এক প্রাণখােলা ত্রিবেণী সঙ্গম
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
এক প্রাণখােলা ত্রিবেণী সঙ্গম
১৮৯৮ সাল। বলরাম মন্দির। রাজা মহারাজ ও স্বামীজী বসে আছেন। ত্রিগুণাতীতানন্দজী এলেন জ্বর গায়ে। দু’জন একসঙ্গে গুরুভাইকে সাদর অভ্যর্থনা জানালেন—“কি বাবাজী, এস, আজকের খবর কি? প্রেসের কতদূর? বল, বল! বস, বস!” রসিক সারদা নাকিসুরে বললেন—“আঁর ভাই, আঁর পারি নি—ও সব কাঁজ কি আঁমাদের পোষায় ভাই?” শুনেই স্বামীজীর গােলাবর্ষণ : “তাের বড় আম্বা হয়েছিল। কে তাকে প্রেস করতে সেধেছিল ?…তােদের এ ছােটলােকপনা কিছুতেই যাবে না।…তুই আমাকে work দেখাস?” গােলাবর্ষণে সারদা ঠায় বসে রইলেন। একটুও তাতলেন না। স্বামীজী গজগজ করতে করতে বললেন ঃ “সেই গঙ্গার ধারে বসে আমরা কয়জনে তাঁর চিতাভস্ম নিয়ে কাঁদছি।…তিনি গঙ্গার ধার ভালবাসতেন।…আমার কথা শুনল না ।…
চিতাভস্ম নিয়ে কাঁকুড়গাছির বাগানেতে রাখল। আমার প্রাণে বড় ব্যথা বেজেছিল।..কি দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ বার বছর bull dog-এর মতন সেই idea নিয়ে তামাম দুনিয়া ঘুরেছি, একদিনও ঘুমােইনি। আজ দেখ তা সফল করলাম। সেই idea আমাকে একদিনও ছাড়েনি।” রাজা মহারাজ একটু বিচলিত—তাকিয়ে আছেন বেতার দিকে। সারদার হাসি হাসি মুখ। গুরুগম্ভীর পরিবেশকে একেবারে হাল্কা করে দিয়ে সারদাপ্রসন্ন সরসকণ্ঠে বললেন ঃ “ভাই, তােমার brainটি কেমন! তােমার brain টি আমায় দিতে পার ?” তিনজনেই একসঙ্গে দমফাটা হাসিতে লুটিয়ে পড়লেন।
[নিবােধত, ২৯বর্ষ, ২য় সংখ্যা, জুলাই–আগস্ট, ২০১৫,পৃঃ ১৫০]
https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

