"ঠাকুরকে ছেড়ে আমার থাকা চলে না, থাকা উচিতও নয়।"

“ঠাকুরকে ছেড়ে আমার থাকা চলে না, থাকা উচিতও নয়।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

VISIT TODAY RAMAKRISHNA ,TODAY VISIT THAKUR SRI RAMAKRISHNA AT,TODAY,MAA, SARADA, KOLKATA, THAKUR, RAMAKRISHNA,BELUR MATH, VIVEKANANDA,SWAMIJI,HOT NEWS,Kamarpukur,belurmath, Joyrambati,BARASAT,today's news headlines,mind on God, Gospel of sri Ramakrishna, The Story of Ramakrishna,belur math ,belur, math, arati, belurmath.org, bhajan, devotional, song,classic bhajan,swami vivekananda, vivekananda, swamiji,thakur, belur math, ramakrishna mission, belur,ramakrishna math, vidyamandira, ma sarada,Sarada devi, ramakrishna,Doctor, paramhansa,bengali devotional song, kolkata, calcutta, india, Indian, Bangladesh, BelurMath belurmath.org,  vivekananda, ramakrishna, sarada, ramakrishna movement, vedanta movement ,Swami Kripakarananda,Doctor,RKM


১৯০৯ সালের ২১ মে , সম্পত্তি বন্টনের পর শ্রীশ্রী মা স্বামী সারদানন্দের সঙ্গে কলকাতা যাত্রা করেন এবং ২৩ মে, ‘উদ্বোধন’–বাড়িতে প্রথম পদার্পণ করেন। শ্রীশ্রী মায়ের দ্বিতলে থাকার ব্যবস্থা করা হয় আর নিচে ‘উদ্বোধন’কার্যালয়। শ্রীঠাকুরের জন্য নির্মিত বেদীর উপর নিবেদিতা রচিত রেশমী চন্দ্রাতপের নিচে চিত্র প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ঠাকুরঘরের পাশের ঘরে শ্রীমায়ের থাকার ব্যবস্থায়য় তিনি গররাজি হন। শ্রীশ্রীমা বলেন :“ঠাকুরকে ছেড়ে আমার থাকা চলে না, থাকা উচিতও নয়।”অতএব শ্রীমাকে ঠাকুর ঘরে থাকার ব্যবস্থা করা হয়।  এইদিন থেকেই উদ্বোধন ভবনটি  ‘মায়ের বাড়ি’ বলেই পরিচিত হতে থাকে। অদ্যাবিধ এই ‘মায়ের বাড়ি’ একাধারে শক্তিপীঠরূপে পরমতীর্থ।
১৯৮৮ সালের ২৬ শে ফ্রেব্রুয়ারী ইটালিয়ান  এক দম্পতিকে বাগবাজারে উদ্বোধন কার্যালয় থেকে জনৈক সন্ন্যাসী মায়ের বাড়িতে নিয়ে  আসেন। মায়ের ঘরের দরজার গায়ে যথারীতি ভূমিষ্ঠ হয়ে মাকে প্রনাম করতে দেখে তাঁরাও ঐভাবে প্রনাম করে উঠে মায়ের ছবির দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। সন্ন্যাসী দেখলেন ভদ্রমহিলার দুই গন্ড বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে।ভদ্রমহিলা সন্ন্যাসীর দিক তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন ইনি কে?  উনি কি এখনও জীবিত?  সন্ন্যাসী উত্তর দিলেন—“ইনি আমাদের “মা” বা “হোলি মাদার”।  উনি ১৯২০ সালে নরলীলা সংবরণ করেন।মা তাঁর শেষ এগার বছরের অনেকটা সময় এঘরে কাটিয়েছেন।”
ভদ্রমহিলা বললেন –” কিন্তু আমি যে এই ঘরের মধ্যে তাঁর জীবন্ত উপস্থিতি অনুভব করছি। মনে হচ্ছে, এই ঘর, এই জায়গাটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক স্পন্দনে ভরপুর হয়ে আছে।ওঃ! কত যে শান্তি, করুণা আর ভালবাসায় ধুয়ে দিচ্ছেন। আমরা বুঝিনি এতদিন হয়ত ওরই (শ্রীশ্রীমায়ের) আকর্ষণে বারবার ভারতবর্ষে ছুটে এসেছি।
হ্যাঁ, সেই১৯০৯সালের ২৩ শে মে   থেকে মা ওবাড়িতে আছেন  অনুভব করতে হবে মায়ের উপস্থিতি, শুধু অটুট বিশ্বাস আর মায়ের প্রতি আস্থা রেখে মা কে ডাকলেই হলো। আজও মা তাঁর সন্তানদের জন্য কোল পেতে বসে আছেন একই ভাবে এ যে কথার কথা মা নন, পাতানো মা নন সত্যি জননী।
জয় মা!!

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started