![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx } |
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi, Swami Vivekananda, Swami Shivananda
|
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বক্তৃতা—সভাপতির অভিভাষণ, ভাষার সরলতা আবশ্যক—সভাপতি দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয় বক্তৃতাটী পাঠ করিয়াছিলেন। সাহিত্য–পরিষৎ পত্রিকায় ইহার নাম দেওয়া হইয়াছে “সভাপতির অভিভাষণ”। সভাপতি “সভাস্থ সজ্জনগণ” এই বাক্য দ্বারা সভাকে সম্বােধন করিয়া সুদীর্ঘ বক্তৃতা আরম্ভ করিতেছেন। বক্তৃতাটীর ভাষা অতি স্বাভাবিক, সুললিত, মধুর এবং নূতন–ধরণের। এরূপ ধরণ বাঙ্গালা গদ্যের যথেষ্ট উন্নতি করিবে। ভাষা যতই স্বাভাবিক হইবে, ততই মিষ্ট ও প্রশংসনীয়। যে ভাষায় মন ও মুখ এক করিয়া বলা বা লেখা যায় না, সে ভাষা ভাষাই নয়। সে ভাষা সরল ভাষা নয়—কপট। মনে ভাবছি এক,—হয়ত মুখে কইছি এক—আর লেখবার সময় লিখছি আর এক —ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সভ্য ক’রে হয়ত এমন এক লিখতে হইল যে, যাকে লিখছি সে মূর্খতাবশতঃ বুঝতেই পারিল না; হয়ত, এমনও হইতে পারে,—ভাবছি যা, লেখবার সময় আর তা বেরুচ্ছে না; কেমন ক’রে বেরুবে বলুন, বলবার ভাষা এক রকম, আর লেখবার ভাষা আর এক রকম কিনা,—লেখবার সময় একটু সভ্য করিয়া ভাল কথা দিয়া লিখতে হবে কিনা; আমার এখন সেভাবের একটী ভাল কথা মনে এসে যুগুচ্ছে না। অথবা, সে ভাবের ভাল শুদ্ধ কথা আপনাদের বাঙ্গালা ভাষাতেই নেই,—হয় কটমট সংস্কৃত কথা, না হয় অন্য বিদেশীয় কথা; না হয়ত বা আমার সেই গাঁওয়ারী কথাই ব্যবহার করিতে হয়। এরূপ স্থলে ভাষাকে অথবা লেখককে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া আবশ্যক, তা না হ’লে ভাষার উন্নতি হয় না, ভাষা সম্পূর্ণ বিকাশ পায় না, বিশেষ, ভাষার শৈশব অবস্থায়। আগে ইহাকে গা ছাড়িয়া উঠিতে দিন, তারপর ডাল পালা বা অদরকারী অথবা অনিষ্টকারী পদার্থগুলি ছাঁটিয়া ফেলিলে চলিতে পারে।
আর এক কথা, আমাদের হচ্ছে মাতৃভাষা, আমাদের নিজের ভাষা, আমরা যেমন করে পারি বলব কইব ও লিখব। যাঁহাকে লিখিব, তিনি বুঝিতে পারিলেই হইল,—ভাষার আদৎ কার্য্য এইখানেই হইয়া গেল। তারপর, শুদ্ধাশুদ্ধ কথা বিচার করিয়া, অলঙ্কারাদি প্রয়ােগ করিয়া, অলকা তিলকাদি দিয়া, ভাষাকে সাজান যায়,—সে খুব ভাল কথা;—অধিকন্তু ন দোষায়, বরং সেটা গৌরব বৃদ্ধিরই কারণ হইবে।।
ভাষার ধরণ সাধারণতঃ সৰ্ব্বশুদ্ধ আট প্রকার—রীতিমত ভাষাকে শ্রেণীবদ্ধ করিতে গেলে, প্রত্যেক ভাষাই প্রায় প্রধানতঃ চার রকম মূল ধরণে বিভক্ত করা যাইতে পারে, যথা (১) উচ্চধরণের, (২) মধ্যম ধরণের, (৩) চলিত এবং (৪) গ্রাম্য বা গাঁওয়ারী। যেমন, (১) সূৰ্য্য! অন্ন ভক্ষণ করিয়াছ?—উচ্চধরণের; (২) “সূৰ্য্য, ভাত খাইয়াছ?”—মধ্যম ধরণের; (৩) “সূর্য্যি, ভাত খেয়েছ?”—চলিত ধরণের; (৪) ও সূর্য্য, ভাত খাইচু (ইহা বাঁকুড়া এবং হুগলী জেলার কতিপয় গ্রামের কথা)?—গাঁওয়ারী ধরণের। উচ্চধরণের বাঙ্গালা ভাষায় নানা প্রকার অলঙ্কারাদি ও সংস্কৃতভাঙ্গা দুরূহ শব্দাদির ব্যবহার হইয়া থাকে, চলিত ধরণের ভাষায় নানাপ্রকার বিদেশীয় ভাষা ব্যবহৃত হয়। এই ত গেল ভাষার চারিটি মূল ধরণ।।
ভাষার ধরণ সাধারণতঃ সৰ্ব্বশুদ্ধ আট প্রকার—রীতিমত ভাষাকে শ্রেণীবদ্ধ করিতে গেলে, প্রত্যেক ভাষাই প্রায় প্রধানতঃ চার রকম মূল ধরণে বিভক্ত করা যাইতে পারে, যথা (১) উচ্চধরণের, (২) মধ্যম ধরণের, (৩) চলিত এবং (৪) গ্রাম্য বা গাঁওয়ারী। যেমন, (১) সূৰ্য্য! অন্ন ভক্ষণ করিয়াছ?—উচ্চধরণের; (২) “সূৰ্য্য, ভাত খাইয়াছ?”—মধ্যম ধরণের; (৩) “সূর্য্যি, ভাত খেয়েছ?”—চলিত ধরণের; (৪) ও সূর্য্য, ভাত খাইচু (ইহা বাঁকুড়া এবং হুগলী জেলার কতিপয় গ্রামের কথা)?—গাঁওয়ারী ধরণের। উচ্চধরণের বাঙ্গালা ভাষায় নানা প্রকার অলঙ্কারাদি ও সংস্কৃতভাঙ্গা দুরূহ শব্দাদির ব্যবহার হইয়া থাকে, চলিত ধরণের ভাষায় নানাপ্রকার বিদেশীয় ভাষা ব্যবহৃত হয়। এই ত গেল ভাষার চারিটি মূল ধরণ।।
https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
ইহা ছাড়া আরও কয়েক রকমের ধরণ দেখিতে পাওয়া যায়; তাহারা মিশ্র ধরণ। তাহাদিগকে এইরূপ আখ্যা দিলেও চলে —(১) উচ্চমিশ্র, অর্থাৎ উচ্চ ও মধ্যম ধরণের মিশ্রিত ভাষা; এই ধরণে লিখিতে গেলে, কখন খুব উচ্চ রকমের অলঙ্কারাদি এবং দুরূহ দুরূহ শব্দযুক্ত ভাষার প্রয়ােগ হইতেছে, আবার কোন স্থলে বা মধ্যম ধরণেরও ভাষা বাহির হইতেছে; মাসিক বা সংবাদপত্রাদি এবং সাধারণ পুস্তকাদিতে প্রায় এই ধরণেরই লেখা দেখা যায়। (২) মধ্যম মিশ্র, অর্থাৎ—মধ্যম ও চলিত ধরণের মিশ্র ভাষা; এইরূপ ভাষায় সচরাচর সকলে
//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});


