আজ প্রভু জগন্নাথের শুভ স্নান যাত্রা !আজকের দিনেই রানী রাসমণি প্রতিষ্ঠিত দক্ষিনেশ্বরে মা ভবতারিনী মন্দির প্রতিষ্ঠা হয় !আজ ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ এর পূণ্য অস্থি “আত্মারামের “মহা স্নানের দিন ,আজকের তিথিতে জন্ম গ্রহন করেন রামকৃষ্ণ মঠ এর পঞ্চম অধ্যক্ষ পূজ্যপাদ স্বামী বিরজানন্দ
![]() |
| প্রভু জগন্নাথের শুভ স্নান যাত্রা |
মূখ্য চান্দ্র জ্যৈষ্ঠৈ জ্যেষ্ঠা নক্ষতপূর্নিমা তিথিতে জগন্নাথদেবের জন্মদিন রূপে গন্য করা হয়।রাজা ইন্দ্রদ্যুন্ম কতৃর্ক প্রবর্তিত এই উৎসবকে স্নানযাত্রা র উৎসব বলা হয়।জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রাকে স্নান বেদিতে সুদর্শনের সঙ্গে ১০৮ স্বর্ণ কলসে স্নান করা হয়।
সকল দেবতা ব্রক্ষা অবতারগন ব্রক্ষর্ষি এই মহাক্ষণের সাক্ষী হতে আসেন স্বর্গের সুরনদীর জল নিয়ে।
স্নানের প্রাক্কালে প্রভুকে সুগন্ধি ফুলের চাল মেশানো অন্ন,পাখালের সঙ্গে কাঁচকলা পটল,বেগুন ঘি মসলা দিয়ে পাক করা ঝোল নিবেদন করা হয়।এছাড়াও পিতা,তিপুরি,ফড়ি শুকতা,কখার প্রভৃতি পদ ভোগ হিসাবে ব্যবহার হয় মিষ্টান্নের মধ্যে সরপুলি,হংসকেলি খোয়ামন্ডা মূখ্য।
এরপর জগৎপতির জ্বর আসে ,পনের দিন শ্রীমূর্তি অঙ্গরাগবিহীন থাকেন,এসময় পথ্য পাঁচন,। বাঁশের
পালঙ্কে তাঁর শোয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অন্ন ভোগর পরিবর্তে ফল মিষ্টি ভেজা মুগ ডাল মিছরি ,চিনির জল নিবেদন করা হয়।
জ্বরে পড়ার ছদিনের মাথায় দারূমূর্তির শরীরের উত্তাপ কমানোর জন্যে চন্দন লেপন করা হয়।সপ্তম দিনে তিল ।
মালিশ ।অষ্টম দিনে সর্জবৃক্ষের রস তিল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মালিশ করা হয়। নভম দিনে সব লেপন তুলে ফেলা হয়। দশম দিনে সার চন্দন রক্তচন্দন, কস্তুরী কুমকুম কপূর দিয়ে আলাদা আলাদা লেপন করাহয় যথা রক্ত ত্বক,পদ,হস্ত,নাড়ি ধমনী ইত্যাদি সৃষ্টি হয় এক একটি লেপনে।
এই সময় অষ্টসখী তাঁর ব্যাধির চলাকালীন তাঁর সঙ্গে বিরাজ করেন । ওষধি রূপে তেজপাতাও এলাচদানা দিয়ে দুধ সাবু দেওয়া হয়। বক্কাল দেওয়া হয়, আসলেএর মধ্যে নিমপাতা,মধু,জায়ফল,আমলকী,আদা গোলমরিচ,প্রভৃতি মিশ্রণ ই এই বক্কাল। সমস্ত ঔষধ গঙ্গাজল, গোদুগ্ধ,এবং ডাবের জলের সাথে দেওয়াহয়।
স্নানের প্রাক্কালে প্রভুকে সুগন্ধি ফুলের চাল মেশানো অন্ন,পাখালের সঙ্গে কাঁচকলা পটল,বেগুন ঘি মসলা দিয়ে পাক করা ঝোল নিবেদন করা হয়।এছাড়াও পিতা,তিপুরি,ফড়ি শুকতা,কখার প্রভৃতি পদ ভোগ হিসাবে ব্যবহার হয় মিষ্টান্নের মধ্যে সরপুলি,হংসকেলি খোয়ামন্ডা মূখ্য।
এরপর জগৎপতির জ্বর আসে ,পনের দিন শ্রীমূর্তি অঙ্গরাগবিহীন থাকেন,এসময় পথ্য পাঁচন,। বাঁশের
পালঙ্কে তাঁর শোয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অন্ন ভোগর পরিবর্তে ফল মিষ্টি ভেজা মুগ ডাল মিছরি ,চিনির জল নিবেদন করা হয়।
জ্বরে পড়ার ছদিনের মাথায় দারূমূর্তির শরীরের উত্তাপ কমানোর জন্যে চন্দন লেপন করা হয়।সপ্তম দিনে তিল ।
মালিশ ।অষ্টম দিনে সর্জবৃক্ষের রস তিল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মালিশ করা হয়। নভম দিনে সব লেপন তুলে ফেলা হয়। দশম দিনে সার চন্দন রক্তচন্দন, কস্তুরী কুমকুম কপূর দিয়ে আলাদা আলাদা লেপন করাহয় যথা রক্ত ত্বক,পদ,হস্ত,নাড়ি ধমনী ইত্যাদি সৃষ্টি হয় এক একটি লেপনে।
এই সময় অষ্টসখী তাঁর ব্যাধির চলাকালীন তাঁর সঙ্গে বিরাজ করেন । ওষধি রূপে তেজপাতাও এলাচদানা দিয়ে দুধ সাবু দেওয়া হয়। বক্কাল দেওয়া হয়, আসলেএর মধ্যে নিমপাতা,মধু,জায়ফল,আমলকী,আদা গোলমরিচ,প্রভৃতি মিশ্রণ ই এই বক্কাল। সমস্ত ঔষধ গঙ্গাজল, গোদুগ্ধ,এবং ডাবের জলের সাথে দেওয়াহয়।
