নৃত্য-নাট্যে আকৃতি শিল্পী গিরিশচন্দ্রের মূল্যায়ন খুবই মূল্যবান

নৃত্য-নাট্যে আকৃতি শিল্পী গিরিশচন্দ্রের মূল্যায়ন খুবই মূল্যবান
নৃত্য-নাট্যে আকৃতি শিল্পী গিরিশচন্দ্রের মূল্যায়ন খুবই মূল্যবান 

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

নৃত্যনাট্যে আকৃতি শিল্পী গিরিশচন্দ্রের মূল্যায়ন খুবই মূল্যবান তিনি নৃত্য‘ শীর্ষক প্রবন্ধে লিখেছেন , “কঠোর তিতিক্ষাশালী প্রকাশানন্দ যে গৌরাঙ্গের নৃত্যদর্শনে উন্মত্ত হইয়াছেন একথা প্রত্যয় করিতে পারিতাম না কিন্তু প্রত্যয় করিতে বাধ্যআমরা যে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের নৃত্য দেখিয়াছি | ‘নদে টলমল করে‘ মৃদঙ্গতালে গান হইতেছেশ্রীরামকৃষ্ণ দেব নাচিতেছেন যে ভাগ্যবান দেখিয়েছেন – আমরা দর্শন করিয়াছিলেন তিনি প্রত্যক্ষ দেখিয়াছেন যে ভাবপ্রবাহে  পৃথিবী_টলটলয়ামানা কেবল নদে টলমল করিতেছে নাসমস্তই টলটলয়ামানা যে সে নাচ দেখিয়াছেনতৎসময়ে পরমার্থ তাহার প্রাণ ধাবিত হইয়াছেসন্দেহ নাই নাচের এতদূর শক্তি ,  সৌন্দর্য যে তাহার ভিত্তি দর্শকগনের ওপর প্রভাব হত অতুলনীয় ভাবোজ্জল পরিবেশে যে মৌতাত জমে উঠততাতে উপস্থিত ব্যাক্তিদের অন্তরের দীপ জ্বলে উঠত তাঁর কীর্তন নৃত্যের মৌলিকত্ত বিষয়ে মহেন্দ্র নাথ দত্ত লিখেছেন , ” পরমহংস মশায়ের কীর্তনের মধ্যে দেহ ভাবরাশির শক্তি ধারন করিতে পারিত না বলিয়া কখনও বা অঙ্গ সঞ্চালন হইত কখনও বা দেহ নিস্পন্দ হইয়া যাইত সাধারন লোকের কীর্তন হইত গতি হইতে ভাবআর পরমহংস দেবের নৃত্য হইতে ভাব হইতে গতিতে সাধারন লোকের নৃত্য হইত নরনৃত্য আর পরমহংস মশায়ের নৃত্য হইত দেব নৃত্য যাহাকে চলিত কথায় বলে শিবনৃত্য একটি বিষয়ে আমি বিশেষভাবে লক্ষ্য করছি যে কীর্তনকালে পরমহংস মাশাই এর পদসঞ্চালন প্রথম যে পরিধির ভিতর হইততাহার পর উহা এক ইঞ্চি আগে যাইত না বা পিছনেও যাইত না ঠিক যেন কাঁটায় কাঁটায় মাপ করিয়া তাঁহার পদসঞ্চালন হইত 
ভাবাবেশে শ্রীরামকৃষ্ণের নৃত্যের সঙ্গে এক বিশেষ নৃত্যের মিল খুজে পাওয়া যায় 
মাদ্রাজ রামকৃষ্ণ মঠের প্রাচীন সন্ন্যাসীদের মুখে শোনা যায় যে স্বামী ব্রহ্মানন্দ নাকি নটরাজ মূর্তি দর্শন করে অতীব বিস্মিত ও পুলকিত হয়ে বলেছিলেন যে শ্রীশ্রী ঠাকুর যখন ভাবাবেশে নৃত্য করতেন তখন পায়ের ভঙ্গি ঠিক  নটরাজের পায়ের ভঙ্গির মতই দেখা যাইত এছারা আরও মিল খুঁজে পাওয়া যায় কেশববাবুর বাড়িতে তোলা সমাধিস্থ ছবিতে ঠাকুরের দাঁড়ানো অবস্থার হাতের  যে বরাভীতি” মুদ্রা দেখা যায় তার সঙ্গে  শিবের হস্তের ” মৃগমুদ্রা” তুলনীয় শ্রীশ্রী ঠাকুরকে শ্রীগুরু মুর্তিরূপে ঐং” বীজে পুজো ও হর হর” ” শিব শিব” বলে আরতি করা হয় | (সর্ত্রই দক্ষিণামূর্তি শিব শ্রীগুরুমূর্তি বলে পরিচিত )| শ্রীশ্রী ঠাকুরের স্তবে স্বামীজী ঔঁ হ্রীং‘ বলে শুরু করেছেনআর সশক্তিক শ্রীগুরুদেবের শরণ‘ প্রাথর্না করেছেন  ঠাকুরের আরতিতে ধে ধে ধে লঙ….. বাজে মৃদঙ্গ” শিবের তান্ডব নৃত্যের তাল এবং স্তবের মোহষ্কর্ষং” অজ্ঞানতিমিরহারী  শ্রীগুরুমূর্তি স্মরণ করায় 
জয় ঠাকুরজয় মাজয় স্বামীজী
জয় বাবা ভোলামহেশ্বর শিবায় নম

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started