শ্রীকৃষ্ণ গীতায় অর্জুনকে বলেছিলেন,

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

শ্রীকৃষ্ণ গীতায় অর্জুনকে বলেছিলেন,

“*তোমার আমার এর আগে অনেক জন্ম হয়েছে। আমার সে সব জন্মের কথা মনে আছে, আর তুমি সব ভুলে গেছো।*”
একজন্মের চেষ্টার ফল অন্যজন্মে থেকে যায় বলে,
বর্তমানে আমাদের কতটা সামর্থ্য আছে,
____তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে জ্ঞানলাভের পথে সোজা এগিয়ে যাবার জন্য লেগে পড়তে হয় ।
এ পথে যেখান থেকেই যাত্রা শুরু করা হোক না কেন, তাতে কিছু আসে যায় না ।
তা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে মনে কখনো হতাশার প্রশ্রয় দিতে নেই।
এমন কোন গর্হিত কর্ম নেই, যা করলে মানুষ চিরদিনের মত নষ্ট হয়ে যায়।
জীবনপথের যে কোন স্থানে দাঁড়িয়ে, তা সে যত নীচুই হোক না কেন,
মানুষ যখনই নিজের ভুল বুঝতে পারে,
যখনই অশান্তি, নিরানন্দ ও ভয়ের হাত থেকে রেহাই পাবার জন্য
_____তার মনে সত্যলাভের ইচ্ছা জাগে তখনই সেখান থেকেই
সত্যের দিকে মুখ ফিরিয়ে যাত্রা শুরু করতে হয় । তাহলে একদিন না একদিন সে সত্য লাভ, অসীম আনন্দ ও অমৃতত্ব লাভ করতে পারবেই ।
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

(কতখানি ভরসার কথা শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন এর পরেও কেন আমরা চেষ্টা করবো না ঈশ্বর লাভের জন্য , কেন প্রার্থণা করবো না!!!!!)

যমরাজও নচিকেতা কে নিন্মোক্ত কথাগুলি বলেছিলেন যখন নচিকেতা যমরাজের কাছে আত্মজ্ঞান লাভের পথ জানার জন্য প্রার্থণা করেছিলেন:::

  1. *আন্তরিক চেষ্টা থাকলে সকলেই আত্মজ্ঞান লাভ করতে পারে ।*
  2. *এ জন্মের চেষ্টায় পথের শেষে পৌঁছুতে না পারলেও,
 মানুষ এ পথে যতটুকু যায়,
ততটুকুই সে এগিয়ে থাকে ;
একজন্মে যতখানি উন্নতি সে করে, ততখানি উন্নত মন নিয়েই আবার জন্মায়।
পরের জন্মে এগিয়ে চলে তারপর থেকে ;
___প্রথম থেকে শুরু করতে হয় না আর।

  1. *মৃত্যুকালে শরীর টাই নষ্ট হয়, মনের কিছু হয় না* ;
  2. *তাই নতুন দেহে মনের গঠন একই থাকে।*
জয় মা ।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started