প্রশ্ন : মহারাজ, ধ্যানের পক্ষে কীরকম স্থান অনুকূল বা প্রশস্ত?

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna



(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
প্রশ্ন : মহারাজ, ধ্যানের পক্ষে কীরকম স্থান অনুকূল বা প্রশস্ত ?

মহারাজ: মহাপুরুষ মহারাজ (স্বামী শিবানন্দ) একজায়গায় বলেছেন : “চাঁদের আলােয় ধ্যান করতে নেই। কারণ, চাঁদের আলােয় মনে অন্যরকম ভাবের সৃষ্টি হয়। বিলাসিতার ভাব আসে। ধ্যানের জন্য খােলা মাঠ, পর্বত, নদীর কূল—এগুলি প্রশস্ত। সমুদ্রের তীর প্রশস্ত নয়। সেখানে খুব বাতাস বয়। আবার একেবারে বাতাসহীন স্থানও ধ্যানের অনুকূল নয়। ধ্যানের জন্য গুহা অনুকূল। “তাই যােগী ধ্যান ধরে হয়ে গিরিগুহাবাসী।” রাজা মহারাজ (স্বামী ব্রহ্মানন্দ) বলেছেন : “এক এক জায়গা এক এক সময় ধ্যানের জন্য অনুকূল।” তা-ও আছে। স্থান-মাহাত্ম আছে। উঁচু পর্বত ধ্যানের স্থান। আমরা দেখেছি, পুরী ভজন-কীর্তনের অনুকুল স্থান—ধ্যানের স্থান নয়। ওখানে ভজন-কীর্তনের একটা ভাব আসে। এসব যাই হােক, আসল কথা—আগ্রহ । আগ্রহ থাকলে যেকোন খানেই হবে। ঠাকুরের জীবনটা দেখলেই হয়। সমগ্র জীবনের সকল সাধনাই তিনি একজায়গায় থেকে করলেন। আমাদেরও যেকোন উপায়ে ঠাকুরকে মনে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখার চেষ্টা করে যেতে হবে। মন একাগ্র হলে স্বাভাবিকভাবে ধ্যান হতে থাকবে। এপ্রসঙ্গে উত্তরকাশীর একটি ঘটনা মনে পড়ছে। একজন প্রবীণ সাধু লক্ষ করলেন যে, একজন নবীন সাধু বারবার ধ্যানের স্থান পরিবর্তন করছেন। জিজ্ঞাসা করলেন—“কেন এমনটা করছ?” যুবক সাধু বললেন—“যেখানেই বসছি, গাছের ওপর পাখিগুলি খুব কিচিরমিচির করছে।” একথা শুনে বৃদ্ধসাধু বললেন—“বাবা, আগে নিজের মনের কিচিরমিচির বন্ধ কর।” 



(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
প্রশ্ন : ধ্যান তাে একপ্রকার কল্পনা, মহারাজ ? কল্পনা কী করে সদ্বস্তুর অনুভব আনবে ? 

মহারাজ : ধ্যান এবং কল্পনার ভিতর তফাৎ আছে। কল্পনা হচ্ছে অবাস্তব বিষয়ের চিন্তা করা—যে-বিষয় বাস্তবে নেই। আর ধ্যানে যে-বিষয়ের চিন্তা করা হয় তার অস্তিত্বে আমরা বিশ্বাস করি। বিশ্বাস করি যে, আমাদের ধ্যানের বস্তুর অস্তিত্ব আছে। যদিও এখন আমরা কল্পনার সাহায্যেই ধ্যান করার চেষ্টা করছি, তবু সেটা নিছক কল্পনা নয়। অবাস্তব জিনিসের, যার কোন প্রকৃত সত্তা নেই—তার চিন্তা হল কল্পনা। যেমন, আকাশে বাগান কল্পনা করা। এটার বাস্তবে অস্তিত্ব নেই। এটা শুধুই কল্পনা। আকাশে বাগান থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু ধ্যানের বিষয়বস্তুর অস্তিত্বে আমরা অবিশ্বাস করি না। স্বামীজী একজায়গায় বলেছেন যে, যদি আমাদের প্রকৃত স্বরপ ব্রহ্মত্ব না হতাে, হাজার মনন-নিরিধ্যাসন আমাদের ব্রহ্মস্বরূপ উপলদ্ধি করাতে পারত না। যেহেতু আমাদের সত্তা ব্রহ্মত্ব-মনন-নিরিধ্যাসন কেবল সেই স্বরূপের বিপরীত জ্ঞান বা অনুভবকে দূর করে আমাদের স্বরূপ অনুভবে সাহায্য করে। 

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started