শ্রীরামকৃষ্ণ স্তোত্র লেখকঃ – স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
শ্রীরামকৃষ্ণ স্তোত্র লেখকঃ – স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
মার্ কাছে সব ছেলেই সমান। ছাড়াে–লজ্জা ঘৃণা ভয়; ছাড়াে দ্বেষ বুদ্ধি; আত্মাভিমান—বৃথা অহঙ্কার; “ছাড়াে মােহ মায়া”—নির্মল চোখে দেখ; “নয়ন মিলিয়ে দেখ”—হাড়ি ডােম চণ্ডাল, ব্রাহ্মণ শূদ্র, হিন্দু মুসলমান, ছােট বড়, সকলকারই ভিতরে সেই একই মা। বাহিরে দেখিতে ভিন্ন ভিন্ন পিষ্টক—“ভিতরে সেই একই পুর”। যাও “উদ্বোধন”,—গ্রাহক পাঠক, আত্মীয় অনাত্মীয়, পরিচিত অপরিচিত, ছােট বড়, ব্রাহ্মণ শূদ্র, গৃহস্থ সন্ন্যাসী, হিন্দু মুসলমান—সকলকার নিকট নত মস্তকে যাও; নিৰ্ম্মল অন্তঃকরণে যাও। যাও, সকলে যাও।—পূজনীয় ব্যক্তির পূজা কর; স্নেহের যিনি—স্নেহ কর; ভালবাসার—ভালবাস। বন্ধন ছিন্ন কর; অর্গল খুলিয়া দাও, হৃদয়দ্বার উদঘাটন কর। তােমার হৃদয়ের প্রেম, লােকের চরণে দাও; লােকের হস্তে দাও, লােকের হৃদয়ে দাও। দাও,—দাও ও গ্রহণ কর; আজ আমাদের আনন্দোৎসব—হৃদয়ের উৎসব।—হৃদয়ে হৃদয়ে মিলাও; প্রাণ ভরে মিলাও; নিৰ্ম্মল অন্তঃকরণে মিলাও; সহৃদয়তার পরম শান্তি উপভােগ কর।
সকলকার সঙ্গে, ডেকে, অন্তরের সহিত প্রীতি সম্ভাষণ কর। আমরা সবে সেই ব্রহ্মময়ীর সন্তান; সকলকার সহিত মিষ্টিমুখ কর; অমৃত পান কর; আমাদের মা ব্রহ্মময়ী নিজ বক্ষঃস্থল হতে যে অমৃত নিঃসরণ করছেন, সেই অমৃত পান কর। অন্তরে আর কোন রকম মলিন ভাব পােষণ করাে না। মা’র ছায়া আর তা হলে হৃদয়ে পড়বে না—মাকে আর দেখতে পাবে না। অমর হতে পারবে না; ব্রহ্মময়ীর অমৃত ধনে আর অধিকারী হতে পারবে না। আসুন সকলে; দিগদিগন্তর হ’তে আসুন; আজ আমাদের বিজয়া; আজ ভারতে সম্মিলনের দিন। ভারতবাসী যে যেখানে থাকুন, আজ সকলে এক হৃদয় এক আত্মা হউন; এমন সুযােগ আর হবে না। শত্রু মিত্র, আত্মীয় পর, নীচ উচ্চ, ভেদাভেদ, যেন আজ কাহারও ভিতর না থাকে; কোন প্রকার রাগ দ্বেষ যেন কেহ পােষণ না করেন; হৃদয় নিৰ্ম্মল হউক; আজ ভারতবাসী সকলে, হৃদয়ে হৃদয়ে, অন্তরে অন্তরে, এক হউন; এমন সুদিন আর পাব না।।
আজ বিজয়া। এই দিনে ভারতের রাজগণ যুদ্ধযাত্রা করে থাকেন। আসুন ভারতবাসিগণ ! সকলে মিলে আজ আমরা যুদ্ধযাত্রা করি। আমাদিগের চতুর্দিকে রিপু। ঘরে বাহিরে শত্রু। অন্তরেন্দ্রিয় বহিরিন্দ্রিয়—সকলেই বিপক্ষ। সমগ্র ভারত দুর্গা নাম জপ করে এই মহৎ যুদ্ধে কৃতসঙ্কল্প হউন। আজ বিজয়ার দিন, দুর্গানাম লইয়া রণযাত্রা করুন; আমরা নিশ্চয়ই সিদ্ধ–মনােরথ হইব। বালক যুবা বৃদ্ধ, স্ত্রী পুরুষ, ব্রহ্মচারী গৃহস্থ সন্ন্যাসী, জ্ঞানী বা কর্মী, সকলেই নিজ নিজ শত্রু–দমনে তৎপর হউন।
মহাশক্তির উপাসনা করিয়াছি। অনন্ত শক্তিমতী অবতীর্ণা হইয়াছিলেন; নিশ্চয়ই আমরা রিপুজয়ী হইব। প্রাণ ভরে শক্তির পূজা যদি করে থাকি, নিশ্চয়ই আমরা শক্তিমান হইব, সংসারক্ষেত্রে জয়ী হইব। মাকে যদি সত্য হৃদয়ের সহিত আরাধনা করে থাকি, চতুৰ্ব্বর্গ অপেক্ষাও যে শ্রেষ্ঠ ‘পরমার্থ’, তাহাও লাভ করিব সন্দেহ নাই।।
সকলকার সঙ্গে, ডেকে, অন্তরের সহিত প্রীতি সম্ভাষণ কর। আমরা সবে সেই ব্রহ্মময়ীর সন্তান; সকলকার সহিত মিষ্টিমুখ কর; অমৃত পান কর; আমাদের মা ব্রহ্মময়ী নিজ বক্ষঃস্থল হতে যে অমৃত নিঃসরণ করছেন, সেই অমৃত পান কর। অন্তরে আর কোন রকম মলিন ভাব পােষণ করাে না। মা’র ছায়া আর তা হলে হৃদয়ে পড়বে না—মাকে আর দেখতে পাবে না। অমর হতে পারবে না; ব্রহ্মময়ীর অমৃত ধনে আর অধিকারী হতে পারবে না। আসুন সকলে; দিগদিগন্তর হ’তে আসুন; আজ আমাদের বিজয়া; আজ ভারতে সম্মিলনের দিন। ভারতবাসী যে যেখানে থাকুন, আজ সকলে এক হৃদয় এক আত্মা হউন; এমন সুযােগ আর হবে না। শত্রু মিত্র, আত্মীয় পর, নীচ উচ্চ, ভেদাভেদ, যেন আজ কাহারও ভিতর না থাকে; কোন প্রকার রাগ দ্বেষ যেন কেহ পােষণ না করেন; হৃদয় নিৰ্ম্মল হউক; আজ ভারতবাসী সকলে, হৃদয়ে হৃদয়ে, অন্তরে অন্তরে, এক হউন; এমন সুদিন আর পাব না।।
আজ বিজয়া। এই দিনে ভারতের রাজগণ যুদ্ধযাত্রা করে থাকেন। আসুন ভারতবাসিগণ ! সকলে মিলে আজ আমরা যুদ্ধযাত্রা করি। আমাদিগের চতুর্দিকে রিপু। ঘরে বাহিরে শত্রু। অন্তরেন্দ্রিয় বহিরিন্দ্রিয়—সকলেই বিপক্ষ। সমগ্র ভারত দুর্গা নাম জপ করে এই মহৎ যুদ্ধে কৃতসঙ্কল্প হউন। আজ বিজয়ার দিন, দুর্গানাম লইয়া রণযাত্রা করুন; আমরা নিশ্চয়ই সিদ্ধ–মনােরথ হইব। বালক যুবা বৃদ্ধ, স্ত্রী পুরুষ, ব্রহ্মচারী গৃহস্থ সন্ন্যাসী, জ্ঞানী বা কর্মী, সকলেই নিজ নিজ শত্রু–দমনে তৎপর হউন।
মহাশক্তির উপাসনা করিয়াছি। অনন্ত শক্তিমতী অবতীর্ণা হইয়াছিলেন; নিশ্চয়ই আমরা রিপুজয়ী হইব। প্রাণ ভরে শক্তির পূজা যদি করে থাকি, নিশ্চয়ই আমরা শক্তিমান হইব, সংসারক্ষেত্রে জয়ী হইব। মাকে যদি সত্য হৃদয়ের সহিত আরাধনা করে থাকি, চতুৰ্ব্বর্গ অপেক্ষাও যে শ্রেষ্ঠ ‘পরমার্থ’, তাহাও লাভ করিব সন্দেহ নাই।।
“আমাদের যা কিছু, সবের মূল ঠাকুর—তিনিই আদর্শ। যা কিছু কর না কেন, তাকে ধরে থাকলে কোনাে বেচাল হবে না।”
—শ্রীশ্রীমা সারদাদেবী
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }


