![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
প্রশ্ন : মহারাজ, আমরা তাে ধ্যান ছাড়াও জপ করি। আবার জপ করার সময় ধ্যানও তাে করতে হয়, তাই না?
মহারাজ : ধ্যান ও জপ আলাদা কিছু নয়। দুটো প্রকৃতপক্ষে একই, ‘ একাগ্র মনে জপ করা ধ্যানই। তাই জপ করতে করতে ঠাকুরের মূর্তি ধ্যান করতে হয়। আর ধ্যান মানে আমরা বুঝি ঠাকুরের মূর্তিচিন্তা। এই ঠাকুরের বসা ছবিটি মনে করার চেষ্টা করা। আসলে ধ্যান মানে শুধু মূর্তিচিন্তা করা নয়। ধ্যান হচ্ছে তত্ত্বচিন্তা, স্বরূপচিন্তা। ধ্যানের সময় ঠাকুরের স্বরূপচিন্তা করতে হয়। স্বরূপচিন্তা কিন্তু গুণচিন্তন বা লীলাচিন্তন নয়। যার লীলা যার গুণ চিন্তন করছি—তার চিন্তা করা হচ্ছে তত্ত্বচিন্তা বা স্বরূপচিন্তা। আমাদের মন পবিত্র ও সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর হতে থাকলে এটা আমরা ধরতে পারব। এখন আমাদের মন শুধু স্থূল জিনিস ধরতে পারে। তাই আমরা গুণচিন্তন করতে পারি। কিন্তু মন শুদ্ধ হতে থাকলে, সূক্ষ্ম জিনিস মন ধরতে পারবে। তখন ঠাকুরের তত্ত্বচিন্তা সম্ভব। যেমন—ধরা যাক, ঠাকুরের বসা ধ্যানমূর্তিটি। ঠাকুর নিজে বলেছেন : “এ খুব উঁচু যােগের অবস্থা।” আমরা কি কিছু বুঝি? কেন বুঝি না? কারণ, উচ্চ যােগের অবস্থা বুঝতে গেলে যােগী হতে হবে। আমরা যােগী নই, তাই সেটা বুঝতে পারি না। তবে ছবিটিকে গভীরভাবে ধ্যান করলে, দেখলে, চিন্তা করলে একটা জিনিস বােঝা যায়। যদিও এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা অনুভব। নিজের যেমন মনে হয়, তাই বলছি। সেটা হল ঠাকুরের গভীর অন্তর্মুখিতা। চোখদুটি যেন প্রায় বন্ধ। জগৎ যেন তাতে লয় হয়ে গেছে। বাইরের কোন হুঁশই নেই। কী অন্তর্মুখিতা! যেন কোথায় ডুবে রয়েছেন। জগতের হুঁশ নেই। এই অন্তর্মুখী অবস্থায় ঠাকুর কী ভাবছেন বা কিসে ডুবে রয়েছেন, সেটি ধ্যানের সময় আমাদেরও ভাবা দরকার। তাছাড়া ভাবা যেতে পারে যে, যিনি রাম, যিনি কৃষ্ণ-রূপে যুগে যুগে জগৎকল্যাণের জন্য অবতার হয়ে এসেছিলেন—তিনিই এবার (স্বয়ং ভগবান) মায়া অবলম্বনে মানুষ হয়ে শ্রীরামকৃষ্ণরুপে এসেছেন—এরকম। “শিবমহিঃস্তোত্র’-এ এক জায়গায় আছে—শিবকে সম্বােধন করে পুষ্পদন্ত বলছেন—যােগীরা ধ্যানে যে তত্ত্ব চিন্তা করে সেটি তুমিই
“মনঃ প্ৰত্যকচিত্তে সবিধমবধায়াত্তমরুতঃ
প্রভৃষ্যদ্রোমাণঃ প্রমদসলিলােৎসঙ্গিতদৃশঃ।
যদালােক্যাদং হ্রদ ইব নিমজ্জামৃতময়ে।
দধত্যন্তস্তত্ত্বং কিমপি যমিনস্তৎ কিল ভবা।” (২৫)
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
অর্থাৎ, যমাদিযুক্ত যােগীরা শাস্ত্রানুযায়ী প্রাণায়াম-সহায়ে প্রত্যগাত্মাতে মনকে সমাহিত করে পুলকিত শরীরে ও আনন্দাশ্বপূর্ণনেত্রে যে অন্তর্নিহিত অনির্বচনীয় তত্ত্ব দর্শনপূর্বক অমৃতময় হ্রদে নিমজ্জিত ব্যক্তির ন্যায় আহ্লাদিত হয়ে থাকেন, তা অবশ্য তুমিই।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});



