![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Ma Bhabatarini (Kali)
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
BANERSHAR SHIVA LINGA
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Vivekananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
প্রশ্ন: মহারাজ, ঠাকুরকে ‘অবতারবরিষ্ঠ’ বলা হয় কেন ? রাম, কৃষ্ণ—এঁরা কি কেউ কম ?
মহারাজ : না, ঠাকুর—আমাদের ঠাকুর কিনা! কাজেই তিনি বরিষ্ঠ। (হাসি)। একটা দিক আমি বলি যে, বরিষ্ঠ বলার কারণ—তখনকার দিনে—প্রাচীনকালে মানুষের জীবন সহজ সরল ছিল। তার সমস্যাগুলিও জটিল ছিল না। যত দিন যাচ্ছে, তত মানুষের জীবনে জটিলতা বাড়ছে। আর সমস্যাগুলিও জটিল হচ্ছে, সমাধানও দুঃসাধ্য হচ্ছে। এত দুঃসাধ্য ও জটিল সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য শ্রীরামকৃষ্ণের ভিতরে যে অপূর্ব শক্তির প্রকাশ হয়েছে, তা প্রাচীনকালে দরকার ছিল না। এখন দরকার হয়েছে। এইজন্য অবতার যখন আসেন, তখন প্রয়ােজন অনুসারে তার ভিতর থেকে—অনন্ত শক্তির ভিতর থেকে যতটুকু প্রয়ােজন, তিনি ততটুকু বার করেন। অনন্ত শক্তিরপ্রকাশ করে তাে লাভ নেই কিছু, কেউ ধরতে পারবে না। এইজন্য যখন যেমন শক্তির প্রয়ােজন, তখন সে–অবতারেরসেরকম শক্তির প্রকাশ হয়। শ্রীরামকৃষ্ণের ভিতরে বর্তমান যুগের সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য যে–শক্তিরপ্রকাশ হয়েছে, তা অসাধারণ। এই অসাধারণ শক্তিরপ্রকাশের জন্য তাকে অবতারশ্রেষ্ঠবলা হয়। এই একটা দিক।। আরেকটা দিক, প্রাচীনকালে জগৎটা ছােট ছােট খণ্ডে বিভক্ত ছিল। এক খণ্ডের অধিবাসীদের সঙ্গে অন্য খণ্ডের অধিবাসীদের যােগ ছিল । তার ফলে কোন জায়গায় কোন সমস্যা উঠলে সেই খণ্ডের অধিবাসীরা শুধু তাতে যুক্ত হতাে। আর বর্তমান কালে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে মানুষের সর্বত্র অবাধ গতিবিধি হয়েছে। তার ফলে জগতের যেকোন প্রান্তে একটা সমস্যার উদ্ভব হলে তা সমস্ত জগতের সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বর্তমানে ঠাকুরএসে যে সমস্যার সমাধান করেছেন, তাতে সমস্ত জগতের লােক লাভবান হচ্ছে। এই বিশালতা, ব্যাপকতাকে লক্ষ করেও তাকে অবতারশ্রেষ্ঠবলা হয়। প্রাচীনকালে অবতারদেরকর্মক্ষেত্র ছিল সীমিত। ঠাকুরের ক্ষেত্র অসীম। এই দৃষ্টিতে দেখে তাকে অবতারশ্রেষ্ঠবলা হয়। তা না হলে, অবতারেরভিতরে কেউ শ্রেষ্ঠ, কেউ নিকৃষ্ট হলে তাদের অবতার বলা যায় না। ভগবানের অবতার–ভগবান অনন্ত, তার খণ্ড হয় না। তাকে সীমিত করা যায় না। সুতরাং প্রত্যেক অবতারের ভিতরেই অনন্ত শক্তিরয়েছে। কিন্তু তার বিকাশ হয় যুগের প্রয়ােজন অনুসারে। হয়েছে?
প্রশ্ন: মহারাজ, এই যে শক্তির প্রকাশ, এ তাে জড়শক্তি নয়, আধ্যাত্মিক শক্তি।
মহারাজ:- হাঁ, জড়শক্তিনয়, আধ্যাত্মিক শক্তি। প্রাচীনকালে অবতারেরা অস্ত্র–শস্ত্র নিয়ে এসেছেন। কিন্তু এবারে প্রণাম অস্ত্র। গিরিশবাবু বলতেন। এবারে আর কোন অস্ত্র নেই। কোন অবতার কি বলেছেন—আমি কিছু নই, আমি কিছু নই? কোন অবতার বলেননি। ঠাকুর বারবার বলেছেন। এই যে আত্ম–অবলুপ্তি, এটি ঠাকুরের ভিতর যেমন দেখা যায়, আর কোন অবতারের ভিতর তেমন দেখা যায় না। অথবা অবতারদের যারা বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সেই ভাবটি পছন্দ করতেন না। অনন্ত শক্তি ও অলৌকিকত্বের ওপরেই যেন তারা বেশি বিশ্বাস করতেন! আমরা ঠাকুরের ভিতর অনন্ত শক্তিরয়েছে বুঝেও যেমন সাধারণ মানুষের মতাে তাকে গ্রহণ করতে পারছি, পূর্বের অবতারদের এরকমভাবে গ্রহণ করা যেত না।
মহারাজ: একটা কথা বললেন যে, ব্যাপকতার দৃষ্টিতে শ্রীরামকৃষ্ণেরশিক্ষার পরিধি বিশালতম। কিন্তু আগেকার অবতারপুরুষদের শিক্ষাও তাে এখনাে জগৎকে ব্যাপ্ত করছে।
প্রশ্ন মহারাজ : কতদিন পরে?
মহারাজ :অনেকদিন পরে। এখন বিজ্ঞানের উন্নতি হওয়ার ফলে সেটা জগতে এসেছে।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});




