![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi, Swami Vivekananda, Swami Shivananda
|
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
- ঠাকুরের কাছে এই বলে কত কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা করতে লাগলুম, ঠাকুর তুমি এলে, এই কয়জনকে নিয়ে লীলা করে, আনন্দ করে চলে গেলে। আর অমনি সব শেষ হয়ে গেল? তা হলে আর এত কষ্ট করে আসার কি দরকার ছিল ? আমার প্রার্থনা তােমার নামে যারা বেরুবে তাদের মােটা‘ভাত কাপড়ের যেন অভাব না হয়। ওরা সব তােমাকে, আর তােমার উপদেশ নিয়ে একত্রে থাকবে। আর এই সংসার তাপদগ্ধ লােকেরা তাদের কাছে এসে তােমার কথা শুনে শান্তি পাবে।
- ক) ঠাকুর শ্রীমাকে বলতেন –সংসার অনিত্য। সুতরাং “শেয়াল, কুকুরের মতাে কতকগুলি বাচ্চা–কাচ্চা বিইয়ে কি হবে ? এইসব না হলে আছাে ঠাকুরুনটি; থাকবেও ঠাকুরুনটি।”মায়ের ইচ্ছা ছিল সন্তান নেওয়ার। (শ্রীমা সারদা পৃ: ৩৮) খ) একদিন ঠাকুর শুনতে পাইয়াছিলেন – মা বলিতেছেন, খাবার বিড়াল কুকুরে খায় খাক, আমি আর আগলাতে পারব না। (মা.ক. ১/২২৩),
- ঠাকুর বলতেন, “জগৎটাই মিথ্যা। ওরে রামলাল, যদি জানতুম জগৎটা সত্যি তবে তােদের কামারপুকুরটাই সােনা দিয়ে মুড়ে দিয়ে যেতুম। জানি ও সব কিছুই না,ভগবানই সত্যি।”
- মানুষে কি সাধ্য যে আপনি ও মায়ার হাত থেকে তরতে পারে? তাই তাে ঠাকুর এত সাধনা করলেন, সব ফল জীবােদ্ধারে দিয়ে গেলেন।।
- ঠাকুরশত বৎসর সূক্ষ্মশরীরে ভক্তদের হৃদয়ে বাস করবেন। ১০০ বছর পর আবার আসবেন বলেছেন।
- ঠাকুরত্যাগ করেছিলেন বলে এখন আমরা সব তার নামে খাচ্ছি দাচ্ছি। এই বার “ত্যাগ” শিখাইবার জন্য তার আগমন।
- মা বালিয়াছিলেন – “আমি তাে জন্মাবধি কোন পাপ করেছি বলে মনে হয় না। পাঁচ বছরের সময় তাকে (ঠাকুরকে) ছুঁয়েছি। আমি না হয় তখন না বুঝি, তিনি তাে ছুঁয়েছেন, তবে আমার কেন এত জ্বালা? তাকে ছুঁয়ে অন্য সকলে মায়ামুক্ত হচ্ছে, আর আমারই কি এত মায়া? আমার মন রাত দিন উঁচুতে উঠে থাকতে চায়, জোর করে তা আমি নীচে নামিয়ে রাখি – দয়ায় এদের জন্য।”
- কি সব কথা (কথামৃত)। তখন কি জানি মা, এত সব হবে। কি মানুষই এসেছিলেন। কত লােক জন পেয়ে গেল। কি সদানন্দ পুরুষই ছিলেন। হাসি, কথা, গল্প, কীর্তন চব্বিশ ঘন্টা লেগেই থাকত। তাছাড়া তাে আমি কখনও তার অশান্তি দেখি নি।
- ঠাকুরবলতেন মেয়ে যদি সন্ন্যাসী হয়, সে কখনও মেয়ে নয়, সে তাে পুরুষী। গেীরী দাসীকে বলতেন, আমি জল ঢালছি, তুই কাদা মাখ। সংস্কারের ফলে এইরূপ হয়েছে।
- যে আমবাতে ধরেছে, মলুম এর জ্বালায়। জানি না কার পাপ আশ্রয় করলুম। নইলে এদেহে কি রােগ হয়?
- দেশাচার মানতে হয়। তাই বলিয়া দেশাচারের নামে মানুষকে পিষিয়া মারা চলে না।
- সে কি গাে ঠাকুরের নাম কি চারটিখানি কথা যে, অমনি যাবে? ও নাম কিছুতেই ব্যর্থ হবে না। যারা ঠাকুরকে মনে করে এখানে এসেছে, তাদের ইষ্ট দর্শন হতেই হবে। যদি আর কোন সময়ে না হয়, তাে মৃত্যুর পূর্বক্ষণে হবেই হবে।
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }



