![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx } |
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Shivananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
BANERSHAR SHIVA LINGA
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Vivekananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
মহারাজ : উঠে পড়বে কেন? চেষ্টা করবে যাতে বসে। তাতেও না হলে কিছুটা করে সদগ্রন্থাদি পাঠ করে নেবে। আবার বসার চেষ্টা করবে। ধ্যানজপের সময় মনে যেসব ভরা আছে, সেগুলােই ওঠে। মনের তাে এখনই সে জোর নেই যে, বাজে চিন্তা সরিয়ে দিয়ে ঠাকুরের চিন্তা করবে। কাজেই এগুলি হবেই। উপায়—যথাসম্ভব মন থেকে অন্য চিন্তা সরিয়ে তার চিন্তা বেশি করে করা। নইলে যা দিয়ে মন ভর্তি সেই ফুটগুলােই উঠবে। আর সেগুলােই মনকে চঞ্চল করে তােলে এবং সাধককে আসন থেকে উঠতে যেন বাধ্য করে। আসল কথা কী, সারাটা দিন কাজকর্ম করে, গল্পগুজব করে, নানাভাবে সময় কাটিয়ে সামান্য সময়ের জন্য সাধনভজন করতে বসা। সাধনভজন কি এতই সােজা ? এমন করে কি হয় ? প্রতিটি মুহূর্ত চলে যাচ্ছে, দিনগুলি বৃথা কেটে যাচ্ছে—একথা ভাবলে তাে অস্থির হতে হয়, তখন আর কিছু ভাল লাগে না। আমাদের কোথায় সে–ব্যাকুলতা ? অধিকাংশের ভাবই হল–হচ্ছে–হবে, যাচ্ছি–যাব। যদিও সেরকম তীব্র ব্যাকুলতা সাধারণ মানুষের হয় না। কত বছরের অবিরাম সংগ্রাম ও নিরন্তর সাধনায়, ব্যাকুলতা আসে। অশান্তি চাই। রাজা মহারাজ বলেছেন, মনের মধ্যে তাকে না পাওয়ার একটা অশান্তি জাগিয়ে রাখতে হয়। খুব বড় কথা। অশান্তি অগ্রগতির মূল। না পাওয়ার অশান্তি চাই।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});




