পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ
লেখক:: অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
কোনও দিন বা মন্দিরে মাকে শয়ন দিচ্ছে, হঠাৎ সেই শূণ্যরূপাকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠল গদাধর ::” আমাকে তোর কাছে শুতে বলছিস? আচ্ছা শুচ্ছি তোর বুকের কাছ। ” মা‘র সর্ব অঙ্গে বাৎসল্য, দুই চোখে স্নেহসিঞ্চিত লাবনী। হাত পা গুটিয়ে ছোট্টটি হয়ে মা‘র রুপোর খাটে শুয়ে পড়ল গদাধর। নীলনিবিড় মেঘমন্ডলের কোলে ক্ষীণ শশীকলা।
ভোগ নিবেদন করছে, কালীঘরে এক বেড়াল এসে উপস্থিত। ঘুরছে আর মিউ–মিউ করছে। ওমা, মা এসেছিস? খাবি মা? খা। ভোগের অন্ন বেড়ালকে খাওয়াতে বসল গদাধর।
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
গণেশ একবার মেরেছিল একটা বেড়ালকে। ভগবতী বললেন, তুই আমাকে মেরেছিস। আমার সর্ব অঙ্গে যন্ত্রণা। গণেশ তো হতবুদ্ধি। মাকে সে মারবে? এই দ্যাখ, তোর মারের দাগ আমার গায়ে ফুটে রয়েছে। লজ্জায়, অনুশোচনায় মাটির সঙ্গে মিশে গেল গণেশ। যা মার্জারী তাই ভগবতী।
। ওঁ ভগবতে শ্রীরামকৃষ্ণায় নম: ।।
