VISIT TODAY RAMAKRISHNA II ঠাকুরের প্রতি তাঁহার প্রগাঢ় ভক্তি ও ঐকান্তিক নিষ্ঠা দেখিয়া অনেকে তাহাকে ভক্ত হনুমান মনে করিত

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(শরৎ-স্মৃতি মহারাজ) রেঙ্গুন সহরে আসিলেন। ভগবান রামকৃষ্ণদেবের অন্তরঙ্গ । লীলাসহচরদিগের মধ্যে স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ভক্ত ; ঠাকুরের প্রতি তাঁহার প্রগাঢ় ভক্তি ও ঐকান্তিক নিষ্ঠা দেখিয়া অনেকে তাহাকে ভক্ত হনুমান মনে করিত। তঁাহার ন্যায় বৈদান্তিক পণ্ডিত ও ত্যাগী যােগী পুরুষের ব্রহ্মদেশে এই প্রথম পদার্পণ। তিনি বৌদ্ধপ্লাবিত ব্রহ্মদেশে সর্বপ্রথম ঠাকুরের বাণী প্রচার করিয়া যান। ইহার ফলে ১৯২০ খ্রীষ্টাব্দে রেঙ্গুন সহরে স্বামী শ্যামানন্দ মহারাজের উদ্যোগে ও অক্লান্ত পরিশ্রমে দেড় শত রােগী থাকিয়া চিকিৎসিত হইতে পারে, এইরূপ একটি বিরাট রামকৃষ্ণ-সেবাশ্রম ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে ও সম্প্রতি একটি বৃহৎ রামকৃষ্ণ মঠের নির্মাণকার্য আরম্ভ হইয়াছে। সাধকশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ রামকৃষ্ণানন্দের নৈষ্ঠিকী ভক্তির জীবন্ত সৌম্য মূর্তিখানি দেখিয়া শরৎচন্দ্র তাঁহার প্রতি আকৃষ্ট হইয়া পড়িলেন, তাহার সঙ্গলাভ করিয়া জ্ঞান-পিপাসার শান্তি হইতে পারে ভাবিয়া যে কয়দিন স্বামীজী রেঙ্গুনে ছিলেন, প্রতিদিন সময় বুঝিয়া তাঁহার নিকট আসিয়া শরৎচন্দ্র নির্জনে আত্মকাহিনী জ্ঞাপন করিতেন ও তত্ত্বকথা শ্রবণ করিয়া ধন্য হইতেন। | স্বামীজী কয়েকদিন বিভিন্ন সম্প্রদায় কতৃক আমন্ত্রিত হইয়া সাধারণ সভায় ধর্ম সম্বন্ধে বক্তৃতা দিয়াছিলেন। তিনি কোন নির্দিষ্ট মতবাদ প্রচার করিতেন না। শুধু ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব বিভিন্ন ধর্মমতের সার সত্যটুকু নিজ সাধনার দ্বারা যেরূপ উপলব্ধি করিয়া গিয়াছেন, তাহাই ওজস্বিনী ভাষায় ব্যাখ্যা করিয়া ব্যক্ত করিতেন। তাঁহার ভাষায় ও ভাবে কোনরূপ সাম্প্রদায়িক ভাব না থাকায় উহা সকল সম্প্রদায়ের শ্রোতার উপর মন্ত্রশক্তির মত কার্য করিত। যেদিন সাধারণ সভায় বক্তৃতা থাকিত না, সেদিন স্বামীজী নিজ নির্দিষ্ট বাসায় বসিয়া সন্ধ্যাকালে সমবেত ভক্তবৃন্দকে ধর্ম-উপদেশ দিতেন। অনেক মাদ্রাজী ভক্ত এই সান্ধ্য-সম্মেলনীতে যােগদান করিতেন। শরৎচন্দ্র এ সময় উপস্থিত হইলে স্বামীজী তাহাকে

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started