![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
প্রশ্ন :- ধ্যানের সময় চোখ বুজতে হয় কেন? ঠাকুরের ছবির দিকে চেয়ে। থাকলে হয় না?
মহারাজ : চোখবুজতে হয় কারণ, মনে হয় আমরা ঠাকুরের ছবির দিকে তাকিয়ে আছি কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এটা–ওটা দেখছি, চোখএদিক–ওদিক চলে যাচ্ছে। চোখ সর্বদা এক জায়গায় থাকে না। অনেকে একটা বিন্দুতে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে চেষ্টা করে। কিন্তু দৃষ্টি একটা বিন্দুতে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। তাই চোখ বুজতে হয়। চোখ বুজলে বাইরের বিক্ষেপগুলি প্রতিহত হল। এখন শুধু ভিতরের বিক্ষেপগুলিকে দূর করার চেষ্টা। চোখ খুলে রাখলে ভিতর ও বাহির দুদিকের বিক্ষেপই রয়ে গেল। সুতরাং চোখ বুজে –ধ্যান করলে বিক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই অনেকটা কমে যায়। –ধ্যান করতে করতে ভিতরের বিক্ষেপও দূর হয়। –ধ্যান মানে বিজাতীয় বৃত্তির নিরাকরণ এবং স্বজাতীয় বৃত্তির সন্ততি। প্রকৃত –ধ্যানে –ধ্যান, ধ্যাতা ও ধ্যেয় এক হয়ে যায়। মন তখন থাকে না। কারণ, মন মানেই সঙ্কল্প–বিকল্প অর্থাৎ চঞ্চলতা। মন যখন একেবারে স্থির, তখন মন আর থাকে না। এজন্যই বলা হয়–ধ্যান, ধ্যাতা ও ধ্যেয় এক হয়ে : যায়।
আরেকটা কথা—ধ্যানের সময় ইষ্টের সত্তার কথা মনে রাখতে হয়। যেমন, এখন আমি ঠাকুরের সমাধির ছবিটি –ধ্যান করছি। পুরােটা সবসময় আসছে না। কখনাে মুখটা দেখছি, কখনাে বুকের ওপর কাপড়টা দেখছি। এরকম করতে করতে যখন –ধ্যান গাঢ় হবে তখন ঠাকুরের মন, ঠাকুরের দৃষ্টি কোন্ গভীরে রয়েছে অর্থাৎ তার সত্তার গভীরে আমরাও ডুব দেব। এখন আপাতদৃষ্টিতে ঠাকুরের ছবিটি দেখে আমরা বুঝতে পারব যে, ঠাকুরের দৃষ্টি কোন্ গভীরে চলে গেছে। কিন্তু যতই আমাদের –ধ্যান গভীর হবে, যতই গভীরভাবে চিন্তা করব ততই ঠাকুরের সত্তার পরিচয় আমরা পাব।
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

