মায়ের ছেলে…………..(অজানা কাহিনী)
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১৫তম অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী আত্মস্থানন্দজী মহারাজ একবার বাগবাজার মায়ের বাড়িতে দীক্ষা দিতে এসেছেন। দীক্ষাদানান্তে দুপুরবেলা তিনি বিশ্রাম করছেন নিজের ঘরে। এমন সময় হঠাৎ তাঁর গুরুগম্ভীর গলায় তিনি তাঁর ঘর থেকে ডাকলেন, “এই কে কোথায় আছিস পূজারীকে ডাক!” সবাই তো অবাক হলেন যে মহারাজ হঠাৎ এমন করে পূজারীকে কেন ডাকছেন, যাইহোক মহারাজের আদেশানুসারে তৎকালীন মায়ের বাড়ির পূজারী এসে হাজির হলেন মহারাজের সামনে। মহারাজ তাঁকে দেখে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ গুরুগম্ভীর ভঙ্গিতে বললেন, “তুমি আজ মাকে ছেঁড়া শাড়ি পরিয়েছ? মা এসে আমাকে নালিশ করছে, ‘দেখ ওরা আজ আমাকে ছেঁড়া শাড়ি পরিয়েছে।'” মহারাজের কথা শুনে তো পুজারী সহ উপস্থিত সকলের আত্মারাম খাঁচাছাড়া হবার জোগাড়। পুজারী ভয়ে ভয়ে বললেন, “না তো মহারাজ, আমি তো দেখেই শাড়িই পরিয়েছি রোজকার মতো মাকে।” মহারাজ এই শুনে বিছানা থেকে নেমে সোজা হাঁটা দিলেন মায়ের ঘরের দিকে, বললেন, “আমার সাথে এসো।” উপস্থিত সকলেও মহারাজের পিছু পিছু চললেন। মায়ের ঘরে পৌঁছে মহারাজ পূজারীকে বললেন, “ভালো করে মায়ের শাড়ি দেখো।” পুজারী মহারাজের কথানুযায়ী মায়ের শাড়ি সব ভাল করে পরীক্ষা করলেন এবং দেখলেন, মায়ের পরিহিত শাড়িটি পায়ের কাছে পিছন দিকে সত্যিই ছেঁড়া। উপস্থিত সকলের তখন ত্রাহিমধুসুদন অবস্থা। মহারাজ বললেন, “আমি সবে একটু ঘুমিয়েছি, মা এসে আমাকে ডেকে তুলে বললেন আজ তাঁকে তোমরা ছেঁড়া শাড়ি পরিয়েছ, আমাকে নালিশ করলেন। ভবিষ্যতে যেন এ ভুল আর না হয়।” পূজারী মহারাজ তখনই মায়ের শাড়ি বদল করে দিলেন। এমন বহু দর্শন মহারাজের জীবনে ঘটেছে। এঁরা (রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষরা) হলেন মায়ের প্রিয় ত্যাগী সন্তান। শ্রীশ্রীঠাকুর-শ্রীশ্রীমা এঁদের মধ্যে দিয়েই আমাদের মধ্যে প্রকাশিত হন চিরকাল। তাঁরা স্বয়ং তাঁদের প্রতিভু।(সাবর্ণ)
জয় মা!!!
জয় গুরুমহারাজ জী কী জয়!!!
![]() |
@page { margin: 2cm } h1 { margin-bottom: 0.21cm } h1.western { font-family: “Liberation Serif”, serif } h1.cjk { font-family: “WenQuanYi Micro Hei”; font-size: 24pt } h1.ctl { font-family: “Lohit Devanagari”; font-size: 24pt } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Srimat Swami Atmasthanandaji Maharaj |

