করুণাময়ী মায়ের অন্নপূর্ণা রূপের প্রকাশ
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Ma Bhabatarini (Kali)
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Shivananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
BANERSHAR SHIVA LINGA
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Swami Vivekananda
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi
|
![]() |
| @page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% } a:link { so-language: zxx }
Sri Sarada Devi, Swami Vivekananda, Swami Shivananda
|
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }
করুণাময়ী মায়ের অন্নপূর্ণা রূপের প্রকাশ
একবার জীর্ণবাস এক দরিদ্র সন্তান অপরাজিতার একটি মালা নিয়ে মায়ের বাটীর দ্বারে এসে উপস্থিত হলেন।
লােক মুখে তিনি শুনেছিলেন ছিলেন পরমহংস দেব ভগবান, আর তাহার সহধর্মিণী সাক্ষাৎ অন্নপূর্ণা।
সেই অন্নপূর্ণা দর্শনে জীবন সার্থক করিবার আশায় তিনি হাওড়া জেলার আমতা গ্রাম থেকে ছুটে এসেছেন উত্তর কলকাতায়।
জনৈক সেবক জানালেন , “এখন তাে মা ঠাকরুনের দর্শন হবে না!”
সেই দর্শনার্থী বললেন যে , বহু দূর থেকে অনেক আশা করে। তিনি এসেছেন মাকে দেখবার আশায় একবার মাতৃ দর্শন না পেলে তিনি স্থান ত্যাগ করবেন না!
তিনি জানতে চাইলেন , কখন মায়ের দর্শন পাওয়া যাবে; তারপরও সেবক গণের কাছ থেকে সদুত্তর না পেয়ে তিনি নিরুপায় হয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে চেষ্টা করলেন! এটি নিয়েখুব বাদানুবাদের সৃষ্টি হলাে।
সেবক বললেন – ‘মা ঠাকরুনের দর্শন পাওয়া কি এতই সহজ ?
ব্যর্থকাম সন্তান তখন মনের দুঃখে কাঁদতে লাগলেন। বেলা তখন দুপুর গড়িয়ে যেতে চলেছে প্রায়।
আহারের পর মা বিশ্রাম করতে যাবেন , এমন সময় অপ্রত্যাশিত ভাবে সেই খানে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন —“” এখানে এত গােলমাল কিসের ?”
আগন্তুক এর দিকে তাকিয়ে মা বললেন ,—-“কি চাও বাবা ,তুমি“?
লােক মুখে তিনি শুনেছিলেন ছিলেন পরমহংস দেব ভগবান, আর তাহার সহধর্মিণী সাক্ষাৎ অন্নপূর্ণা।
সেই অন্নপূর্ণা দর্শনে জীবন সার্থক করিবার আশায় তিনি হাওড়া জেলার আমতা গ্রাম থেকে ছুটে এসেছেন উত্তর কলকাতায়।
জনৈক সেবক জানালেন , “এখন তাে মা ঠাকরুনের দর্শন হবে না!”
সেই দর্শনার্থী বললেন যে , বহু দূর থেকে অনেক আশা করে। তিনি এসেছেন মাকে দেখবার আশায় একবার মাতৃ দর্শন না পেলে তিনি স্থান ত্যাগ করবেন না!
তিনি জানতে চাইলেন , কখন মায়ের দর্শন পাওয়া যাবে; তারপরও সেবক গণের কাছ থেকে সদুত্তর না পেয়ে তিনি নিরুপায় হয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে চেষ্টা করলেন! এটি নিয়েখুব বাদানুবাদের সৃষ্টি হলাে।
সেবক বললেন – ‘মা ঠাকরুনের দর্শন পাওয়া কি এতই সহজ ?
ব্যর্থকাম সন্তান তখন মনের দুঃখে কাঁদতে লাগলেন। বেলা তখন দুপুর গড়িয়ে যেতে চলেছে প্রায়।
আহারের পর মা বিশ্রাম করতে যাবেন , এমন সময় অপ্রত্যাশিত ভাবে সেই খানে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন —“” এখানে এত গােলমাল কিসের ?”
আগন্তুক এর দিকে তাকিয়ে মা বললেন ,—-“কি চাও বাবা ,তুমি“?
কাঙ্গাল সন্তান অশ্রুসিক্ত নয়নে বলতে লাগিল — ” আমার দুখের কথা কি আর বলব মা?
আমতা থেকে এত দূর হেঁটে এসেছি, একটি অপরাজিতার মালা নিয়ে।
শুনেছিলাম এখানে মা অন্নপূর্ণার দর্শন পাওয়া যায়। সাধ ছিল তার গলায় এই মালাটি পরাবাে; ১০৮ টি অপরাজিতা মা অন্নপূর্ণা কে দিলে না–কি সকল সিদ্ধিলাভ হয়।
কিন্তু এরা বলছেন,– সারাজীবন তপস্যা করলেও অন্নপূর্ণার দর্শন আমি পাবনা।
এই বলে তিনি পুনরায় শিশুর মত কঁদতে লাগলেন। এই পরিস্থিতিতে সেবক গন মহা অপ্রস্তুতে পড়ে গেলেন! করার মুখে কোন কথা নেই,
মাতা ঠাকুরানী আগন্তুক কে জিজ্ঞাসা করলেন —-বাবা, তুমি কি এখুনি মাকে দেখতে চাও?
আমতা থেকে এত দূর হেঁটে এসেছি, একটি অপরাজিতার মালা নিয়ে।
শুনেছিলাম এখানে মা অন্নপূর্ণার দর্শন পাওয়া যায়। সাধ ছিল তার গলায় এই মালাটি পরাবাে; ১০৮ টি অপরাজিতা মা অন্নপূর্ণা কে দিলে না–কি সকল সিদ্ধিলাভ হয়।
কিন্তু এরা বলছেন,– সারাজীবন তপস্যা করলেও অন্নপূর্ণার দর্শন আমি পাবনা।
এই বলে তিনি পুনরায় শিশুর মত কঁদতে লাগলেন। এই পরিস্থিতিতে সেবক গন মহা অপ্রস্তুতে পড়ে গেলেন! করার মুখে কোন কথা নেই,
মাতা ঠাকুরানী আগন্তুক কে জিজ্ঞাসা করলেন —-বাবা, তুমি কি এখুনি মাকে দেখতে চাও?
করজোড়ে ব্যাকুল হয়ে সন্তান বলেন, —গরীবের প্রতি মায়ের এত কৃপা কি হবে? আমি কি তার দেখা পাবাে মা? মা তার দিকে সকরুণ দৃষ্টি পাত করতে বললেন , —দীন – দুঃখী রাই তাে মাকে আগে পায় বাবা— নিমেষের ব্যাপার! ভক্ত টি কি দর্শন করলেন তার কি অনুভূতি হল তিনি জানেন, আকস্মাৎ চিৎকার করে উঠলেন এ–ই বার চিনতে পেরেছি গাে তুমি ই আমার অন্নপূর্ণা মা। এই বলে তিনি আপরাজিতার মালা টি এবং একটি সুপক্ক বেলফল ও কম্পিত হস্তে মা কে অর্পণ করিলেন।
মা হস্ত প্রসারিত করিয়া তাহার মালা ও ফল সানন্দে গ্রহন করিলেন!
@page { margin: 2cm } p { margin-bottom: 0.25cm; line-height: 120% }






