![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Ma Bhabatarini (Kali)
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Shivananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
BANERSHAR SHIVA LINGA
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Vivekananda
|
প্রশ্ন : জপ ধ্যানের সময় শ্রীশ্রীঠাকুরের মূর্তি চিন্তা করার সময় শ্রীশ্রীমায়ের মূর্তিও মাঝে মাঝে মনে ওঠে। কিন্তু সংশয় হয় যে, যখন ঠাকুরের নাম জপ ও তার ধ্যান করছি তখন মায়ের মূর্তি মনে এলে ঐ মূর্তিই ধ্যান করা উচিত , না মায়ের মূর্তির চিন্তা প্রতিরােধ করে ঠাকুরের মূর্তি মনে আনার চেষ্টা করা উচিত ?
মহারাজ : অনেকের মনে এই সংশয় আসে। এর উত্তর হচ্ছে—যখন ঠাকুরের নাম জপ করছি তখন ঠাকুরের মূর্তিই বিশেষ করে মনে কেন্দ্রিত হওয়া উচিত। তবে মা আর ঠাকুর যে অভিন্ন, মা একথা নিজেও বলেছেন। কিন্তু মূর্তি তাে ভিন্ন। কাজেই , যখন ঠাকুরের চিন্তা করব , তখন ঠাকুরেরই মূর্তি চিন্তা করব। তারপরে অবশ্য মাকে ঠাকুরের সঙ্গে অভিন্ন বুদ্ধিতে চিন্তা করতে পারি। একসঙ্গে এটা করব , না , ওটা করব—ওরকম সংশয় মনে রাখা ঠিক নয়। মনকে যখন কেন্দ্রীভূত করার জন্য জপ করছি , ” তখন একটি মূর্তিতেই মনকে নিবিষ্ট করা প্রয়ােজন। তবে ঠাকুরের সন্তানেরা কখনাে কখনাে একই জনকে দুটি মন্ত্রও দিয়েছেন। এক্ষেত্রে একসঙ্গে তাে আর দুটি মন্ত্রই জপ করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে আগে ঠাকুরের মন্ত্র জপ করে তারপরে মায়ের মন্ত্র জপ করতে হবে। আর তােমরা যা বলছ, সেক্ষেত্রে ঠাকুরের মন্ত্র জপ করার সময় ঠাকুরের মূর্তিই আগে চিন্তা করতে হয়। তারপর ইচ্ছা হলে মায়ের মূর্তি চিন্তা করতে পার। এর জন্য আলাদা কোন মন্ত্র জপ করার দরকার নেই। এ হল বাস্তবসম্মত কথা। তবে যদি তােমরা গুরুর কাছে অন্য কোন নির্দেশ পেয়ে থাক, তবে তাই মেনে চলবে। তাতে কোন সংশয় করবে না”
মহারাজ : অনেকের মনে এই সংশয় আসে। এর উত্তর হচ্ছে—যখন ঠাকুরের নাম জপ করছি তখন ঠাকুরের মূর্তিই বিশেষ করে মনে কেন্দ্রিত হওয়া উচিত। তবে মা আর ঠাকুর যে অভিন্ন, মা একথা নিজেও বলেছেন। কিন্তু মূর্তি তাে ভিন্ন। কাজেই , যখন ঠাকুরের চিন্তা করব , তখন ঠাকুরেরই মূর্তি চিন্তা করব। তারপরে অবশ্য মাকে ঠাকুরের সঙ্গে অভিন্ন বুদ্ধিতে চিন্তা করতে পারি। একসঙ্গে এটা করব , না , ওটা করব—ওরকম সংশয় মনে রাখা ঠিক নয়। মনকে যখন কেন্দ্রীভূত করার জন্য জপ করছি , ” তখন একটি মূর্তিতেই মনকে নিবিষ্ট করা প্রয়ােজন। তবে ঠাকুরের সন্তানেরা কখনাে কখনাে একই জনকে দুটি মন্ত্রও দিয়েছেন। এক্ষেত্রে একসঙ্গে তাে আর দুটি মন্ত্রই জপ করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে আগে ঠাকুরের মন্ত্র জপ করে তারপরে মায়ের মন্ত্র জপ করতে হবে। আর তােমরা যা বলছ, সেক্ষেত্রে ঠাকুরের মন্ত্র জপ করার সময় ঠাকুরের মূর্তিই আগে চিন্তা করতে হয়। তারপর ইচ্ছা হলে মায়ের মূর্তি চিন্তা করতে পার। এর জন্য আলাদা কোন মন্ত্র জপ করার দরকার নেই। এ হল বাস্তবসম্মত কথা। তবে যদি তােমরা গুরুর কাছে অন্য কোন নির্দেশ পেয়ে থাক, তবে তাই মেনে চলবে। তাতে কোন সংশয় করবে না”
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});




