‘সামান্য কাজটিও শ্রদ্ধার সঙ্গে করতে হয় II শ্রীমা সারদাদেবী চাইতেন, সংসারে যারা থাকবে তারা ছোট-বড় প্রতিটি কাজ শ্রদ্ধা সহকারে করবে।

‘সামান্য কাজটিও শ্রদ্ধার সঙ্গে করতে হয়’
============================
      শ্রীমা সারদাদেবী চাইতেন, সংসারে যারা থাকবে তারা ছোট-বড় প্রতিটি কাজ শ্রদ্ধা সহকারে করবে।  তিনি নিজেও তা-ই করতেন।  ঝাঁটাটিকে পর্যন্ত সম্মান করতে বলেছেন।  কাজ শেষ হয়ে গেলেই তাকে অশ্রদ্ধা করে ছুড়ে দিতে নেই।  ছোট জিনিস বলেই তাকে তুচ্ছ করতে নেই।  কারণ, ‘যাকে রাখ সেই রাখে।  আবার তো ওটি দরকার হবে ?  তা ছাড়া, এ সংসারে ওটিও একটি অঙ্গ।  সেদিক দিয়েও তো ওর একটা সম্মান আছে।  যার যা সম্মান, তাকে সেটুকু দিতে হয়।  ঝাঁটাটিকেও মান্য করে রাখতে হয়।’ এই সম্মান শুধু ঝাঁটার প্রতি নয়, ঝাঁটা দিয়ে যে কাজটি হয়, সাধারণত যে কাজটিকে আমরা সম্মান দিতে চাই না, সেই ‘ঝাড়ু-দেওয়া’ কাজটির প্রতিও।  ঝাঁটাটি কাজের শেষে ছুড়ে ফেলে দিয়ে শুধুই যে রুচিহীনতার পরিচয় দেওয়া হয়, তা-ই নয়, সময়ের সাশ্রয়ও কিছু হয় না।  ‘ছুঁড়ে রাখতেও যতক্ষণ, আস্তে ধীর হয়ে রাখতেও ততক্ষণ।’ শ্রীমা বলেছেন—‘মানুষের প্রত্যেক খুঁটিনাটি কাজটিতে শ্রদ্ধা দেখলে ঠিক ঠিক মানুষটি চেনা যায়।’ এটি কর্মযোগের একটি মূল কথা।  স্বামী বিবেকানন্দও ‘কর্মযোগ’ আলোচনা প্রসঙ্গে অনুরূপ কথা বলেছেন।
            ওঁ শান্তিঃ ! ওঁ শান্তিঃ ! ওঁ শান্তিঃ !

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started