সাধুজীবনের মূল কথা (প্রাচীন সাধুদের পরামর্শ) II VISIT TODAY RAMAKRISHNA

সাধুজীবনের মূল কথা(প্রাচীন সাধুদের পরামর্শ)

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Sri Ramakrishna
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }

Sri Ramakrishna

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }

সাধুজীবনের মূল কথা (প্রাচীন সাধুদের পরামর্শ)

ভূমিকা
ল্যাটিন শব্দ ‘Monas’ থেকে ‘Monasticismশব্দটি এসেছে, যার অর্থ একাকীত্ব বা নির্জনতা। অবশ্য প্রাচীন মুনিঋষিদের মতাে মরুভূমি, জঙ্গল বা গুহাবাসের ন্যায় চরম বিচ্ছিন্নতার কথা এখানে বলা হচ্ছে না। এটা মূলতঃ আন্তঃনির্জনতা, যেখানে একজন সমস্ত জাগতিকতা থেকে পৃথক। যে নিজ অন্তরে আন্তঃ নির্জনতা খুঁজে পায়, আপন মানসলােকে যে চরম একাকীত্বের সন্ধান পায়, সেই সাধু। 
যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণ সাধুর সংজ্ঞা দিচ্ছেন : যাঁর মনপ্রাণ অন্তরাত্মা ঈশ্বরে গত হয়েছে, তিনিই সাধু। যিনি কামিনীকাঞ্চন ত্যাগী, তিনিই সাধু। যিনি সাধু তিনি স্ত্রীলােককে ঐহিক চক্ষে দেখেন না, সর্বদাই তাদের অন্তরে থাকেনযদি স্ত্রীলােকের কাছে আসেন, তাঁকে মাতৃবৎ দেখেন ও পূজা করেন। সাধু সর্বদা ঈশ্বরচিন্তা করেন, ঈশ্বরীয় কথা বই আর কথা কন না। আর সর্বভূতে ঈশ্বর আছেন জেনে তাদের সেবা করেন। মােটামুটি এইগুলি সাধুর লক্ষণ। 
সমাজের তৎকালীন প্রয়ােজন মাথায় রেখে শ্রীরামকৃষ্ণ সন্ন্যাসের ভিত্তি নির্দেশ করে দিয়েছেন এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ বার্তাবহ স্বামী বিবেকানন্দ আদর্শ ও নিয়মের বন্ধনে বেঁধে তা আরাে সমৃদ্ধ করে তুলেছেন। তারই ফলশ্রুতি আজকের এই নবসন্ন্যাসজীবন। এক্ষেত্রে স্বামীজীর চমৎকারিত্ব এই যে, সন্ন্যাসের সমস্ত আবশ্যকীয় শর্তসমূহ অক্ষুন্ন রেখেও পরিব্রাজকতার আধিক্য কমিয়ে, সন্ন্যাসীদের আধুনিক শিক্ষার দিকে জোর দিয়ে , সেবায় প্রেরণা দিয়ে, সবাইকে ভ্রাতৃত্ববােধে উদ্বুদ্ধ করিয়ে, একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে এগিয়ে এনেছেন, যাতে সমাজের সর্বস্তরের আগ্রহী (নিবেদিত-প্রাণ) মানুষজনকেও সাথে নেওয়া হয়েছে।
 শ্রীরামকৃষ্ণের অন্যান্য পার্ষদ ও পরবর্তীকালের ত্যাগৱতীগণ তাঁদের জীবন দিয়ে এই নব সন্ন্যাসধর্মের আদর্শ ও অপরিহার্যতার উপর আলােকপাত করেছেন। সন্ন্যাস জীবনের জন্য অপরিহার্য, রচনাটিতে রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সন্ন্যাসের আদর্শ তুলে ধরার জন্য সঙ্ঘের ২য় ও ৩য় প্রজন্মের সন্ন্যাসীদের ধারণাসমূহ চয়ন করা হয়েছে  মাত্র- এ এক বিনম্র পদক্ষেপ। এগুলি সংকলিত হয়েছে মূলতঃ  সঙ্ঘের প্রবীণ সন্ন্যাসীবৃন্দের অমূল্য আলােচনা সমূহ  এবং কিছু গ্রন্থ ও প্রবন্ধ থেকে 

https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started