স্বামী সারদানন্দ-কথিত II VISIT TODAY SARADA
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Ma Bhabatarini (Kali)
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Shivananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
BANERSHAR SHIVA LINGA
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Vivekananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi, Swami Vivekananda, Swami Shivananda
|
https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
1। প্রশ্ন : “আপনার মতাে লােকের এতক্ষণ ধরে ধ্যান করার প্রয়ােজন কি? এতে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। যে।”
উত্তর : “ডাক এসেছে। মহাযাত্রার জন্য তৈরী হচ্ছি। এখন ধ্যানই আমার জীবনের খাদ্য, তার নামকীর্তন আমার আনন্দের উৎস।”
উত্তর : “ডাক এসেছে। মহাযাত্রার জন্য তৈরী হচ্ছি। এখন ধ্যানই আমার জীবনের খাদ্য, তার নামকীর্তন আমার আনন্দের উৎস।”
2। “এমন করিয়া আমাদের কেহই তাে আর ভালবাসে নাই। জানি না দুই দিন না মিশিতেই কেন যে তাঁহার কেনা গােলাম হইয়া গেলাম। বাপ–মার ভালবাসা এঁর কাছে কত তুচ্ছ মনে হয়। চব্বিশ ঘন্টা তার কাছে পড়ে থাকতে ইচ্ছে হয়। ছেড়ে যেতে মন এতটুকু চায় না। এমনি বাঁধনে বেঁধে ফেলেছেন যে, ভাই, বন্ধু, আত্মীয়–স্বজন, সব একেবারে ভুল হয়ে গেল। এমন স্নেহ জগতে আর কারু কাছে পাইনি” ইত্যাদি।
3। “গুরু–শিষ্যের আধ্যাত্মিক সম্পর্ক কিছুতেই বিচ্ছিন্ন হয় না। এ সম্পর্ক চিরদিনের। কিন্তু শিষ্যকে অবশ্যই গুরুর কথা শুনতে হবে, তার কথামত চলতে হবে। যদি কোন বাধা আসে, গুরু তা সরিয়ে দেন। শিষ্যের আন্তরিকতা ও চেষ্টার উপর সিদ্ধি নির্ভর করছে। পরীক্ষায় পাস করার জন্য ছেলেরা কত পরিশ্রম করে, ঠিক সেইরকম আর কি। আন্তরিকতা থাকলে ভগবান লাভের জন্য ততখানি পরিশ্রমও করতে হয় না। দুঃখের বিষয়, মানুষ অন্তর দিয়ে ভগবানকে চায় না। আন্তরিক হয়ে চাইলে তার দেখা পাবেই। খুব খাটো। অচলা ভক্তি নিয়ে তার নাম জপ করবে। বীজ বপন করা হয়েছে। তােমাকে এখন স্থির বিশ্বাস নিয়ে জলসেচন করতে হবে। একাগ্রতার জন্য মালা ব্যবহার করতে পার। ‘মালা উপােসী রাখতে নেই’—এ কথার উদ্দেশ্য হলাে জপে অভ্যস্ত করা এবং জপের সময় মনকে বিক্ষিপ্ত হতে না দেওয়া। ঈশ্বর লাভার্থে ব্যাকুলতা আনার জন্যই।






