শ্রীশ্রীমায়ের সেবক ত্রিগুণাতীতানন্দ II স্বামী অব্জজানন্দ II VISIT TODAY RAMAKRISHNA

@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

শ্রীশ্রীমায়ের সেবক ত্রিগুণাতীতানন্দ II স্বামী অব্জজানন্দ 

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

উদ্বোধনের ১ম বর্ষের (১৩০৬) ১৮শ সংখ্যায় স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ ‘শারদীয়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে ‘আনন্দময়ীর আগমন’ শিরােনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন। সেখানে তিনি লিখছেন :- মেধস ঋষি সুরথ রাজাকে বলিতেছেন ?

নিত্যব সা জগন্মুর্তিস্তয়া সর্বমিদং ততম 
তথাপি তৎসমুৎপত্তিবহুধা শ্ৰয়তাং মম।।
দেবানাং কার্যসিদ্ধমাবির্ভবতি সা যদা।
উৎপন্নেতি তদা লােকে সা নিত্যাপ্যভিধীয়তে।।

অর্থাৎ সেই জগমূর্তিস্বরূপ সর্বব্যাপী মহামায়া জন্মদিরহিত ও নিত্য হইলেও প্রায়ই ভক্তিদিগের কার্যসিদ্ধির জন্য মধ্যে মধ্যে [ পৃথিবীতে ] আবির্ভূত হন। যখন এইরূপে আবির্ভূত হন, তিনি নিত্য হইলেও তখন তাহাঁকে  “উৎপন্ন” অথবা “অবতার” বলা যায়।

কথাগুলি লেখার সময়ে স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দের মানসনেত্রে কি শ্রীমায়ের মূর্তিটি উদ্ভাসিত হয়ে ওঠেনি? 
শ্রীমায়েরপ্রতি স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দেরঅসাধারণ ভক্তির নিদর্শন হিসেবে একটি ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য। ১৮৯৯ খ্রীষ্টাব্দের ৩০ অক্টোবর শ্রীমা কলকাতা থেকে বর্ধমানের পথে জয়রামবাটী অভিমুখে যাচ্ছেন। সঙ্গে আছেন সেবক সারদা মহারাজ (স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ)। ঘটনাটির বিবরণ শ্রীমায়েরমুখে শুনে শ্রীমায়ের একসময়ের অন্যতম সেবক লিখেছেনঃ- ‘দামােদর পার হইয়া শ্রীমা পাল্কী অভাবে গরুর গাড়ীতে চলিয়াছেন আর সারদা মহারাজ লাঠি কাঁধে  গাড়ীর আগে হাঁটিয়া চলিয়াছেন। রাত্রিকাল—অর্দ্ধরাত্রির উপর -প্রায় তৃতীয় প্রহর শ্রীমাঘুমাইয়া পড়িয়াছেন। সারদা মহারাজ চলিতে চলিতে দেখিতে পাইলেন, রাস্তার খানিকটা একস্থানে বানের জলে ভাঙ্গিয়া গিয়াছে এবং সেখানে এমন একটা খানা পড়িয়াছে যে, সেখান দিয়া গাড়ী যাইবার আদৌ উপায় নাই। যাইতে গেলে গাড়ীর চাকা সেখানে পড়িয়া ভাঙ্গিয়া যায় এবং ঝাঁকড়ানিতে শ্রীমারনিদ্রা ত ভাঙ্গিয়া যাইবেই অধিকন্তু তাঁহার আহত হইবার সম্ভাবনা। অতএব যাহাতে গাড়ীখানা অনায়াসে যায় এবং শ্রীমারনিদ্রাও না ভঙ্গ হয়, এরূপ একটা উপায়স্বরূপ মতলব আঁটিয়া নিজে উপুড় হইয়া ঐ খানায় শুইয়া পড়িলেন, কেহই জানিতে পারিল না, তাহার উদ্দেশ্য ছিল যে, তাঁহার স্থল শরীরের উপর দিয়া গাড়ীখানি যাইতে পারিবে। উদ্দেশ্য অবশ্য তাহার মহৎ ছিল, কিন্তু একবার ভাবিলেন না যে, ঐরূপ করায় তাঁহার মৃত্যু ত অনিবার্য—অধিকন্তু সেই জনমানবহীন স্থানে এবং গভীর নিশাকালে তিনি ব্যতীত শ্রীমাকে কে দেখিবে—কে শ্রীমাররক্ষণাবেক্ষণে মােতায়েন হইবে ?—তিনি যে সে ভার লইয়া কলিকাতা হইতে আসিয়াছেন।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started