ঠাকুর একদিন ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের বিজ্ঞান চেতনার দর্পচূর্ণ করেছিলেন।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

SRI RAMAKRISHNA

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

 ঠাকুর একদিন ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের বিজ্ঞান চেতনার দর্পচূর্ণ করেছিলেন। 


ডাক্তার সরকার বিজ্ঞানের বাহিরে কিছু থাকা সম্ভব নয় বলে মাঝে মাঝে মত প্রকাশ করতেন। একদিন ঠাকুর যুবক ভক্তদের ” কে জানে মা কালী কেমন ” গানটি সমবেত কন্ঠে গাইতে বলেন। গাইতে গাইতে অল্পক্ষণের মধ্যেই অনেকের ভাবাবেশ দেখা দিল।

লাটু দাঁড়িয়ে পড়ে সমাধিস্থ হয়ে পড়লেন, নিরঞ্জন তাকে সামলাতে গিয়ে সমাধিস্থ, পিছনের ঘরে বালক মনীন্দ্র সমাধিস্থ। ঠাকুর অন্তর্যামী – দেখতে পাচ্ছেন ডাঃ সরকারের মনের অবিশ্বাস, তাই তাঁকে বললেন – ” তুমি তো একজন বড় ডাক্তার। দেখ দেখি ওদের হঠাৎ এমন হলো কেন?” ডাক্তার সরকার প্রথমে হাত, পা, পরে যন্ত্রযোগে হৃৎপিণ্ড, সর্বশেষে সকলের চোখে আঙুল দিয়ে সবাইকে পরীক্ষা করে ঠাকুরকে বললেন – ” বিজ্ঞান শাস্ত্র মতে এরা সকলেই মৃত।” সমাধিস্থ ভক্তেরা কিছু পরে ঠাকুরকে প্রনাম করতে এলে ডাঃ সরকার বিস্মিত ভাবে বললেন , ” দেখছি এসবই তোমার খেলা। আজ আমি তোমার কাছে পরাজিত। আমার বিদ‍্যাভিমান, এমনকি সকল অভিমানই আজ চূর্ণ হয়ে গেল। তুমি যদি বলো, তোমার দর্শনে এত লোক এসেছে সবার জুতো মালা করে গলায় পর়ে আমি স্বচ্ছন্দে রাস্তায় ঘুরে আসতে রাজি।” শুনে ঠাকুর স্মিত হাস‍্যে বললেন – ” তুমি মহৎ ব‍্যক্তি, তোমার কথাই কাজের সমান।”
——————————-

অনুশোচনার অশ্রুতেই ঈশ্বর লাভ হয় ——

একদিন ভুবনেশ্বরের মঠে পন্ডিত ক্ষীরোদ প্রসাদ বিদ‍্যাবিনোদ অত‍্যন্ত আক্ষেপ নিয়ে স্বামী ব্রহ্মানন্দকে বলছিলেন, ” মহারাজ ঠাকুরকে দেখার সম্ভাবনা ছিল, কিন্তু অদৃষ্টের এমন পরিহাস যে দর্শন করার মানসে বাড়ি থেকে বেরিয়ে দক্ষিণেশ্বরে
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

SRI RAMAKRISHNA
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; direction: ltr; font-variant: normal; color: #181818; letter-spacing: normal; line-height: 120%; text-align: left; orphans: 2; widows: 2; text-decoration: none } p.western { font-family: “Merriweather”, “Georgia”, serif; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } p.cjk { font-size: 15pt } p.ctl { font-family: “inherit”; font-size: 15pt; font-style: normal; font-weight: normal } a:link { so-language: zxx }

যাবার জন্য আলমবাজার পর্যন্ত গিয়ে মনের মধ্যে নানা ভাব ওঠাতে আর যাওয়া হয়ে ওঠেনি, ওখান থেকেই ফিরে এলাম। ” এই কথা বলে তিনি অশ্রু বিসর্জন করছেন, আর খালি বলছেন , ” আমি হতভাগা “। এতে মহারাজ বলছেন, ” আপনি আলমবাজার পর্যন্ত গেলেন তো , ওতেই দর্শন হয়েছে।” ক্ষীরোদ প্রসাদ নয় মস্তকে অশ্রু বিসর্জন করতে করতে বলছেন, ” না মহারাজ আমি হতভাগা, আমার দর্শন হয়নি।” মহারাজ গুরুগম্ভীর স্বরে বলছেন – ” আমি বলছি আপনার দর্শন হয়েছে।” কন্ঠস্বরে চমকে উঠে তাকিয়ে দেখলেন , মহারাজের স্থান বসে আছেন স্বয়ং ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেব।

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started