প্রাচীন সাধুদের কথা II VISIT TODAY RAMAKRISHNA
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx } |
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Ramakrishna
|
![]() |
| স্বামী স্মরণানন্দজী মহারাজ |
![]() |
| স্বামী স্মরণানন্দজী মহারাজ |
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
বৈরাগ্য (পশ্চাৎমুখী হয়াে না) :
আধ্যাত্মিক জীবন হল শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি এক সুদীর্ঘ প্রতিশ্রুতি। আমি মনে করি যে , যখন আমি বলি, তােমরা আর পশ্চাৎমুখী হয়াে না, তখন এটার অর্থ তােমরা বুঝতে পারাে। তােমরা এই গল্পটি জানাে কিনা আমি জানি না। একটি সেনাদল শত্রু এলাকার অভিমুখে যাত্রা করছিল এবং তাদের মাঝপথে একটি নদী ছিল। সুতরাং রাত্রে গােপনে বিভিন্ন নৌকায় তাদের অপর পাড়ে যেতে হয়েছিল এবং তারপরে আবার তারা যুদ্ধ আরম্ভ করলাে। যখনই সকল সৈন্য অপর পারে পৌছালাে, তখন সেনাপতি তাদের সকল নৌকা জ্বালিয়ে দিতে বললেন। তার অর্থ হল যে, আমরা যুদ্ধ করে শত্রু দমন করবাে নতুবা মরবাে (করেঙ্গে ইয়ে মরেঙ্গে‘)।
ফিরে যাওয়ার আর কোন বিকল্প পথ নেই। আমি মনে করি যে, ফিরে যাওয়ার বিকল্প পথ রুদ্ধ করে আমরা সংসার জীবন ছেড়ে এখানে এসেছি। পশ্চাৎ দৃষ্টি দিও না। দৈবাৎ এই ধরণের চিন্তা আমাদের মনে উদিত হতে পারে, কিন্তু ইতঃস্তত না করে এগুলিকে অতি সত্ত্বর দূরীভূত করতে হবে। কারণ, তােমরা শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রীশ্রীমার কাছে এসেছাে।
তােমরা স্বামীজীর কাছে নিজেকে উৎসর্গ করেছাে। আধ্যাত্মিক ভাবে আমরা উন্নত হচ্ছি কিনা, আমাদের মন কোথায় যাওয়ার চেষ্টা করছে, সর্বদা ঠাকুরকে চিন্তা করার জন্য আমাদের মনকে অভ্যাস করাতে পারি কিনা – এব্যাপারে সর্বদা নজর রাখতে হবে। বাস্তবিকপক্ষে , এটা খুবই কঠিন, কিন্তু (এটা একবার সাধিত হলে) পরে মনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভগবানের দিকে প্রবাহিত করতে হবে। আমরা আমাদের জীবনকে সম্পূর্ণভাবে জগৎকেন্দ্রিক না করে ভগবদকেন্দ্রিক করেছি।
ফিরে যাওয়ার আর কোন বিকল্প পথ নেই। আমি মনে করি যে, ফিরে যাওয়ার বিকল্প পথ রুদ্ধ করে আমরা সংসার জীবন ছেড়ে এখানে এসেছি। পশ্চাৎ দৃষ্টি দিও না। দৈবাৎ এই ধরণের চিন্তা আমাদের মনে উদিত হতে পারে, কিন্তু ইতঃস্তত না করে এগুলিকে অতি সত্ত্বর দূরীভূত করতে হবে। কারণ, তােমরা শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রীশ্রীমার কাছে এসেছাে।
তােমরা স্বামীজীর কাছে নিজেকে উৎসর্গ করেছাে। আধ্যাত্মিক ভাবে আমরা উন্নত হচ্ছি কিনা, আমাদের মন কোথায় যাওয়ার চেষ্টা করছে, সর্বদা ঠাকুরকে চিন্তা করার জন্য আমাদের মনকে অভ্যাস করাতে পারি কিনা – এব্যাপারে সর্বদা নজর রাখতে হবে। বাস্তবিকপক্ষে , এটা খুবই কঠিন, কিন্তু (এটা একবার সাধিত হলে) পরে মনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভগবানের দিকে প্রবাহিত করতে হবে। আমরা আমাদের জীবনকে সম্পূর্ণভাবে জগৎকেন্দ্রিক না করে ভগবদকেন্দ্রিক করেছি।
— স্বামী স্মরণানন্দজী মহারাজ



