শ্রীশ্রীমায়ের সেবক ত্রিগুণাতীতানন্দ II স্বামী অব্জজানন্দ II VISIT TODAY SARADA

শ্রীশ্রীমায়ের সেবক ত্রিগুণাতীতানন্দ II স্বামী অব্জজানন্দ II

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Swami Shivananda
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Swami Shivananda

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

BANERSHAR SHIVA LINGA
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

BANERSHAR SHIVA LINGA

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Sarada Devi
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Sarada Devi

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Swami Vivekananda
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Swami Vivekananda

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

শ্রীশ্রীমায়ের সেবক ত্রিগুণাতীতানন্দ II স্বামী অব্জজানন্দ II

একটা কথা আছে—ভবিতব্য কে খণ্ডাইতে পারে? এ ক্ষেত্রেও তাহাই হইল। গাড়ীখানি খানার নিকটবর্তী হইলে শ্রীমার অকস্মাৎ নিদ্রাভঙ্গ হওয়ায় চন্দ্রালােকে তিনি দেখিতে পাইয়া ব্যাপারটা সব বুঝিলেন। চীৎকার করিয়া গাড়ােয়ানকে গাড়ী থামাইতে বলিয়া স্বয়ং অবতরণ করিলেন এবং সারদা মহারাজকে তাঁহার কৃতকর্মের জন্য যৎপরােনাস্তি ভৎসনা করিয়া হাঁটিয়া খানাটি পার হইলেন। গাড়ীও খালি হওয়ায় উহা নির্বিঘ্নে পার হইয়া আসিল—অবশ্য সারদা মহারাজকে সাহায্য করিতে হইয়াছিল। পরবর্তীকালে শ্রীমা সারদা মহারাজের নিষ্ঠা ও গুরুভক্তির বিশেষ প্রশংসা করিয়া এই গল্পটি আমাদের নিকটে করেন।’
এক হিসাবে স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দের এই আচরণ হঠকারিতা। কিন্তু এই হঠকারিতার মূলে শ্রীমায়ের প্রতি তাঁর যে ভক্তি ও ভালবাসা আমরা লক্ষ্য করি তা তুলনাহীন। আশুতােষ মিত্র শ্রীমায়ের প্রতি স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দের অপূর্ব ভক্তির আর একটি দৃষ্টান্তের উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেনঃ “গােলাপমা একদিন শ্রীমার সমক্ষে বসিয়া সারদা মহারাজের বিষয় গল্প করেন—“যােগেন (যােগীন মা) একবার মার বাড়ীর জন্যে সারদাকে বেশ ঝাল দেখে লঙ্কা আনতে বলেছে। সারদা বাগবাজার থেকে আরম্ভ করে সব দোকানে যায় আর লঙ্কা চাখে ঝাল কি না ? ঐ রকমে চাখতে চাখতে ঝাল না পেয়ে বড় বাজারে গিয়ে হাজির। সেখানে ঝাল পেয়ে দু পয়সার লঙ্কা কিনে নিয়ে আসে। ততক্ষণে তার জিভ ফুলে ঢােল। বাবা, কি গুরুভক্তি” স্বয়ং বলেছেন

: “এ বাড়িতে আমি যখন ছিলুম তখন সারদা আমার কাছে থাকত। সে করত কি “ তা জান?” আমরা শুনিতে আগ্রহান্বিত হইলে অঙ্গুলি দ্বারা ঠাকুরের ভাণ্ডার ঘরের পশ্চিমদিকে দেখাইয়া বলিতে থাকেন—“ওখানে একটা শিউলি গাছ আছে কি?” আমরা বলিলাম, “হ্যাঁ , মা, আছে।”

শ্ৰীমা—“রােজ সন্ধ্যেবেলা একখানা চাদর কেচে শুকিয়ে রাখত। রাতে শুতে যাবার সময় চাদরখানা ঐ গাছতলায় বিছিয়ে রাখত। ভােরে উঠে ফুল তােলবার সময় চাদরখানা গুটিয়ে তার উপর যত ফুল পড়ত, সব নিয়ে আমার পূজোর জন্যে সাজিয়ে রাখত। শিউলিফুল শেষ রাত্তিরে ঝরে কি না, তাই পাছে নােংরা মাটিতে পড়ে অশুদ্ধ হয় সেজন্য ওরকম করত। কি নিষ্ঠা দেখলে?”

স্বামী গম্ভীরানন্দজী লিখেছেন :- কলিকাতা ও জয়রামবাটীতে তিনি [সারদা মহারাজ] অন্য বহুভাবে শ্রীশ্রীমায়ের সেবা করিয়াছেন।ত্রিগুণাতীতানন্দজী তার ইহজীবনের শেষ বারাে বছর ছিলেন আমেরিকায়। প্রবাসে তিনি সর্বদাই শ্রীমাকে স্মরণ করতেন। প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে শ্রীমাকে পাঠাতেন কিছু প্রণামী। তার চোখে শ্রীমা শুধু জননী এবং গুরুই ছিলেন না, ছিলেন ব্রহ্মময়ী’ লীলাবিগ্রহধারিণী স্বয়ং আদ্যাশক্তি।

————————————-

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } সৌজন্যেশতরূপে সারদা’—স্বামী লােকেশ্বরানন্দ (১৯৮৫) @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started