বঙ্গানুবাদ করঃ
“অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ।।“
হ্যাংলার অনুবাদ :
“তিমি মাছ রান্না করতে গিয়ে কেউ যদি অজ্ঞান হয়ে যায়, তবে জ্ঞান আনার জন্য প্রথমে শলাকা দিয়ে খোঁচা দিতে হবে। তাতেও চোখ না মেললে, মিছরি আর গুড়ের মধ্যে টস করে যেটা বেরোবে তাই দিয়ে ঠাকুর নমো করতে হবে “!
পরেরটাও বঙ্গানুবাদ :
“কর্মণ্যেবাধিকারস্যে মা ফলেষু কদাচন“
হ্যাংলার উত্তর –
“বোধকরি রাধিকা রাস্তায় ফল বেচছে“!
খাতা দেখার পর পণ্ডিতমশাই ক্লাসে এসে হ্যাংলাকে ডেকে বললেন, “তোকে কটা প্রশ্ন করবো। ঠিকঠাক উত্তর না দিবি ! আচ্ছা, এটার মানে বল –
বহুনি মে ব্যতিতানি, জন্মানি তব চার্জুন“
হ্যাংলা অত্যন্ত সপ্রতিভ জবাব –
“বৌমার বেশ কয়টি বাচ্চা হয়েছে, সব ক‘টির জন্মই চার জুন “!
পণ্ডিতমশাই খুব রেগে গিয়ে আবার অর্থ জিজ্ঞেস করলেন–
“তমসো মা জ্যোতির্গময়“
হ্যাংলা – “তুমি শুয়ে পড়ো মা, আমি জ্যোতির সঙ্গে দেখা করে আসি“!
পণ্ডিতমশাই আরও রেগে বললেন – “গর্ধব কোথাকার, পড়াশোনা না করে চরতে যা। আচ্ছা এর মানে বল তো দেখি –
দক্ষিণে লক্ষ্মণোযস্য বামে তু জনকাত্মজা“।
হ্যাংলা – “দক্ষিণে দাঁড়িয়ে লক্ষ্মণ বললো, জনক আজকাল তুই ভালোই মজায় আছিস দেখছি“!
পণ্ডিতমশাইয়ের গলায় এবার হতাশা –
“দেখি এটা বলতে পারিস কিনা–
হে পার্থ, ত্বয়া চাপি মম চাপি•••“
হ্যাংলা– “মহাভারতের যুদ্ধে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বললেন•••“
পণ্ডিতমশাই এতক্ষণে একটু উৎসাহ পেলেন –
“হ্যাঁ, হ্যাঁ, কি বললেন ?”
হ্যাংলা – “ভগবান বললেন, অর্জুন তুই চা খেয়ে নে, আমিও চা খেয়ে নি, তারপর যুদ্ধ করবো।“
পণ্ডিতমশাই জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন….
"কর্মণ্যেবাধিকারস্যে মা ফলেষু কদাচন"
p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120%; }
হ্যাংলা এসে জানাল, সংস্কৃত পরীক্ষায় মাইনাস দশ পেয়েছে পঞ্চাশের মধ্যে ! তড়িঘড়ি খাতা হাতে নিয়ে প্রথমেই যে ব্যাখ্যাটি খুঁজে পাওয়া গেল সেটি এই প্রকারঃ