(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
পুরাণে দেবতাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দেবাদিদেব মহাদেব। ব্রহ্মা বিষ্ণুর দ্বন্দের মধ্যে শিবই নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন- তাঁদের বিবাদ মিটিয়ে দিয়ে জ্যোতিলিঙ্গ রূপে সেই সময়েই তাঁর জগতে প্রকাশ।
তাঁরা দুজনেই শিবের আদি অন্ত খুজে পাননি। সেই জ্যোতিলিঙ্গের মধ্যেই তাঁরা পঞ্চানন দশবাহু বিশিষ্ট উজ্জ্বল রজত ধবল জ্যোতির্ময় এক দিব্য মূর্তির দর্শন পান ও স্তবস্তুতিতে তাঁর বন্দনা করেন।
পুরাণ একথাই বলে- শিব সেই প্রথম থেকেই দেবতাদের তিনি প্রধান ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরের মধ্যে স্থান পেয়ে গিয়েছেন। শুধু তাই নয়, অপর দুই দেবতারই তিনি পূজনীয়।
আমাদের ঠাকুরও সাক্ষাৎ শিব স্বরূপ- কামারপুকুরে যোগীদের শিবমন্দির থেকে বেরিয়ে আসা জ্যোতি থেকে তাঁর জন্ম। বাল্যে কামারপুকুরের পাইনদের বাড়ীতে শিবরাত্রিতে শিবের সাজে তাঁর ভাবাবেশ,সাধনকালে তাঁর উন্মাদনা অবস্থায় মুকুন্দপুর শিবমন্দিরের প্রত্যাদেশেই জানা যায় তাঁর এটা দিব্যোন্মাদ অবস্থা! এই সবই ঠাকুরের জীবনের দিব্যভাবের প্রকাশ।
আর স্বামীজী- তিনি তো কাশীর বীরেশ্বর শিব থেকেই আবির্ভূত। একেবারে শিশুকালেই তাঁর ধ্যানের বিষয় ও খেলাঘরের ঠাকুর ছিলেন ধ্যানমগ্ন শিব। কাশীপুরে শিবরাত্রিতে ও মঠে শিবের সাজে সাজিয়ে দেওয়ায় স্বামীজীও সাক্ষাৎ শিব। কাশ্মীরে অমরনাথের তুষার লিঙ্গের সামনে শিবভাবে মগ্ন স্বামীজীর জীবনও শিবময়!
আর মা, তিনিও শিবের লীলাসঙ্গিনী পার্বতী !
-স্বামী আত্মস্থানন্দ
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
