৎ নাম করলেই যাঁর নাম তাঁকে বোঝায়। কোনো কাজের জন্য যদি কাউকে নাম ধরে ডাকো তো সঙ্গে সঙ্গে তার মুর্তিটাও মনের সামনে ভেসে ওঠে এবং সে সাড়াও দেয় বা আসে। জপ ও ঠিক তাই, যদি ঠিক হয়, যদি তাতেই মন লেগে থাকে।আর এটুকু বিশ্বাস থাকা চাই যে, আমার ডাক তাঁর কাছে পৌঁছুচ্ছে, তাঁর সাড়া পাবোই।”( পরোমার্থ প্রসঙ্গ, স্বামী বিরোজানন্দ, উপদেশ সংখ্যা ১৩৭)
জপ সম্পর্কে স্বামী শিবানন্দজী মহারাজ —-
“জপ ধ্যানের কোনো কালাকাল নেই, সর্বক্ষণ তাঁর নাম অন্তরে জপ করতে পারো।” গানে আক্সহে না, ‘ যত শোনো কর্ণপুটে, সবই মায়ের মন্ত্র বটে, আবার আহার করো মনে করো আহুতি দাও শ্যামা মাকে, আনন্দদে রামপ্রসাদ রটে, মা বিরাজেন সর্ব ঘটে,শয়নে প্রণাম জ্ঞান, নিদ্রায় করো মা কে ধ্যান নাগর ফেরো মনে করো প্রদক্ষিণ শ্যামা মা কে।’ এটা খুব উচ্চ অবস্থা।এক দু ঘন্টা মালা জপলেই যথেষ্ট হলো না। সর্বক্ষণ প্রত্যেক শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শ্রী ভগবানের নামজপ চালাতে হবে।
“জপ ধ্যানের কোনো কালাকাল নেই, সর্বক্ষণ তাঁর নাম অন্তরে জপ করতে পারো।” গানে আক্সহে না, ‘ যত শোনো কর্ণপুটে, সবই মায়ের মন্ত্র বটে, আবার আহার করো মনে করো আহুতি দাও শ্যামা মাকে, আনন্দদে রামপ্রসাদ রটে, মা বিরাজেন সর্ব ঘটে,শয়নে প্রণাম জ্ঞান, নিদ্রায় করো মা কে ধ্যান নাগর ফেরো মনে করো প্রদক্ষিণ শ্যামা মা কে।’ এটা খুব উচ্চ অবস্থা।এক দু ঘন্টা মালা জপলেই যথেষ্ট হলো না। সর্বক্ষণ প্রত্যেক শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শ্রী ভগবানের নামজপ চালাতে হবে।
যেদিন কোনো অসুবিধায় জপ করা সম্ভব হচ্ছে না সেদিন শ্রী শ্রী মা সারদা দেবীর উপদেশ মনে করবেন —- “ঠাকুর সয়ং আমাকে বলেছেন, ‘রামকৃষ্ণ’ নাম দশবার জপলেই হবে। তাই যথেষ্ট”।(শ্রীশ্রীমায়ের পদপ্রান্তে তৃতীয় খন্ড, পৃ: ৫৬০)
শ্রী রামকৃষ্ণের নাম নিলে রামকৃষ্ণ কেই স্মরণ করা হলো। হেলায় ও শ্রদ্ধায়, যে তাঁর নাম নেবে তারই কল্যাণ হবে। একবার করেই দেখ — তাঁর নামে কত আনন্দ কত শান্তি!……. আমার কথা যদি বিশ্বাস কর, এই মন্ত্র জপলেই তোমার মুক্তি হবে। এযুগে ‘রামকৃষ্ণ’ নামই মুক্তিমন্ত্র। রামকৃষ্ণ নামের সঙ্গে কোনো বীজ যোগ করার ও প্রয়োজন নাই। ঠাকুর নিজেই বলে গেছেন, ” হেলায় ,শ্রদ্ধায় যে আমার নাম করবে, তাকে হাত ধরে আমি মুক্তিধামে নিয়ে যাবো”। তাঁর বাক্য কখনো মিথ্যা হয় না।” ——– (স্বামী শিবানান্দমহারাজের উক্তি। দেবলকে, স্বামী অপূর্বানান্দ, )