ঠাকুর ও স্বামীজীর সম্বন্ধে কয়েকটি স্মৃতিকণা II স্বামী নির্লেপানন্দ II VISIT TODAY RAMAKRISHNA

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

তমসসা মা জ্যোতির্গময়।”—“ন হোঁয়ে ময় আউধ দ্বারকমেরা ভেট বিশ্বাস মাে।” “জয় দেব, জয়মঙ্গলদাতাজগবন্দ্য দয়াল, প্রণমি তব চরণে, প্রভু প্রণমি তব চরণে।” “নাভ কমলমে হ্যায় কস্তুরী, ক্যায়সে ভরম টুটে পশুকারে।” “ক্ষন্তব্যো মেহপরাধঃ শিব শিব ভাে শ্রীমহাদেব শম্ভো।”..“ছাড় মােহ ছাড়রে কুমন্ত্রণা। জানাে তাঁরে তবে যাবে যন্ত্রণা।”..“অমেধ্যপূর্ণে কৃমিসঙ্কুলে স্বভাবদুর্গন্ধ নিরন্তকান্তরে। কলেবরে মুত্রপুরীষভাবিতে রমন্তে মূঢ়। বিরমন্তি পণ্ডিতাঃ”.“ভক্তিহীনঞ্চ হীনঞ্চ দুঃখশােকাতুরং প্রভাে! অনাশ্ৰয়মনাথঞ্চ ত্রাহি মাং মধুসূদন ত্রাহি মাং মধুসূদন।” 
বলছেন,—ভুলিনি। তিনি আমাদের ভালবেসে বশীভূত করেছিলেন। বলেছিলেন, ওরে, তাের জন্যে যে আমি দ্বারে দ্বারে ভিক্ষে করতে পারি।সেই রামরূপ একবার দেখলে রম্ভা, তিলােত্তমা, এদের চিতার ভষ্ম বলে বােধ হয়। 
ভক্ত বলছেন—হে হৃদয়স্বামিন , হে পতিতের নরেন্দ্রনাথ, হে দরদের বীরেশ্বর, হে দরিদ্রের নরেন্দ্র, হে পীড়িতের শুশ্রষাকারী,—আবার বলাে, পুনঃ পুনঃ বলো , অধঃপতিত ঈর্ষাক্রান্ত, ছটাকী অন্তঃকরণবিশিষ্ট আমাদের বলো ,-“তিনি (মানুষ রামকৃষ্ণ, মানুষকে) আমাদের ভালবেসে বশীভূত করেছিলেন।” নিঃস্বার্থ ভালবাসা। ভালবাসা (কারণ উহা চিরদিনই তাই) ভিন্ন মানুষকে, তার অন্তরকে, বশ করা যায় না। চাকরকে বেতন দিয়ে, হুজুর হুজুর বা সেলাম ছিনিয়ে নেওয়া যায় মাত্র। জীবনে এটা একটা বড় সত্য।

লাটু মহারাজ বলতেন,—ভালবাসতে তিনিই (গুরুদেব শ্রীরামকৃষ্ণ) জানতেন। তাঁকে পিতা বলে মানি। শ্রীশ্রীরাখাল বরাহনগর মঠে একজনকে বলিয়াছিলেন,—“গুরুমহারাজ যেমন ভালবাসতেন, তত কি, বাপ-মা ভালবাসে? আমরা তাঁর কি করেছি, যে এত ভালবাসা!..আমরা তাঁর কি করেছি?” 
বলরাম বসুর শ্রীরামকৃষ্ণ স্মৃতিময় পুণ্যবাটীতে একদিন স্বামী বিবেকানন্দ চান্ করেছিলেন। একটি রূপমুগ্ধ কলেজের যুবক খেলতে খেলতে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে বলছেন,—“মশায়, আপনার পায়ের muscle ‘গুলি’ গুলাে ত বড় সুন্দর! তিনি অতি সহজভাবে জবাব দিচ্ছেন—হ্যাঁ  রে, তা হবে না? ঠাকুর যে আমাকে দেখতে বড় ভালবাসতেন—ঐ যুবকের এখন চুল পেকেছে। নাম কালােবাবু। তিনি বলছেন, (ভাবটা তাঁর, ভাষাটা মাত্র আমাদের)—স্বামীজীর সবটাই সুন্দর। তাঁর ঠাট্টা সুন্দর। ছুটোছুটি। মঠে বাঁধানাে প্রশস্ত চাতালে, বিস্তীর্ণ মাঠে, কুকুর, ভেড়া, হরিণ নিয়ে খেলা। গরুর গায়ে হাত বােলানাে। এমনি শুধু শুধু চারদিকে পায়চারি করে ঘুরে বেড়ানাে। সবই সুন্দর!
————————————————————
(রামকৃষ্ণবিবেকানন্দের জীবনালােকে—স্বামী নির্লেপানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, কলিকাতা, পৌষ ১৩৩১ হতে সংকলিত)

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started